بجمع الاسم إلى الآخر كمال فوق كمال.
ويشترط في الاسم ليكون من أسماء الله الحسنى اجتماع ثلاثة شروط، وهي:
أن يكون قد جاء في الكتاب والسنة، يعني نُص عليه في الكتاب والسنة، نُص عليه بالاسم لا بالفعل، ولا بالمصدر.
أن يكون مما يدعى الله عز وجل به.
أن يكون متضمنًا لمدح كامل مطلق غير مخصوص.
القاعدة الثانية: أسماء الله تَعَالَى أعلام وأوصاف:
فهي أعلام باعتبار: دلالتها على الذات، وبهذا الاعتبار تعد مترادفة؛ لدلالتها على مسمى واحد، وهو الله عز وجل، أما اعتبارها أوصافًا فبما دلت عليه من المعاني، وبهذا الاعتبار تعد متباينة، لدلالة كل واحد منهما على معناه الخاص.
فمثلا: «الحي، العليم، القدير، السميع، البصير»، كلها أسماء لمسمى واحد وهو الله سبحانه وتعالى، لكن معنى الحي غير معنى العليم، ومعنى العليم غير معنى القدير، وهكذا.
القاعدة الثالثة: أسماء الله تَعَالَى إن دلت على وصف متعد تضمنت ثلاثة أمور:
أحدها: ثبوت ذلك الاسم لله عز وجل.
الثاني: ثبوت الصفة التي تضمنها لله عز وجل.
ويشترط في الاسم ليكون من أسماء الله الحسنى اجتماع ثلاثة شروط، وهي:
أن يكون قد جاء في الكتاب والسنة، يعني نُص عليه في الكتاب والسنة، نُص عليه بالاسم لا بالفعل، ولا بالمصدر.
أن يكون مما يدعى الله عز وجل به.
أن يكون متضمنًا لمدح كامل مطلق غير مخصوص.
القاعدة الثانية: أسماء الله تَعَالَى أعلام وأوصاف:
فهي أعلام باعتبار: دلالتها على الذات، وبهذا الاعتبار تعد مترادفة؛ لدلالتها على مسمى واحد، وهو الله عز وجل، أما اعتبارها أوصافًا فبما دلت عليه من المعاني، وبهذا الاعتبار تعد متباينة، لدلالة كل واحد منهما على معناه الخاص.
فمثلا: «الحي، العليم، القدير، السميع، البصير»، كلها أسماء لمسمى واحد وهو الله سبحانه وتعالى، لكن معنى الحي غير معنى العليم، ومعنى العليم غير معنى القدير، وهكذا.
القاعدة الثالثة: أسماء الله تَعَالَى إن دلت على وصف متعد تضمنت ثلاثة أمور:
أحدها: ثبوت ذلك الاسم لله عز وجل.
الثاني: ثبوت الصفة التي تضمنها لله عز وجل.
একটি নামের সাথে অন্য নাম যুক্ত করার মাধ্যমে পূর্ণতার ওপর পূর্ণতা অর্জিত হয়।
কোনো নাম আল্লাহর সুন্দরতম নামসমূহের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য তিনটি শর্ত একত্রিত হওয়া আবশ্যক, আর সেগুলো হলো:
তা কুরআন ও সুন্নাহর মাধ্যমে প্রমাণিত হতে হবে। অর্থাৎ, কুরআন ও সুন্নাহতে তা স্পষ্টভাবে বর্ণিত হতে হবে; এটি নাম হিসেবেই বর্ণিত হতে হবে, ক্রিয়া বা মূলশব্দ হিসেবে নয়।
এমন হতে হবে যা দ্বারা মহান আল্লাহকে ডাকা বা তাঁর নিকট প্রার্থনা করা যায়।
এটি যেন এমন হয় যা কোনো সীমাবদ্ধতা ছাড়াই নিরঙ্কুশ ও পূর্ণাঙ্গ প্রশংসাকে অন্তর্ভুক্ত করে।
দ্বিতীয় নীতি: মহান আল্লাহর নামসমূহ একইসাথে ব্যক্তিনাম এবং গুণবাচক নাম:
