ما يحذف من حروف الهجاء في المصاحف خمسة، هي: حروف المد الثلاثة واللام والنون.
1 - حذف الألف
: ما يدخل تحت قاعدة عامة
:- حذف ألف جمع المذكر السالم:
تحذف ألف جمع المذكر السالم وما ألحق به إذا لم يكن مهموزا أو منقوصا أو محذوف النون أو بعد ألفه تشديد مباشر، نحو:
العلمين- المجهدين- لحفظون- اللعنون.
- حذف ألف جمع المؤنث السالم:
تحذف ألف جمع المؤنث السالم إذا كان ذا ألف واحدة، نحو:
مسلمت- مؤمنات- وكلمته.
وأما إذا كان ذا ألفين، فإن لم يكن بعد ألفه الأولى همز ولا تشديد فأكثر المصاحف على حذف ألفيه، نحو:
قنتت- علمت- السموت- مغرت.
- حذف ألف ضمير الرفع المتصل:
تحذف ألف (نا) الواقعة فاعلا إذا اتصل بها ضمير نصب، نحو:
زدنهم- علمنه- آتينك.
- حذف ألف التثنية:
* حذفت ألف التثنية في (يأتينها) بالنساء و (هذن لسحرن) و (فذانك) بالقصص.
* وحذفت ألف (الأولين) بالمائدة، وهي بذا تحتمل القراءتين الواردتين.
* وعند أبي عمرو الداني حذفها في كل القرآن إلا (تكذبان) فبالوجهين.
- حذف ألفات الأسماء الأعجمية:
حذفت ألفا هذه الأسماء الأعجمية مطلقا: إبرهيم- إسماعيل- إسحاق- عمرن- هارون- لقمن- سليمن.
ما لا يدخل تحت قاعدة عامة
:* حذف ألف (قرءنا) في أول يوسف والزخرف.
* حذف ألف (وأثبهم) في المائدة والفتح.
* حذف ألف (سلطن) حيث ورد.
* حذف ألف (شيطن) كيف جاء.
* حذف ألف (الميعد) في الأنفال.
* حذف ألف (تفوت) في الملك.
* حذف ألف (كذبة) في العلق.
* حذف ألف لفظ الجلالة (الله) و (اللهم) و (إله) حيث ورد.
* حذف ألف (لكن) كيف جاءت.
* حذف ألف (ملك) في الفاتحة وآل عمران.
* حذف ألف (الرحمن) كيف جاءت.
* حذف ألف (منفع) كيف جاءت.
* حذف ألف (أبوب) كيف جاءت.
1 - حذف الألف
: ما يدخل تحت قاعدة عامة
:- حذف ألف جمع المذكر السالم:
تحذف ألف جمع المذكر السالم وما ألحق به إذا لم يكن مهموزا أو منقوصا أو محذوف النون أو بعد ألفه تشديد مباشر، نحو:
العلمين- المجهدين- لحفظون- اللعنون.
- حذف ألف جمع المؤنث السالم:
تحذف ألف جمع المؤنث السالم إذا كان ذا ألف واحدة، نحو:
مسلمت- مؤمنات- وكلمته.
وأما إذا كان ذا ألفين، فإن لم يكن بعد ألفه الأولى همز ولا تشديد فأكثر المصاحف على حذف ألفيه، نحو:
قنتت- علمت- السموت- مغرت.
- حذف ألف ضمير الرفع المتصل:
تحذف ألف (نا) الواقعة فاعلا إذا اتصل بها ضمير نصب، نحو:
زدنهم- علمنه- آتينك.
- حذف ألف التثنية:
* حذفت ألف التثنية في (يأتينها) بالنساء و (هذن لسحرن) و (فذانك) بالقصص.
* وحذفت ألف (الأولين) بالمائدة، وهي بذا تحتمل القراءتين الواردتين.
* وعند أبي عمرو الداني حذفها في كل القرآن إلا (تكذبان) فبالوجهين.
- حذف ألفات الأسماء الأعجمية:
حذفت ألفا هذه الأسماء الأعجمية مطلقا: إبرهيم- إسماعيل- إسحاق- عمرن- هارون- لقمن- سليمن.
ما لا يدخل تحت قاعدة عامة
:* حذف ألف (قرءنا) في أول يوسف والزخرف.
* حذف ألف (وأثبهم) في المائدة والفتح.
* حذف ألف (سلطن) حيث ورد.
* حذف ألف (شيطن) كيف جاء.
* حذف ألف (الميعد) في الأنفال.
* حذف ألف (تفوت) في الملك.
* حذف ألف (كذبة) في العلق.
* حذف ألف لفظ الجلالة (الله) و (اللهم) و (إله) حيث ورد.
* حذف ألف (لكن) كيف جاءت.
* حذف ألف (ملك) في الفاتحة وآل عمران.
* حذف ألف (الرحمن) كيف جاءت.
* حذف ألف (منفع) كيف جاءت.
* حذف ألف (أبوب) كيف جاءت.
