فَوَجَدْتُهُ قَدْ سَبَقَنِي إِلَيْهِ، فَسَأَلَهُ عَمَّا سَأَلْتُهُ عَنْهُ. وَوَجَدْتُهُ قَدْ سَأَلَ أَبَاهُ عَنْ مَدْخَلِهِ وَمَخْرَجِهِ وَشَكْلِهِ، فَلَمْ يَدَعْ مِنْهُ شَيْئًا. قَالَ الحُسَيْنُ: فَسَأَلْتُ أَبِي عَنْ دُخُولِ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فقَالَ: «كَانَ إِذَا أَوَى إِلَى مَنْزِلِهِ جَزَّأَ دُخُولَهُ ثَلَاثَةَ أَجْزَاءٍ: جُزْءًا لِلّاهِ، وَجُزْءًا لِأَهْلِهِ، وَجُزْءًا لِنَفْسِهِ. ثُمَّ جَزَّأَ جُزْءَهُ بَيْنَهُ وَبَيْنَ النَّاسِ، فَيَرُدُّ ذَلِكَ بِالخَاصَّةِ عَلَى العَامَّةِ، وَلَا يَدَّخِرُ عَنْهُمْ شَيْئًا. وَكَانَ مِنْ سِيرَتِهِ فِي جُزْءِ الأُمَّةِ إِيثَارُ أَهْلِ الفَضْلِ بِإِذْنِهِ، وَقَسْمُهُ عَلَى قَدْرِ فَضْلِهِمْ فِي الدِّينِ، فَمِنْهُمْ
ذُو الحَاجَةِ وَمِنْهُمْ ذُو الحَاجَتَيْنِ وَمِنْهُمْ ذُو الحَوَائِجِ. فَيَتَشَاغَلُ بِهِمْ وَيَشْغَلُهُمْ فِيمَا يُصْلِحُهُمْ وَالأُمَّةَ مِنْ مُسَاءَلَتِهِمْ عَنْهُ وَإِخْبَارِهِمْ بِالَّذِي يَنْبَغِي لَهُمْ. وَيَقُولُ: لِيُبَلِّغِ الشَّاهِدُ مِنْكُمُ الغَائِبَ، وَأَبْلِغُونِي حَاجَةَ مَنْ لَا يَسْتَطِيعُ إِبْلَاغَهَا، فَإِنَّهُ مَنْ أَبْلَغَ سُلْطَانًا حَاجَةَ مَنْ لَا يَسْتَطِيعُ إِبْلَاغَهَا ثَبَّتَ اللهُ قَدَمَيْهِ يَوْمَ القِيَامَةِ.
لَا يُذْكَرُ عِنْدَهُ إِلَّا ذَلِكَ، وَلَا يَقْبَلُ مِنْ أَحَدٍ غَيْرَهُ. يَدْخُلُونَ رُوَّادًا وَلَا يَفْتَرِقُونَ إِلَّا عَنْ ذَوَاقٍ، وَيَخْرُجُونَ أَدِلَّةً - يَعْنِي عَلَى الخَيْرِ».
قَالَ: فَسَأَلْتُهُ عَنْ مَخْرَجِهِ كَيْفَ يَصْنَعُ فِيهِ؟ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَخْزِنُ لِسَانَهُ إِلا فِيمَا يَعْنِيهِ، وَيُؤَلِّفُهُمْ وَلا يُنَفِّرُهُمْ، وَيُكْرِمُ كَرِيمَ كُلِّ قَوْمٍ وَيُوَلِّيهِ عَلَيْهِمْ، وَيَحَذَرُ النَّاسَ وَيَحْتَرِسُ مِنْهُمْ، مِنْ غَيْرِ أَنْ يَطْوِيَ عَنْ أَحَدٍ مِنْهُمْ بِشْرَهُ وَخُلُقَهُ، وَيَتَفَقَّدُ أَصْحَابَهُ، وَيَسْأَلُ النَّاسَ عَمَّا فِي النَّاسِ، وَيُحَسِّنُ الحَسَنَ وَيُقَوِّيهِ، وَيُقَبِّحُ القَبِيحَ وَيُوَهِّيهِ، مُعْتَدِلُ الأَمْرِ غَيْرُ مُخْتَلِفٍ، لا يَغْفُلُ مَخَافَةَ أَنْ يَغْفُلُوا أَوْ يَمِيلُوا،
ذُو الحَاجَةِ وَمِنْهُمْ ذُو الحَاجَتَيْنِ وَمِنْهُمْ ذُو الحَوَائِجِ. فَيَتَشَاغَلُ بِهِمْ وَيَشْغَلُهُمْ فِيمَا يُصْلِحُهُمْ وَالأُمَّةَ مِنْ مُسَاءَلَتِهِمْ عَنْهُ وَإِخْبَارِهِمْ بِالَّذِي يَنْبَغِي لَهُمْ. وَيَقُولُ: لِيُبَلِّغِ الشَّاهِدُ مِنْكُمُ الغَائِبَ، وَأَبْلِغُونِي حَاجَةَ مَنْ لَا يَسْتَطِيعُ إِبْلَاغَهَا، فَإِنَّهُ مَنْ أَبْلَغَ سُلْطَانًا حَاجَةَ مَنْ لَا يَسْتَطِيعُ إِبْلَاغَهَا ثَبَّتَ اللهُ قَدَمَيْهِ يَوْمَ القِيَامَةِ.
