تفنيد هذه الشبهة:
1 هذا الحديث حكم عليه المحدثون بأن: فيه غرابة ونكارة جدًّا،(1) وعليه فلا يصح الاستدلال به؛ لأنه منكر.
2 على فرضية صحة هذا الحديث، فإنه يكون من خصائص النبي صلى الله عليه وسلم؛ لأن كل ما وقع في حادثة الإسراء خاص بالنبي صلى الله عليه وسلم(2).
* الشبهة الرابعة: عدم اعتبار قاعدة سد الذرائع، وإبطال تنزليها على حكم إحياء عين الأثر بالتهيئة وتذليل الوصول إليه، ودعوى عدم إمكانية الاعتماد عليها وتطبيقها على هذه المسألة(3)، بحجة وجود مصالح تعود على المسلمين من ناحيتين: اقتصادية مادية، وكذلك من ناحية الحفاظ على سلامة الزائرين عند ارتيادهم للآثار الوعرة(4).
تفنيد هذه الشبهة:
أ جاءت الشريعة الإسلامية بسد ذرائع البدع والشرك، وقد نص علماء السلف على أن سد الذرائع أصل عظيم من أصول الدين الإسلامي، حيث إن الإمام ابن قيّم الجوزية رحمه الله أثبت تسعة وتسعين دليلاً على اعتبار قاعدة سد الذرائع(5).
وكما ساق الإمام الشاطبي رحمه الله اتفاق السلف على أصل سد الذريعة(6).
فلما كانت المقاصد لا يُتوصَّل إليها إلا بأسباب وطُرُق تُفْضِي إليها كانت طرقها وأسبابها تابعةً لها مُعْتبرة بها.--------------------------------------------
(1) يُنظر: حكم ابن كثير على الحديث في تفسير القرآن العظيم (5/ 12).
(2) يُنظر: البيان لأخطاء بعض الكُتّاب، لصالح الفوزان (2/ 42).
(3) يُنظر: ندوة الآثار في المملكة العربية السعودية حمايتها والمحافظة عليها (1/ 29 - 30) وأيضًا (2/ 129 - 138)، اهتمام أئمة الإسلام بالمعالم والآثار الإسلامية، لعصام بن عبد الله (177 - 178)، لا ذرائع لهدم آثار النبوة، لصالح كامل (75).
(4) يُنظر: ندوة الآثار في المملكة العربية السعودية حمايتها والمحافظة عليها (1/ 29 - 30) وأيضًا (2/ 129 - 138)، الآثار الإسلامية، لصالح محمد جمال، مقال نشرته صحيفة الندوة في عددها الصادر في 24/ 5/ 1387 هـ.
(5) يُنظر: أعلام الموقعين (4/ 551 - 555)، (5/ 305).
(6) يُنظر: الموافقات (3/ 263).
1 هذا الحديث حكم عليه المحدثون بأن: فيه غرابة ونكارة جدًّا،(1) وعليه فلا يصح الاستدلال به؛ لأنه منكر.
2 على فرضية صحة هذا الحديث، فإنه يكون من خصائص النبي صلى الله عليه وسلم؛ لأن كل ما وقع في حادثة الإسراء خاص بالنبي صلى الله عليه وسلم(2).
* الشبهة الرابعة: عدم اعتبار قاعدة سد الذرائع، وإبطال تنزليها على حكم إحياء عين الأثر بالتهيئة وتذليل الوصول إليه، ودعوى عدم إمكانية الاعتماد عليها وتطبيقها على هذه المسألة(3)، بحجة وجود مصالح تعود على المسلمين من ناحيتين: اقتصادية مادية، وكذلك من ناحية الحفاظ على سلامة الزائرين عند ارتيادهم للآثار الوعرة(4).
تفنيد هذه الشبهة:
أ جاءت الشريعة الإسلامية بسد ذرائع البدع والشرك، وقد نص علماء السلف على أن سد الذرائع أصل عظيم من أصول الدين الإسلامي، حيث إن الإمام ابن قيّم الجوزية رحمه الله أثبت تسعة وتسعين دليلاً على اعتبار قاعدة سد الذرائع(5).
