‌‌الرسم العثماني
:- هو علم تعرف به مخالفة المصاحف العثمانية لأصول‌‌ الرسم القياسي.
- فالصحابة كتبوا المصاحف موافقين في ذلك الرسم القياسي في أغلب قواعده، إلا أنهم خالفوه في أشياء معدودة لأسرار وحكم من فوائد الرسم العثماني:
1 - الدلالة على الأصل في الشكل والحروف، ككتابة الحركات حروفا باعتبار أصلها، نحو: وإيتاى ذى القربى [النحل: 90]، سأوريكم [الأعراف: 145]، وَلَأَوْضَعُوا [التوبة: 47]، الصلاة [البقرة: 3]، الزكوة [البقرة: 43].
2 - النص على بعض اللغات الفصيحة، ككتابة هاء التأنيث بتاء مجرورة على لغة طيئ، وكحذف ياء المضارع لغير جازم في يَوْمَ يَأْتِ لا تَكَلَّمُ نَفْسٌ إِلَّا بِإِذْنِهِ [هود: 105] على لغة هذيل.
3 - إفادة المعاني المختلفة بالقطع والوصل في بعض الكلمات، نحو: أَمْ مَنْ يَكُونُ عَلَيْهِمْ وَكِيلًا [النساء: 109] أَمَّنْ يَمْشِي سَوِيًّا [الملك: 22]، فإنّ قطع أم عن من يفيد معنى بل دون وصلها بها.
4 - أخذ القراءات المختلفة من اللفظ المرسوم برسم واحد، نحو: وَتَمَّتْ كَلِمَتُ رَبِّكَ [الأنعام: 115] تؤخذ منها قراءة الإفراد والجمع تحقيقا أو تقديرا.
وَما يَخْدَعُونَ [البقرة: 9] تؤخذ منها قراءة يخدعون ويخادعون إما تحقيقا أو تقديرا.
5 - كتب المصحف برسم مميز كي يكون أخذه مميزا، فلا يهتدى إلى تلاوته إلا بطريق التلقي والعرض والمشافهة، وبذا تتميز كتابته من كتابة غيره.