لَا يُذْكَرُ عِنْدَهُ إِلَّا ذَلِكَ، وَلَا يَقْبَلُ مِنْ أَحَدٍ غَيْرَهُ. يَدْخُلُونَ رُوَّادًا وَلَا يَفْتَرِقُونَ إِلَّا عَنْ ذَوَاقٍ، وَيَخْرُجُونَ أَدِلَّةً - يَعْنِي عَلَى الخَيْرِ».
قَالَ: فَسَأَلْتُهُ عَنْ مَخْرَجِهِ كَيْفَ يَصْنَعُ فِيهِ؟ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَخْزِنُ لِسَانَهُ إِلا فِيمَا يَعْنِيهِ، وَيُؤَلِّفُهُمْ وَلا يُنَفِّرُهُمْ، وَيُكْرِمُ كَرِيمَ كُلِّ قَوْمٍ وَيُوَلِّيهِ عَلَيْهِمْ، وَيَحَذَرُ النَّاسَ وَيَحْتَرِسُ مِنْهُمْ، مِنْ غَيْرِ أَنْ يَطْوِيَ عَنْ أَحَدٍ مِنْهُمْ بِشْرَهُ وَخُلُقَهُ، وَيَتَفَقَّدُ أَصْحَابَهُ، وَيَسْأَلُ النَّاسَ عَمَّا فِي النَّاسِ، وَيُحَسِّنُ الحَسَنَ وَيُقَوِّيهِ، وَيُقَبِّحُ القَبِيحَ وَيُوَهِّيهِ، مُعْتَدِلُ الأَمْرِ غَيْرُ مُخْتَلِفٍ، لا يَغْفُلُ مَخَافَةَ أَنْ يَغْفُلُوا أَوْ يَمِيلُوا،
আমি তাঁকে পেলাম যে তিনি আমার পূর্বেই তাঁর নিকট পৌঁছে গেছেন এবং তাঁকে সেই সব বিষয়েই জিজ্ঞাসা করেছেন যা আমি জিজ্ঞাসা করতে চেয়েছিলাম। আমি দেখলাম তিনি তাঁর পিতার কাছে রাসূলুল্লাহর প্রবেশ, বাহির হওয়া ও তাঁর গঠন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছেন এবং কোনো কিছুই বাদ দেননি। হুসাইন রা. বলেন: আমি আমার পিতাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ঘরে প্রবেশ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন: «তিনি যখন নিজ ঘরে প্রবেশ করতেন, তখন তাঁর সময়কে তিন ভাগে ভাগ করতেন: এক ভাগ আল্লাহর জন্য, এক ভাগ তাঁর পরিবারের জন্য এবং এক ভাগ নিজের জন্য। অতঃপর তিনি নিজের ভাগটুকু নিজের ও মানুষের মাঝে বণ্টন করে দিতেন। তিনি বিশিষ্ট সাহাবীদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের নিকট (জ্ঞান ও সংবাদ) পৌঁছে দিতেন এবং তাঁদের নিকট কোনো কিছুই গোপন রাখতেন না। উম্মতের জন্য নির্ধারিত সময়ের ক্ষেত্রে তাঁর নীতি ছিল দ্বীনি মর্যাদার ভিত্তিতে ফযিলতপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়া এবং তাঁদের দ্বীনি শ্রেষ্ঠত্ব অনুযায়ী সময় বণ্টন করা। তাঁদের মধ্যে কেউ ছিলেন এক প্রয়োজনের অধিকারী, কেউ দুই প্রয়োজনের, আবার কেউ ছিলেন বহু প্রয়োজনের অধিকারী।
তিনি তাঁদের নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন এবং তাঁদেরকে এমন কাজে নিয়োজিত রাখতেন যাতে তাঁদের এবং উম্মতের সংশোধন হয়। তিনি তাঁদের অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেন এবং তাঁদের জন্য যা সমীচীন তা অবহিত করতেন। তিনি বলতেন: "তোমাদের মধ্যে যারা উপস্থিত আছ, তারা যেন অনুপস্থিতদের কাছে পৌঁছে দেয়। আর যে ব্যক্তি নিজের প্রয়োজনের কথা পৌঁছাতে সক্ষম নয়, তার প্রয়োজন সম্পর্কে তোমরা আমাকে জানাও। কারণ যে ব্যক্তি কোনো শাসকের নিকট এমন ব্যক্তির প্রয়োজন পৌঁছে দেয় যে তা পৌঁছাতে সক্ষম নয়, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাঁর পা অবিচল রাখবেন।"
তাঁর নিকট কেবল এই ধরনের বিষয়ই আলোচনা করা হতো এবং তিনি কারো কাছ থেকে অন্য কিছু গ্রহণ করতেন না। তাঁরা জ্ঞানান্বেষী হিসেবে প্রবেশ করতেন এবং কোনো স্বাদ গ্রহণ করা ব্যতীত বিচ্ছিন্ন হতেন না, আর তাঁরা বের হতেন পথপ্রদর্শক হয়ে—অর্থাৎ কল্যাণের পথপ্রদর্শক হিসেবে।»