মুসহাফসমূহে বর্ণমালার বর্ণগুলোর মধ্য থেকে যা বিলুপ্ত হয় তা পাঁচটি, সেগুলো হলো: তিনটি মাদ্দ-এর বর্ণ, লাম এবং নূন।
১ - আলিফ বিলোপ
: যা সাধারণ নিয়মের অধীনে অন্তর্ভুক্ত
:- জম’ মুযাক্কার সালিম-এর আলিফ বিলোপ:
জম’ মুযাক্কার সালিম এবং এর সাথে সম্পৃক্ত শব্দগুলো থেকে আলিফ বিলুপ্ত হয় যদি তা হামযাযুক্ত (মাহমুয) না হয়, কিংবা শেষে ইয়া-যুক্ত (মানকুস) না হয়, অথবা যার নূন বিলুপ্ত হয়নি, কিংবা যার আলিফের পর সরাসরি তাশদীদ না থাকে। যেমন:
আলামীন- মুজাহিদীন- লাহাফিজুন- আল-লায়িনুন।
- জম’ মুয়ন্নাস সালিম-এর আলিফ বিলোপ:
যদি জম’ মুয়ন্নাস সালিম একটি আলিফ বিশিষ্ট হয় তবে তা বিলুপ্ত হয়। যেমন:
মুসলিমাত- মুমিনাত- কালিমাতুহু।
আর যদি তা দুই আলিফ বিশিষ্ট হয়, তবে প্রথম আলিফটির পরে যদি হামযা বা তাশদীদ না থাকে, তবে অধিকাংশ মুসহাফে উভয় আলিফ বিলোপ করার রীতি অনুসৃত হয়েছে। যেমন:
ক্বানিতাত- আলিমাত- আস-সামাওয়াত- মাগারাতি।
- সংযুক্ত রাফ’ প্রদানকারী যমীরের আলিফ বিলোপ:
ফায়িল বা কর্তা হিসেবে ব্যবহৃত (না) এর আলিফ বিলুপ্ত হয় যদি তার সাথে মানসুব যমীর যুক্ত হয়। যেমন:
যাদনাহুম- আল্লামনাহু- আতাইনাকা।
- দ্বিবচনের আলিফ বিলোপ:
* সূরা আন-নিসায় 'ইয়াতীনাহা', সূরা ত্বাহায় 'হাযানি লা-সাহিরাণি' এবং সূরা আল-কাসাসে 'ফাযানিকা' শব্দে দ্বিবচনের আলিফ বিলুপ্ত করা হয়েছে।
* সূরা আল-মায়িদাহ-তে 'আল-আউয়ালীন' শব্দের আলিফ বিলুপ্ত করা হয়েছে, যা শব্দটিকে সেখানে বর্ণিত উভয় কিরাআতের সম্ভাবনাযুক্ত করে।
* ইমাম আবু আমর আদ-দানীর মতে, 'তুকাযযিবান' শব্দ ছাড়া সমগ্র কুরআনে দ্বিবচনের আলিফ বিলুপ্ত হবে, আর ওই শব্দটিতে উভয় পদ্ধতিই বিদ্যমান।
- অনারব নামসমূহের আলিফ বিলোপ:
এই অনারব নামগুলোর আলিফ নিঃশর্তভাবে বিলুপ্ত করা হয়েছে: ইবরাহীম- ইসমাঈল- ইসহাক- ইমরান- হারুন- লোকমান- সুলাইমান।
যা সাধারণ নিয়মের অধীনে অন্তর্ভুক্ত নয়
:* সূরা ইউসুফ ও আয-যুখরুফের শুরুতে 'কুরআন' শব্দের আলিফ বিলোপ।
* সূরা আল-মায়িদাহ ও আল-ফাতহ-এ 'ওয়া আছাবাহুম' শব্দের আলিফ বিলোপ।
* 'সুলতান' শব্দ যেখানেই এসেছে তার আলিফ বিলোপ।
* 'শয়তান' শব্দ যেভাবেই আসুক তার আলিফ বিলোপ।
* সূরা আল-আনফালের 'আল-মীআদ' শব্দের আলিফ বিলোপ।
* সূরা আল-মুলকের 'তাফাউত' শব্দের আলিফ বিলোপ।
* সূরা আল-আলাকের 'কাযিবা' শব্দের আলিফ বিলোপ।
* মর্যাদাপূর্ণ শব্দ 'আল্লাহ', 'আল্লাহুম্মা' এবং 'ইলাহ' যেখানেই আসুক তার আলিফ বিলোপ।
* 'লাকিন' শব্দ যেভাবেই আসুক তার আলিফ বিলোপ।
* সূরা আল-ফাতিহা ও আল-ইমরানে 'মালিক' শব্দের আলিফ বিলোপ।
* 'আর-রাহমান' শব্দ যেভাবেই আসুক তার আলিফ বিলোপ।
* 'মানাফি' শব্দ যেভাবেই আসুক তার আলিফ বিলোপ।
