شرح الكلمات:
اللعن: من الله الطرد والإبعاد من رحمته، ومن الناس السب والدعاء.
سمع الله: استجاب لمن دعاه وتقبل.
لمن حمده: الحمد هو ضد الذم، وحقيقة الحمد: الثناء على المحمود مع المحبة له والإجلال.
ليس لك من الأمر شيء: ليس لك شيء من التصرف في عبادي.
الشرح الإجمالي:
يخبرنا عبد الله بن عمر رضي الله عنهما في هذا الحديث أن النبي صلى الله عليه وسلم إذا رفع رأسه من الركوع في الركعة الأخيرة من الفجر، وبعد قوله: سمع الله لمن حمده يلعن بعض رؤساء المشركين، وربما سماهم بأسمائهم، فأنزل الله عليه آية تمنعه من ذلك، وذلك لما سبق في علم الله من أنهم سيسلمون وسيحسن إسلامهم.
الفوائد:
1. أن الإمام يجمع بين التسميع والتحميد.
2. مشروعية القنوت في صلاة الفجر للحاجة.
3. إثبات أن القرآن منزل غير مخلوق.
4. بيان أن الأنبياء لا يملكون نفعا ولا ضرا ولا يعلمون الغيب.
مناسبة الآية للباب:
حيث دلت الآية على أن الأنبياء وهم أصلح الناس لا يملكون نفعا ولا ضرا فكيف بمن دونهم.
শব্দার্থ বিশ্লেষণ:
অভিশাপ: আল্লাহর পক্ষ থেকে এর অর্থ হলো তাঁর রহমত থেকে বিতাড়িত ও দূর করা, আর মানুষের পক্ষ থেকে এর অর্থ হলো গালি দেওয়া ও বদদোয়া করা।
আল্লাহ শ্রবণ করেছেন: যিনি তাঁর নিকট দোয়া করেন, আল্লাহ তাঁর ডাকে সাড়া দিয়েছেন এবং কবুল করেছেন।
যে ব্যক্তি তাঁর প্রশংসা করে: ‘হামদ’ বা প্রশংসা হলো নিন্দার বিপরীত। প্রশংসার প্রকৃত অর্থ হলো: ভালোবাসা ও সম্মানের সাথে প্রশংসিত সত্তার গুণগান করা।
এ বিষয়ে আপনার কোনো করণীয় নেই: আমার বান্দাদের বিষয়ে কোনো ফয়সালা বা পরিচালনার ক্ষেত্রে আপনার কোনো অধিকার নেই।
সামগ্রিক ব্যাখ্যা:
আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা এই হাদিসে আমাদের সংবাদ দিচ্ছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ফজরের শেষ রাকাতে রুকু থেকে মাথা তুলতেন এবং ‘সামিয়াল্লাহু লিমান হামিদাহ’ বলার পর মুশরিকদের কিছু নেতার ওপর লানত বা অভিশাপ দিতেন, এমনকি কখনও কখনও তিনি তাদের নাম ধরে ধরে উল্লেখ করতেন। তখন আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর এমন একটি আয়াত অবতীর্ণ করেন যা তাঁকে এটি করতে নিষেধ করে। কারণ আল্লাহর ইলমে এটি আগে থেকেই ছিল যে, তারা ভবিষ্যতে ইসলাম গ্রহণ করবে এবং তাদের ইসলাম সুন্দর হবে।
শিক্ষণীয় বিষয়সমূহ:
১. ইমাম ‘তাসমি’ (সামিয়াল্লাহু লিমান হামিদাহ বলা) এবং ‘তাহমিদ’ (রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ বলা) উভয়টিই পাঠ করবেন।
২. বিশেষ প্রয়োজনে ফজর নামাজে কুনুত পড়া শরীয়তসম্মত।
৩. কুরআন যে অবতীর্ণ এবং তা সৃষ্টি নয়—এর প্রমাণ।
৪. আম্বিয়ায়ে কেরাম কোনো উপকার বা অপকার করার ক্ষমতা রাখেন না এবং তাঁরা গায়েব জানেন না—এর বর্ণনা।
অধ্যায়ের সাথে আয়াতের সম্পর্ক:
আয়াতটি একথার প্রমাণ দিচ্ছে যে, নবীগণ যারা সৃষ্টির সেরা মানুষ, তাঁরাই যখন কোনো উপকার বা অপকার করার মালিক নন, তখন তাঁদের নিম্নস্তরের লোকদের অবস্থা তো বলাই বাহুল্য।

(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 142)