তিনি বলেন: আমি তাঁকে রাসূলুল্লাহর বাহির হওয়ার সময়কার আচরণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে তিনি সেখানে কী করতেন? তিনি বললেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রয়োজনীয় কথা ব্যতীত তাঁর জিহ্বাকে সংযত রাখতেন। তিনি তাঁদের মধ্যে সম্প্রীতি স্থাপন করতেন এবং তাঁদেরকে দূরে সরিয়ে দিতেন না। তিনি প্রত্যেক সম্প্রদায়ের সম্মানিত ব্যক্তিকে সম্মান প্রদর্শন করতেন এবং তাঁদেরকেই তাঁদের ওপর নেতা নিযুক্ত করতেন। তিনি লোকজনের অনিষ্ট থেকে সতর্ক থাকতেন এবং তাঁদের থেকে আত্মরক্ষা করতেন, তবে কারো থেকেই তাঁর হাস্যোজ্জ্বল চেহারা ও সদাচরণ সংবরণ করতেন না। তিনি তাঁর সাহাবীদের খোঁজখবর নিতেন এবং মানুষের মাঝে যা ঘটছে সে সম্পর্কে লোকজনকে জিজ্ঞাসা করতেন। তিনি ভালোকে ভালো বলতেন ও তা সুদৃঢ় করতেন এবং মন্দকে মন্দ বলতেন ও তা দুর্বল করতেন। তাঁর প্রতিটি বিষয় ছিল ভারসাম্যপূর্ণ ও সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি এ আশঙ্কায় কখনো উদাসীন হতেন না যে পাছে তাঁরা উদাসীন হয়ে যায় কিংবা বিচ্যুত হয়ে পড়ে।»
তিনি তাঁদের নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন এবং তাঁদেরকে এমন কাজে নিয়োজিত রাখতেন যাতে তাঁদের এবং উম্মতের সংশোধন হয়। তিনি তাঁদের অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেন এবং তাঁদের জন্য যা সমীচীন তা অবহিত করতেন। তিনি বলতেন: "তোমাদের মধ্যে যারা উপস্থিত আছ, তারা যেন অনুপস্থিতদের কাছে পৌঁছে দেয়। আর যে ব্যক্তি নিজের প্রয়োজনের কথা পৌঁছাতে সক্ষম নয়, তার প্রয়োজন সম্পর্কে তোমরা আমাকে জানাও। কারণ যে ব্যক্তি কোনো শাসকের নিকট এমন ব্যক্তির প্রয়োজন পৌঁছে দেয় যে তা পৌঁছাতে সক্ষম নয়, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাঁর পা অবিচল রাখবেন।"
তাঁর নিকট কেবল এই ধরনের বিষয়ই আলোচনা করা হতো এবং তিনি কারো কাছ থেকে অন্য কিছু গ্রহণ করতেন না। তাঁরা জ্ঞানান্বেষী হিসেবে প্রবেশ করতেন এবং কোনো স্বাদ গ্রহণ করা ব্যতীত বিচ্ছিন্ন হতেন না, আর তাঁরা বের হতেন পথপ্রদর্শক হয়ে—অর্থাৎ কল্যাণের পথপ্রদর্শক হিসেবে।»
তিনি বলেন: আমি তাঁকে রাসূলুল্লাহর বাহির হওয়ার সময়কার আচরণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে তিনি সেখানে কী করতেন? তিনি বললেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রয়োজনীয় কথা ব্যতীত তাঁর জিহ্বাকে সংযত রাখতেন। তিনি তাঁদের মধ্যে সম্প্রীতি স্থাপন করতেন এবং তাঁদেরকে দূরে সরিয়ে দিতেন না। তিনি প্রত্যেক সম্প্রদায়ের সম্মানিত ব্যক্তিকে সম্মান প্রদর্শন করতেন এবং তাঁদেরকেই তাঁদের ওপর নেতা নিযুক্ত করতেন। তিনি লোকজনের অনিষ্ট থেকে সতর্ক থাকতেন এবং তাঁদের থেকে আত্মরক্ষা করতেন, তবে কারো থেকেই তাঁর হাস্যোজ্জ্বল চেহারা ও সদাচরণ সংবরণ করতেন না। তিনি তাঁর সাহাবীদের খোঁজখবর নিতেন এবং মানুষের মাঝে যা ঘটছে সে সম্পর্কে লোকজনকে জিজ্ঞাসা করতেন। তিনি ভালোকে ভালো বলতেন ও তা সুদৃঢ় করতেন এবং মন্দকে মন্দ বলতেন ও তা দুর্বল করতেন। তাঁর প্রতিটি বিষয় ছিল ভারসাম্যপূর্ণ ও সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি এ আশঙ্কায় কখনো উদাসীন হতেন না যে পাছে তাঁরা উদাসীন হয়ে যায় কিংবা বিচ্যুত হয়ে পড়ে।»
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 166)