الجهالة بالراوي 1:
1- تعريفها:
أ- لغة: مصدر "جهل" ضد "علم". والجهالة بالراوي تعني عدم معرفته.
ب- اصطلاحًا: عدم معرفة عين الراوي، أو حاله.
2- أسبابها:
وأسباب الجهالة بالراوي ثلاثة، هي:
أ- كثرة نعوت الراوي: من اسم، أو كنية، أو لقب، أو صفة، أو حرفة، أو نسب، فيشتهر بشيء منها. فيذكر بغير ما اشتهر به لغرض من الأغراض، فيظن أنه راوٍ آخر، فيحصل الجهل بحاله.
ب- قلة روايته: فلا يكثر الأخذ عنه بسبب قلة روايته، فربما لم يروِ عنه إلا واحد.
جـ- عدم التصريح باسمه؛ لأجل الاختصار ونحوه، ويسمى الراوي غير المصرح باسمه: "المبهم".
3- أمثلة:
أ- مثال كثرة نعوت الراوي: "محمد بن السائب بن بشر الكلبي".--------------------------------------------
1 وهي السبب الثامن من أسباب الطعن في الراوي.
বর্ণনাকারীর পরিচয়হীনতা (الجهالة بالراوي) ১:
১- সংজ্ঞা:
ক- শাব্দিক অর্থ: এটি ‘জাহল’ (جهل) শব্দ থেকে নির্গত, যা ‘ইলম’ (علم) বা জ্ঞানের বিপরীত। বর্ণনাকারীর পরিচয়হীনতা বলতে তাকে না চেনাকে বোঝায়।
খ- পারিভাষিক অর্থ: বর্ণনাকারীর সত্তা (عين) অথবা তার অবস্থা (حال) সম্পর্কে অবগত না হওয়া।
২- এর কারণসমূহ:
বর্ণনাকারীর পরিচয়হীনতা (الجهالة بالراوي)-এর কারণ তিনটি, সেগুলো হলো:
ক- বর্ণনাকারীর গুণবাচক পরিচয়ের আধিক্য: যেমন নাম, উপনাম (كنية), উপাধি (لقب), বৈশিষ্ট্য, পেশা অথবা বংশপরিচয়। তিনি এর কোনো একটির মাধ্যমে প্রসিদ্ধি লাভ করেন। কিন্তু কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে তাকে সেই প্রসিদ্ধ নাম ছাড়া অন্য নামে উল্লেখ করা হয়, যার ফলে ধারণা করা হয় যে তিনি অন্য একজন বর্ণনাকারী (راوٍ)। এতে তার অবস্থা সম্পর্কে পরিচয়হীনতা (الجهالة) তৈরি হয়।
খ- তার বর্ণনার স্বল্পতা: তার বর্ণিত হাদিসের সংখ্যা কম হওয়ার কারণে তার থেকে হাদিস গ্রহণকারীর সংখ্যাও বেশি হয় না; ফলে দেখা যায় তার থেকে মাত্র একজন বর্ণনাকারী হাদিস বর্ণনা করেছেন।
গ- তার নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ না করা; সংক্ষেপ করার উদ্দেশ্যে বা এই জাতীয় কোনো কারণে। যার নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি এমন বর্ণনাকারীকে 'অস্পষ্ট' (المبهم) বলা হয়।
৩- উদাহরণ:
ক- বর্ণনাকারীর গুণবাচক পরিচয়ের আধিক্যের উদাহরণ: "মুহাম্মদ বিন সাইব বিন বিশর আল-কালবি"।--------------------------------------------
১. এটি বর্ণনাকারীর ওপর আপত্তির (الطعن في الراوي) কারণগুলোর মধ্যে অষ্টম কারণ।

(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 149)