وكما ساق الإمام الشاطبي رحمه الله اتفاق السلف على أصل سد الذريعة(6).
فلما كانت المقاصد لا يُتوصَّل إليها إلا بأسباب وطُرُق تُفْضِي إليها كانت طرقها وأسبابها تابعةً لها مُعْتبرة بها.--------------------------------------------
(1) يُنظر: حكم ابن كثير على الحديث في تفسير القرآن العظيم (5/ 12).
(2) يُنظر: البيان لأخطاء بعض الكُتّاب، لصالح الفوزان (2/ 42).
(3) يُنظر: ندوة الآثار في المملكة العربية السعودية حمايتها والمحافظة عليها (1/ 29 - 30) وأيضًا (2/ 129 - 138)، اهتمام أئمة الإسلام بالمعالم والآثار الإسلامية، لعصام بن عبد الله (177 - 178)، لا ذرائع لهدم آثار النبوة، لصالح كامل (75).
(4) يُنظر: ندوة الآثار في المملكة العربية السعودية حمايتها والمحافظة عليها (1/ 29 - 30) وأيضًا (2/ 129 - 138)، الآثار الإسلامية، لصالح محمد جمال، مقال نشرته صحيفة الندوة في عددها الصادر في 24/ 5/ 1387 هـ.
(5) يُنظر: أعلام الموقعين (4/ 551 - 555)، (5/ 305).
(6) يُنظر: الموافقات (3/ 263).
এই সংশয়ের নিরসন:
১. হাদিস বিশারদগণ এই হাদিসটির ব্যাপারে এই মর্মে রায় দিয়েছেন যে: এতে চরম পর্যায়ের অস্বাভাবিকতা ও আপত্তিকর বিষয় (মুনকার) বিদ্যমান,(১) সুতরাং এটি দ্বারা দলিল পেশ করা শুদ্ধ নয়; কারণ এটি একটি প্রত্যাখ্যাত (মুনকার) হাদিস।
২. এই হাদিসটি সহিহ হওয়ার সম্ভাবনা ধরে নিলেও এটি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিশেষত্বের (খাসায়িস) অন্তর্ভুক্ত হবে; কারণ ইসরা ও মিরাজের ঘটনায় যা কিছু ঘটেছে তা কেবল নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথেই সুনির্দিষ্ট(২)।
* চতুর্থ সংশয়: অকল্যাণের পথ রুদ্ধ করার মূলনীতিকে (সাদ-দুজ-জারায়ে‘) গুরুত্ব না দেওয়া এবং ঐতিহাসিক স্থানসমূহ সংস্কার ও সেখানে যাতায়াত সহজ করার মাধ্যমে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের পুনর্জাগরণের বিধানের ক্ষেত্রে এই মূলনীতিটির প্রয়োগকে অকার্যকর ঘোষণা করা। সেই সাথে এই মাসআলায় উক্ত মূলনীতির ওপর নির্ভর করা বা তা প্রয়োগ করা সম্ভব নয় বলে দাবি করা(৩)। এর স্বপক্ষে এই অজুহাত দেওয়া হয়েছে যে, এতে মুসলিমদের দুই ধরনের কল্যাণ নিহিত রয়েছে: প্রথমত, অর্থনৈতিক ও বৈষয়িক দিক; দ্বিতীয়ত, দুর্গম ঐতিহাসিক স্থানগুলোতে যাতায়াতের সময় দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা(৪)।
এই সংশয়ের নিরসন:
ক. ইসলামি শরিয়ত বিদআত ও শিরকের পথ রুদ্ধ করার বিধান নিয়ে অবতীর্ণ হয়েছে। সালাফ ওলামায়ে কেরাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, অকল্যাণের পথ রুদ্ধ করা (সাদ-দুজ-জারায়ে‘) ইসলামি শরিয়তের একটি সুমহান মূলনীতি। ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম আল-জাওজিয়্যাহ (রহিমাহুল্লাহ) অকল্যাণের পথ রুদ্ধ করার এই মূলনীতিটি সাব্যস্ত করার পক্ষে নিরানব্বইটি দলিল প্রমাণ করেছেন(৫)।
একইভাবে ইমাম আশ-শাতিবি (রহিমাহুল্লাহ) অকল্যাণের পথ বন্ধ করার এই মূলনীতির বিষয়ে সালাফদের ঐকমত্যের কথা উল্লেখ করেছেন(৬)।
যেহেতু কোনো উদ্দেশ্য বা লক্ষ্যে পৌঁছানো তখনই সম্ভব হয় যখন এর জন্য নির্ধারিত মাধ্যম ও পথসমূহ অবলম্বন করা হয়, তাই সেই মাধ্যম ও পথসমূহও মূল লক্ষ্যের অনুগামী এবং সে অনুসারেই গণ্য হয়ে থাকে।--------------------------------------------
(১) দ্রষ্টব্য: তাফসিরুল কুরআনিল আজিমে (৫/ ১২) হাদিসটির বিষয়ে ইবনে কাসিরের মন্তব্য।
(২) দ্রষ্টব্য: সালিহ আল-ফাউজানের 'আল-বায়ান লি আখতাই বাদিল কুততাব' (২/ ৪২)।
(৩) দ্রষ্টব্য: সৌদি আরবের প্রত্নতত্ত্ব বিষয়ক সেমিনার: এর সুরক্ষা ও সংরক্ষণ (১/ ২৯ - ৩০) এবং (২/ ১২৯ - ১৩৮); ইশাম বিন আবদুল্লাহর 'এহতেমামু আইম্মাতিল ইসলাম বিল মাআলিম ওয়াল আসারিল ইসলামিয়া' (১৭৭ - ১৭৮); সালিহ কামিলের 'লা জারায়ে‘ লি হাদমি আসারিন নবুওয়াহ' (৭৫)।
(৪) দ্রষ্টব্য: সৌদি আরবের প্রত্নতত্ত্ব বিষয়ক সেমিনার: এর সুরক্ষা ও সংরক্ষণ (১/ ২৯ - ৩০) এবং (২/ ১২৯ - ১৩৮); সালিহ মুহাম্মাদ জামালের 'আল-আসারুল ইসলামিয়া', আল-নাদওয়া পত্রিকায় প্রকাশিত নিবন্ধ, তারিখ: ২৪/ ৫/ ১৩৮৭ হিজরি।
(৫) দ্রষ্টব্য: ইলামুল মুওয়াক্কিইন (৪/ ৫৫১ - ৫৫৫), (৫/ ৩০৫)।
(৬) দ্রষ্টব্য: আল-মুয়াফাকাত (৩/ ২৬৩)।
১. হাদিস বিশারদগণ এই হাদিসটির ব্যাপারে এই মর্মে রায় দিয়েছেন যে: এতে চরম পর্যায়ের অস্বাভাবিকতা ও আপত্তিকর বিষয় (মুনকার) বিদ্যমান,(১) সুতরাং এটি দ্বারা দলিল পেশ করা শুদ্ধ নয়; কারণ এটি একটি প্রত্যাখ্যাত (মুনকার) হাদিস।
২. এই হাদিসটি সহিহ হওয়ার সম্ভাবনা ধরে নিলেও এটি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিশেষত্বের (খাসায়িস) অন্তর্ভুক্ত হবে; কারণ ইসরা ও মিরাজের ঘটনায় যা কিছু ঘটেছে তা কেবল নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথেই সুনির্দিষ্ট(২)।