‌‌قواعد الرسم العثماني
: 1 - الحذف.
2 - الزيادة.
3 - البدل.
4 - الهمز.
5 - الفصل والوصل.
6 - ما فيه قراءتان فكتب على إحداهما.
(ر- الجمع العثماني، الموافقة التقديرية، قواعد الرسم العثماني).
الرسم القياسي
: تصوير اللفظ بحروف هجائه بتقدير الابتداء به والوقف عليه.
وأصوله خمسة:
1 - تعيين حروف الهجاء نفسها دون أعراضها.
2 - عدم النقصان فيها.
3 - عدم الزيادة عليها.
উসমানী লিখনপদ্ধতি
:- এটি এমন এক বিদ্যা যার মাধ্যমে পরিমিত লিখনপদ্ধতির (রসম আল-কিয়াসী) মূলনীতিসমূহ থেকে উসমানী মুসহাফগুলোর বৈসাদৃশ্য বা পার্থক্য জানা যায়।
- সাহাবীগণ অধিকাংশ নিয়মেই পরিমিত লিখনপদ্ধতির অনুসরণ করে মুসহাফসমূহ লিখেছিলেন, তবে উসমানী লিখনপদ্ধতির নানাবিধ রহস্য ও হিকমতের কারণে তাঁরা নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম করেছিলেন। উসমানী লিখনপদ্ধতির উপকারিতাগুলো নিম্নরূপ:
১ - হরকত ও হরফের মূল উৎসের প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করা; যেমন হরকতকে তার মূল উৎস বিবেচনায় হরফ হিসেবে লেখা। যেমন: "এবং নিকটাত্মীয়দের দান করা" [নাহল: ৯০], "আমি তোমাদের দেখাব" [আরাফ: ১৪৫], "এবং তারা অবশ্যই তোমাদের মাঝে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য ছোটাছুটি করত" [তাওবা: ৪৭], "সালাত" [বাকারা: ৩], "যাকাত" [বাকারা: ৪৩]।
২ - কিছু বিশুদ্ধ আরবী উপভাষার প্রয়োগ নিশ্চিত করা; যেমন তাঈ গোত্রের উপভাষা অনুযায়ী তানিছ-এর 'হা'-কে লম্বা 'তা' হিসেবে লেখা। আবার হুজাইল গোত্রের উপভাষা অনুযায়ী কোনো জাজেম বা আমিল ছাড়াই মুদারে (বর্তমান/ভবিষ্যৎ কাল) এর শেষ থেকে 'ইয়া' বিলোপ করা; যেমন: "যেদিন তা আসবে, সেদিন তাঁর অনুমতি ছাড়া কেউ কথা বলতে পারবে না" [হূদ: ১০৫] আয়াতে।
৩ - কিছু শব্দের বিচ্ছেদ ও সংযোগের মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন অর্থ প্রদান করা; যেমন: "অথবা কে তাদের উপর কর্মবিধায়ক হবে" [নিসা: ১০৯] এবং "যে ব্যক্তি সোজা হয়ে চলে" [মুলক: ২২]। এখানে 'আম' শব্দটিকে 'মান' থেকে বিচ্ছেদ করে লিখলে তা সংযোগ করে লেখার তুলনায় 'বরং' অর্থ প্রদান করতে সহায়ক হয়।
৪ - একই পদ্ধতিতে লিখিত শব্দ থেকে ভিন্ন ভিন্ন কিরাত বা পঠনশৈলী গ্রহণ করা; যেমন: "এবং তোমার রবের বাণী পূর্ণ হয়েছে" [আনআম: ১১৫]। এখান থেকে বর্ণনাভেদে একবচন ও বহুবচন উভয় ধরনের কিরাত গ্রহণ করা যায়।
"এবং তারা প্রতারিত করে না" [বাকারা: ৯]। এখান থেকে 'ইখদাঊনা' এবং 'ইউখাদিঊনা' উভয় কিরাত গ্রহণ করা যায়।
৫ - মুসহাফকে একটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত পদ্ধতিতে লেখা হয়েছে যেন এর শিক্ষা গ্রহণও স্বতন্ত্র হয়। ফলে এটি পাঠ করার জন্য কেবল নিজস্ব মেধা যথেষ্ট নয়, বরং সরাসরি শ্রবণ, পেশ করা এবং উস্তাদের মুখ থেকে গ্রহণ করার প্রয়োজন হয়। এর মাধ্যমেই এর লিখনপদ্ধতি অন্য সব লিখনশৈলী থেকে পৃথক ও বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়।

‌উসমানী লিখনপদ্ধতির নিয়মাবলী
: ১ - বিলোপকরণ (আল-হাজফ)।
২ - বৃদ্ধিকরণ (আয-জিয়াদা)।
৩ - পরিবর্তনকরণ (আল-বাদাল)।
৪ - হামযা লিখন।
৫ - বিচ্ছেদ ও সংযোগ।
৬ - যাতে দুটি কিরাত রয়েছে এবং তা কোনো একটির পঠনশৈলী অনুযায়ী লেখা হয়েছে।
(দেখুন- উসমানী সংকলন, পরোক্ষ সামঞ্জস্যতা, উসমানী লিখনপদ্ধতির নিয়মাবলী)।
পরিমিত লিখনপদ্ধতি (রসম আল-কিয়াসী)
: শব্দের প্রারম্ভিক অবস্থা এবং বিরতি প্রদানের (ওয়াকফ) অবস্থা বিবেচনা করে বর্ণমালার মাধ্যমে শব্দের রূপ ফুটিয়ে তোলা।
এর মূলনীতি পাঁচটি:
১ - হরফের আনুষঙ্গিক বৈশিষ্ট্য বাদ দিয়ে কেবল বর্ণমালার হরফগুলো নির্ধারণ করা।
২ - এতে কোনো কিছু কম না করা।
৩ - এতে কোনো কিছু বৃদ্ধি না করা।

(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 159)