* 'আবওয়াব' শব্দ যেভাবেই আসুক তার আলিফ বিলোপ।
১ - আলিফ বিলোপ
: যা সাধারণ নিয়মের অধীনে অন্তর্ভুক্ত
:- জম’ মুযাক্কার সালিম-এর আলিফ বিলোপ:
জম’ মুযাক্কার সালিম এবং এর সাথে সম্পৃক্ত শব্দগুলো থেকে আলিফ বিলুপ্ত হয় যদি তা হামযাযুক্ত (মাহমুয) না হয়, কিংবা শেষে ইয়া-যুক্ত (মানকুস) না হয়, অথবা যার নূন বিলুপ্ত হয়নি, কিংবা যার আলিফের পর সরাসরি তাশদীদ না থাকে। যেমন:
আলামীন- মুজাহিদীন- লাহাফিজুন- আল-লায়িনুন।
- জম’ মুয়ন্নাস সালিম-এর আলিফ বিলোপ:
যদি জম’ মুয়ন্নাস সালিম একটি আলিফ বিশিষ্ট হয় তবে তা বিলুপ্ত হয়। যেমন:
মুসলিমাত- মুমিনাত- কালিমাতুহু।
আর যদি তা দুই আলিফ বিশিষ্ট হয়, তবে প্রথম আলিফটির পরে যদি হামযা বা তাশদীদ না থাকে, তবে অধিকাংশ মুসহাফে উভয় আলিফ বিলোপ করার রীতি অনুসৃত হয়েছে। যেমন:
ক্বানিতাত- আলিমাত- আস-সামাওয়াত- মাগারাতি।
- সংযুক্ত রাফ’ প্রদানকারী যমীরের আলিফ বিলোপ:
ফায়িল বা কর্তা হিসেবে ব্যবহৃত (না) এর আলিফ বিলুপ্ত হয় যদি তার সাথে মানসুব যমীর যুক্ত হয়। যেমন:
যাদনাহুম- আল্লামনাহু- আতাইনাকা।
- দ্বিবচনের আলিফ বিলোপ:
* সূরা আন-নিসায় 'ইয়াতীনাহা', সূরা ত্বাহায় 'হাযানি লা-সাহিরাণি' এবং সূরা আল-কাসাসে 'ফাযানিকা' শব্দে দ্বিবচনের আলিফ বিলুপ্ত করা হয়েছে।
* সূরা আল-মায়িদাহ-তে 'আল-আউয়ালীন' শব্দের আলিফ বিলুপ্ত করা হয়েছে, যা শব্দটিকে সেখানে বর্ণিত উভয় কিরাআতের সম্ভাবনাযুক্ত করে।
* ইমাম আবু আমর আদ-দানীর মতে, 'তুকাযযিবান' শব্দ ছাড়া সমগ্র কুরআনে দ্বিবচনের আলিফ বিলুপ্ত হবে, আর ওই শব্দটিতে উভয় পদ্ধতিই বিদ্যমান।
- অনারব নামসমূহের আলিফ বিলোপ:
এই অনারব নামগুলোর আলিফ নিঃশর্তভাবে বিলুপ্ত করা হয়েছে: ইবরাহীম- ইসমাঈল- ইসহাক- ইমরান- হারুন- লোকমান- সুলাইমান।
যা সাধারণ নিয়মের অধীনে অন্তর্ভুক্ত নয়
:* সূরা ইউসুফ ও আয-যুখরুফের শুরুতে 'কুরআন' শব্দের আলিফ বিলোপ।
* সূরা আল-মায়িদাহ ও আল-ফাতহ-এ 'ওয়া আছাবাহুম' শব্দের আলিফ বিলোপ।
* 'সুলতান' শব্দ যেখানেই এসেছে তার আলিফ বিলোপ।
* 'শয়তান' শব্দ যেভাবেই আসুক তার আলিফ বিলোপ।
* সূরা আল-আনফালের 'আল-মীআদ' শব্দের আলিফ বিলোপ।
* সূরা আল-মুলকের 'তাফাউত' শব্দের আলিফ বিলোপ।
* সূরা আল-আলাকের 'কাযিবা' শব্দের আলিফ বিলোপ।
* মর্যাদাপূর্ণ শব্দ 'আল্লাহ', 'আল্লাহুম্মা' এবং 'ইলাহ' যেখানেই আসুক তার আলিফ বিলোপ।
* 'লাকিন' শব্দ যেভাবেই আসুক তার আলিফ বিলোপ।
* সূরা আল-ফাতিহা ও আল-ইমরানে 'মালিক' শব্দের আলিফ বিলোপ।
* 'আর-রাহমান' শব্দ যেভাবেই আসুক তার আলিফ বিলোপ।
* 'মানাফি' শব্দ যেভাবেই আসুক তার আলিফ বিলোপ।
* 'আবওয়াব' শব্দ যেভাবেই আসুক তার আলিফ বিলোপ।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 123)