فصل
[تقسيم البدع إلى خمسة أقسام والرد عليه]
وَمِمَّا يُورَدُ فِي هَذَا الْمَوْضِعِ أنَّ الْعُلَمَاءَ قسَّموا الْبِدَعَ بِأَقْسَامِ أَحْكَامِ الشَّرِيعَةِ الْخَمْسَةِ وَلَمْ يَعُدُّوهَا قِسْمًا وَاحِدًا مَذْمُومًا، فَجَعَلُوا مِنْهَا مَا هو واجب ومندوب ومباح ومكروه ومحرَّم.
وَالْجَوَابُ: أنَّ هَذَا التَّقْسِيمَ أمرٌ مُخْتَرَعٌ لَا يدل عليه دليل شرعي بل هو في نَفْسُهُ مُتَدَافِعٌ، لأنَّ مِنْ حَقِيقَةِ الْبِدْعَةِ أنْ لَا يَدُلَّ عَلَيْهَا دَلِيلٌ شَرْعِيٌّ لَا مِنْ نصوصِ الشَّرْعِ وَلَا مِنْ قَوَاعِدِهِ، إِذْ لَوْ كَانَ هُنَالِكَ مَا يَدُلُّ مِنَ الشَّرْعِ عَلَى وُجُوبٍ أَوْ نَدْبٍ أَوْ إِبَاحَةٍ لَمَا كَانَ ثَمَّ بِدْعَةٌ، وَلَكَانَ الْعَمَلُ دَاخِلًا فِي عُمُومِ الْأَعْمَالِ المأْمور بِهَا أَوِ المخيرَّ فِيهَا، فَالْجَمْعُ بين [عدِ] تِلْكَ الْأَشْيَاءِ بِدَعاً وَبَيْنَ كَوْنِ الْأَدِلَّةِ تَدُلُّ عَلَى وُجُوبِهَا أَوْ نَدْبِهَا أَوْ إِبَاحَتِهَا جمعٌ بَيْنَ مُتَنَافِيَيْنِ.
أمَّا الْمَكْرُوهُ مِنْهَا والمحرَّم فمُسلَّم مِنْ جِهَةِ كَوْنِهَا بِدَعًا لَا مِنْ جِهَةٍ أُخرى، إِذْ لَوْ دَلَّ دَلِيلٌ عَلَى مَنْعِ أمر أو كراهته لم يثبت ذلك كونه بدعة، لإمكان أنْ يكون معصية، فَإِذًا لَا يَصِحُّ أنْ يُطْلَقَ الْقَوْلُ فِي هذا القسم بأنَّه بدعة دون أنْ يقسَّم الأمر في ذلك.
وأمَّا قِسْمُ الْمَنْدُوبِ فَلَيْسَ مِنِ الْبِدَعِ بِحَالٍ وتبيين ذَلِكَ بِالنَّظَرِ فِي الْأَمْثِلَةِ الَّتِي مُثِّل لَهَا بِصَلَاةِ التَّرَاوِيحِ فِي رَمَضَانَ جَمَاعَةً فِي الْمَسْجِدِ، فَقَدْ قَامَ بِهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم في المسجد واجتمع الناسُ خلفه.
فَإِنْ قِيلَ: فَقَدْ سَمَّاهَا عُمَرُ رضي الله عنه بِدْعَةً وحسَّنها بِقَوْلِهِ: ((نِعْمَتِ
[تقسيم البدع إلى خمسة أقسام والرد عليه]
وَمِمَّا يُورَدُ فِي هَذَا الْمَوْضِعِ أنَّ الْعُلَمَاءَ قسَّموا الْبِدَعَ بِأَقْسَامِ أَحْكَامِ الشَّرِيعَةِ الْخَمْسَةِ وَلَمْ يَعُدُّوهَا قِسْمًا وَاحِدًا مَذْمُومًا، فَجَعَلُوا مِنْهَا مَا هو واجب ومندوب ومباح ومكروه ومحرَّم.