স্বীয় সত্তার ওপর নির্দেশক হওয়ার বিচারে এগুলো ব্যক্তিনাম; আর এই বিচারে এগুলো সমার্থবোধক, কারণ এগুলো একই সত্তাকে অর্থাৎ মহান আল্লাহকে নির্দেশ করে। পক্ষান্তরে এগুলো যে অর্থের ওপর নির্দেশ করে, সেই বিচারে এগুলো গুণবাচক নাম; আর এই বিচারে এগুলো ভিন্ন ভিন্ন অর্থবোধক, কারণ এগুলোর প্রতিটি নিজস্ব স্বতন্ত্র অর্থের ওপর নির্দেশ করে।
উদাহরণস্বরূপ: ‘আল-হাই’ (চিরঞ্জীব), ‘আল-আলিম’ (সর্বজ্ঞ), ‘আল-কাদির’ (সর্বশক্তিমান), ‘আস-সামি’ (সর্বশ্রোতা), ‘আল-বাসির’ (সর্বদ্রষ্টা)—এই সবই মূলত এক সত্তার নাম, আর তিনি হলেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা। কিন্তু ‘আল-হাই’ এর অর্থ ‘আল-আলিম’ এর অর্থ থেকে ভিন্ন, এবং ‘আল-আলিম’ এর অর্থ ‘আল-কাদির’ এর অর্থ থেকে ভিন্ন; একইভাবে অন্যান্যগুলোও।
তৃতীয় নীতি: মহান আল্লাহর নামসমূহ যদি কোনো সকর্মক গুণের ওপর নির্দেশ করে, তবে তা তিনটি বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে:
এক: মহান আল্লাহর জন্য সেই নামটি সাব্যস্ত হওয়া।
দুই: সেই নামটির অন্তর্ভুক্ত গুণটি মহান আল্লাহর জন্য সাব্যস্ত হওয়া।
কোনো নাম আল্লাহর সুন্দরতম নামসমূহের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য তিনটি শর্ত একত্রিত হওয়া আবশ্যক, আর সেগুলো হলো:
তা কুরআন ও সুন্নাহর মাধ্যমে প্রমাণিত হতে হবে। অর্থাৎ, কুরআন ও সুন্নাহতে তা স্পষ্টভাবে বর্ণিত হতে হবে; এটি নাম হিসেবেই বর্ণিত হতে হবে, ক্রিয়া বা মূলশব্দ হিসেবে নয়।
এমন হতে হবে যা দ্বারা মহান আল্লাহকে ডাকা বা তাঁর নিকট প্রার্থনা করা যায়।
এটি যেন এমন হয় যা কোনো সীমাবদ্ধতা ছাড়াই নিরঙ্কুশ ও পূর্ণাঙ্গ প্রশংসাকে অন্তর্ভুক্ত করে।
দ্বিতীয় নীতি: মহান আল্লাহর নামসমূহ একইসাথে ব্যক্তিনাম এবং গুণবাচক নাম:
স্বীয় সত্তার ওপর নির্দেশক হওয়ার বিচারে এগুলো ব্যক্তিনাম; আর এই বিচারে এগুলো সমার্থবোধক, কারণ এগুলো একই সত্তাকে অর্থাৎ মহান আল্লাহকে নির্দেশ করে। পক্ষান্তরে এগুলো যে অর্থের ওপর নির্দেশ করে, সেই বিচারে এগুলো গুণবাচক নাম; আর এই বিচারে এগুলো ভিন্ন ভিন্ন অর্থবোধক, কারণ এগুলোর প্রতিটি নিজস্ব স্বতন্ত্র অর্থের ওপর নির্দেশ করে।
উদাহরণস্বরূপ: ‘আল-হাই’ (চিরঞ্জীব), ‘আল-আলিম’ (সর্বজ্ঞ), ‘আল-কাদির’ (সর্বশক্তিমান), ‘আস-সামি’ (সর্বশ্রোতা), ‘আল-বাসির’ (সর্বদ্রষ্টা)—এই সবই মূলত এক সত্তার নাম, আর তিনি হলেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা। কিন্তু ‘আল-হাই’ এর অর্থ ‘আল-আলিম’ এর অর্থ থেকে ভিন্ন, এবং ‘আল-আলিম’ এর অর্থ ‘আল-কাদির’ এর অর্থ থেকে ভিন্ন; একইভাবে অন্যান্যগুলোও।
তৃতীয় নীতি: মহান আল্লাহর নামসমূহ যদি কোনো সকর্মক গুণের ওপর নির্দেশ করে, তবে তা তিনটি বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে:
এক: মহান আল্লাহর জন্য সেই নামটি সাব্যস্ত হওয়া।
দুই: সেই নামটির অন্তর্ভুক্ত গুণটি মহান আল্লাহর জন্য সাব্যস্ত হওয়া।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 32)