* চতুর্থ সংশয়: অকল্যাণের পথ রুদ্ধ করার মূলনীতিকে (সাদ-দুজ-জারায়ে‘) গুরুত্ব না দেওয়া এবং ঐতিহাসিক স্থানসমূহ সংস্কার ও সেখানে যাতায়াত সহজ করার মাধ্যমে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের পুনর্জাগরণের বিধানের ক্ষেত্রে এই মূলনীতিটির প্রয়োগকে অকার্যকর ঘোষণা করা। সেই সাথে এই মাসআলায় উক্ত মূলনীতির ওপর নির্ভর করা বা তা প্রয়োগ করা সম্ভব নয় বলে দাবি করা(৩)। এর স্বপক্ষে এই অজুহাত দেওয়া হয়েছে যে, এতে মুসলিমদের দুই ধরনের কল্যাণ নিহিত রয়েছে: প্রথমত, অর্থনৈতিক ও বৈষয়িক দিক; দ্বিতীয়ত, দুর্গম ঐতিহাসিক স্থানগুলোতে যাতায়াতের সময় দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা(৪)।
এই সংশয়ের নিরসন:
ক. ইসলামি শরিয়ত বিদআত ও শিরকের পথ রুদ্ধ করার বিধান নিয়ে অবতীর্ণ হয়েছে। সালাফ ওলামায়ে কেরাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, অকল্যাণের পথ রুদ্ধ করা (সাদ-দুজ-জারায়ে‘) ইসলামি শরিয়তের একটি সুমহান মূলনীতি। ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম আল-জাওজিয়্যাহ (রহিমাহুল্লাহ) অকল্যাণের পথ রুদ্ধ করার এই মূলনীতিটি সাব্যস্ত করার পক্ষে নিরানব্বইটি দলিল প্রমাণ করেছেন(৫)।
একইভাবে ইমাম আশ-শাতিবি (রহিমাহুল্লাহ) অকল্যাণের পথ বন্ধ করার এই মূলনীতির বিষয়ে সালাফদের ঐকমত্যের কথা উল্লেখ করেছেন(৬)।
যেহেতু কোনো উদ্দেশ্য বা লক্ষ্যে পৌঁছানো তখনই সম্ভব হয় যখন এর জন্য নির্ধারিত মাধ্যম ও পথসমূহ অবলম্বন করা হয়, তাই সেই মাধ্যম ও পথসমূহও মূল লক্ষ্যের অনুগামী এবং সে অনুসারেই গণ্য হয়ে থাকে।--------------------------------------------
(১) দ্রষ্টব্য: তাফসিরুল কুরআনিল আজিমে (৫/ ১২) হাদিসটির বিষয়ে ইবনে কাসিরের মন্তব্য।
(২) দ্রষ্টব্য: সালিহ আল-ফাউজানের 'আল-বায়ান লি আখতাই বাদিল কুততাব' (২/ ৪২)।
(৩) দ্রষ্টব্য: সৌদি আরবের প্রত্নতত্ত্ব বিষয়ক সেমিনার: এর সুরক্ষা ও সংরক্ষণ (১/ ২৯ - ৩০) এবং (২/ ১২৯ - ১৩৮); ইশাম বিন আবদুল্লাহর 'এহতেমামু আইম্মাতিল ইসলাম বিল মাআলিম ওয়াল আসারিল ইসলামিয়া' (১৭৭ - ১৭৮); সালিহ কামিলের 'লা জারায়ে‘ লি হাদমি আসারিন নবুওয়াহ' (৭৫)।
(৪) দ্রষ্টব্য: সৌদি আরবের প্রত্নতত্ত্ব বিষয়ক সেমিনার: এর সুরক্ষা ও সংরক্ষণ (১/ ২৯ - ৩০) এবং (২/ ১২৯ - ১৩৮); সালিহ মুহাম্মাদ জামালের 'আল-আসারুল ইসলামিয়া', আল-নাদওয়া পত্রিকায় প্রকাশিত নিবন্ধ, তারিখ: ২৪/ ৫/ ১৩৮৭ হিজরি।
(৫) দ্রষ্টব্য: ইলামুল মুওয়াক্কিইন (৪/ ৫৫১ - ৫৫৫), (৫/ ৩০৫)।
(৬) দ্রষ্টব্য: আল-মুয়াফাকাত (৩/ ২৬৩)।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 444)