وَالْجَوَابُ: أنَّ هَذَا التَّقْسِيمَ أمرٌ مُخْتَرَعٌ لَا يدل عليه دليل شرعي بل هو في نَفْسُهُ مُتَدَافِعٌ، لأنَّ مِنْ حَقِيقَةِ الْبِدْعَةِ أنْ لَا يَدُلَّ عَلَيْهَا دَلِيلٌ شَرْعِيٌّ لَا مِنْ نصوصِ الشَّرْعِ وَلَا مِنْ قَوَاعِدِهِ، إِذْ لَوْ كَانَ هُنَالِكَ مَا يَدُلُّ مِنَ الشَّرْعِ عَلَى وُجُوبٍ أَوْ نَدْبٍ أَوْ إِبَاحَةٍ لَمَا كَانَ ثَمَّ بِدْعَةٌ، وَلَكَانَ الْعَمَلُ دَاخِلًا فِي عُمُومِ الْأَعْمَالِ المأْمور بِهَا أَوِ المخيرَّ فِيهَا، فَالْجَمْعُ بين [عدِ] تِلْكَ الْأَشْيَاءِ بِدَعاً وَبَيْنَ كَوْنِ الْأَدِلَّةِ تَدُلُّ عَلَى وُجُوبِهَا أَوْ نَدْبِهَا أَوْ إِبَاحَتِهَا جمعٌ بَيْنَ مُتَنَافِيَيْنِ.
أمَّا الْمَكْرُوهُ مِنْهَا والمحرَّم فمُسلَّم مِنْ جِهَةِ كَوْنِهَا بِدَعًا لَا مِنْ جِهَةٍ أُخرى، إِذْ لَوْ دَلَّ دَلِيلٌ عَلَى مَنْعِ أمر أو كراهته لم يثبت ذلك كونه بدعة، لإمكان أنْ يكون معصية، فَإِذًا لَا يَصِحُّ أنْ يُطْلَقَ الْقَوْلُ فِي هذا القسم بأنَّه بدعة دون أنْ يقسَّم الأمر في ذلك.
وأمَّا قِسْمُ الْمَنْدُوبِ فَلَيْسَ مِنِ الْبِدَعِ بِحَالٍ وتبيين ذَلِكَ بِالنَّظَرِ فِي الْأَمْثِلَةِ الَّتِي مُثِّل لَهَا بِصَلَاةِ التَّرَاوِيحِ فِي رَمَضَانَ جَمَاعَةً فِي الْمَسْجِدِ، فَقَدْ قَامَ بِهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم في المسجد واجتمع الناسُ خلفه.
فَإِنْ قِيلَ: فَقَدْ سَمَّاهَا عُمَرُ رضي الله عنه بِدْعَةً وحسَّنها بِقَوْلِهِ: ((نِعْمَتِ
পরিচ্ছেদ
[বিদআতকে পাঁচ ভাগে বিভক্ত করা এবং এর খণ্ডন]
এই স্থানে যা উল্লেখ করা হয় তা হলো, আলেমগণ বিদআতকে শরীয়তের পাঁচটি বিধানের প্রকারে বিভক্ত করেছেন এবং তাঁরা একে কেবল একটি নিন্দনীয় প্রকার হিসেবে গণ্য করেননি, বরং তাঁরা এর মধ্যে ওয়াজিব, মানদুব (পছন্দনীয়), মুবাহ (বৈধ), মাকরুহ এবং হারাম প্রকার নির্ধারণ করেছেন।
উত্তর হলো: এই বিভাজনটি একটি উদ্ভাবিত বিষয় যার পক্ষে কোনো শরয়ী দলিল নেই, বরং এটি সয়ংক্রীয়ভাবেই স্ববিরোধী। কেননা বিদআতের প্রকৃত রূপই হলো এই যে, তার পক্ষে কোনো শরয়ী দলিল থাকবে না—না শরীয়তের কোনো সুস্পষ্ট পাঠ (নস) থেকে, আর না তার কোনো মূলনীতি থেকে। কারণ যদি সেখানে শরীয়ত থেকে ওয়াজিব, মানদুব বা মুবাহ হওয়ার কোনো দলিল থাকত, তবে তা আর বিদআত থাকত না; বরং সেই আমলটি আদেশকৃত বা ঐচ্ছিক আমলসমূহের সাধারণ অন্তর্ভুক্তিতে গণ্য হতো। সুতরাং সেই বিষয়গুলোকে বিদআত হিসেবে গণ্য করা এবং একই সাথে দলিলসমূহ তাদের ওয়াজিব, মানদুব বা মুবাহ হওয়ার প্রমাণ দিচ্ছে বলে দাবি করা, দুটি পরস্পরবিরোধী বিষয়ের একত্রীকরণ মাত্র।
আর তার মাকরুহ ও হারাম হওয়ার বিষয়টি বিদআত হওয়ার দিক থেকেই স্বীকৃত, অন্য কোনো দিক থেকে নয়। কেননা কোনো দলিল যদি কোনো বিষয় নিষিদ্ধ বা মাকরুহ হওয়ার নির্দেশ দেয়, তবে তা দ্বারাই সেটি বিদআত হওয়া প্রমাণিত হয় না; কারণ সেটি পাপাচার (গুনাহ) হওয়ারও সম্ভাবনা থাকে। সুতরাং এই প্রকারের ক্ষেত্রে বিষয়টি বিশ্লেষণ না করে ঢালাওভাবে বিদআত বলা সঠিক নয়।
আর মানদুব বা পছন্দনীয় প্রকারের ক্ষেত্রে বলতে হয় যে, তা কোনোভাবেই বিদআত নয়। এর স্পষ্টতা ঐ সকল উদাহরণ পর্যালোচনা করলে পাওয়া যাবে যেগুলোকে এর উদাহরণ হিসেবে পেশ করা হয়, যেমন রমজানে মসজিদে জামাতের সাথে তারাবীহ নামাজ। অথচ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিজেই মসজিদে তা আদায় করেছেন এবং মানুষ তাঁর পেছনে সমবেত হয়েছে।
যদি বলা হয়: ওমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তো একে বিদআত বলে অভিহিত করেছেন এবং এই বলে এর প্রশংসা করেছেন যে: "কতই না চমৎকার...
[বিদআতকে পাঁচ ভাগে বিভক্ত করা এবং এর খণ্ডন]
এই স্থানে যা উল্লেখ করা হয় তা হলো, আলেমগণ বিদআতকে শরীয়তের পাঁচটি বিধানের প্রকারে বিভক্ত করেছেন এবং তাঁরা একে কেবল একটি নিন্দনীয় প্রকার হিসেবে গণ্য করেননি, বরং তাঁরা এর মধ্যে ওয়াজিব, মানদুব (পছন্দনীয়), মুবাহ (বৈধ), মাকরুহ এবং হারাম প্রকার নির্ধারণ করেছেন।
উত্তর হলো: এই বিভাজনটি একটি উদ্ভাবিত বিষয় যার পক্ষে কোনো শরয়ী দলিল নেই, বরং এটি সয়ংক্রীয়ভাবেই স্ববিরোধী। কেননা বিদআতের প্রকৃত রূপই হলো এই যে, তার পক্ষে কোনো শরয়ী দলিল থাকবে না—না শরীয়তের কোনো সুস্পষ্ট পাঠ (নস) থেকে, আর না তার কোনো মূলনীতি থেকে। কারণ যদি সেখানে শরীয়ত থেকে ওয়াজিব, মানদুব বা মুবাহ হওয়ার কোনো দলিল থাকত, তবে তা আর বিদআত থাকত না; বরং সেই আমলটি আদেশকৃত বা ঐচ্ছিক আমলসমূহের সাধারণ অন্তর্ভুক্তিতে গণ্য হতো। সুতরাং সেই বিষয়গুলোকে বিদআত হিসেবে গণ্য করা এবং একই সাথে দলিলসমূহ তাদের ওয়াজিব, মানদুব বা মুবাহ হওয়ার প্রমাণ দিচ্ছে বলে দাবি করা, দুটি পরস্পরবিরোধী বিষয়ের একত্রীকরণ মাত্র।
আর তার মাকরুহ ও হারাম হওয়ার বিষয়টি বিদআত হওয়ার দিক থেকেই স্বীকৃত, অন্য কোনো দিক থেকে নয়। কেননা কোনো দলিল যদি কোনো বিষয় নিষিদ্ধ বা মাকরুহ হওয়ার নির্দেশ দেয়, তবে তা দ্বারাই সেটি বিদআত হওয়া প্রমাণিত হয় না; কারণ সেটি পাপাচার (গুনাহ) হওয়ারও সম্ভাবনা থাকে। সুতরাং এই প্রকারের ক্ষেত্রে বিষয়টি বিশ্লেষণ না করে ঢালাওভাবে বিদআত বলা সঠিক নয়।
আর মানদুব বা পছন্দনীয় প্রকারের ক্ষেত্রে বলতে হয় যে, তা কোনোভাবেই বিদআত নয়। এর স্পষ্টতা ঐ সকল উদাহরণ পর্যালোচনা করলে পাওয়া যাবে যেগুলোকে এর উদাহরণ হিসেবে পেশ করা হয়, যেমন রমজানে মসজিদে জামাতের সাথে তারাবীহ নামাজ। অথচ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিজেই মসজিদে তা আদায় করেছেন এবং মানুষ তাঁর পেছনে সমবেত হয়েছে।
যদি বলা হয়: ওমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তো একে বিদআত বলে অভিহিত করেছেন এবং এই বলে এর প্রশংসা করেছেন যে: "কতই না চমৎকার...
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 59)