فَإِذَا تَقَرَّرَ هَذَا فَعَلَى النَّاظِرِ فِي الشَّرِيعَةِ بِحَسَبِ هَذِهِ الْمُقَدِّمَةِ أَمْرَانِ:
أَحَدُهُمَا: أَنْ يَنْظُرَ إِلَيْهَا بِعَيْنِ الْكَمَالِ لَا بِعَيْنِ النُّقْصَانِ، وَيَعْتَبِرَهَا اعْتِبَارًا كُلِّيًّا فِي الْعِبَادَاتِ وَالْعَادَاتِ، وَلَا يَخْرُجَ عَنْهَا الْبَتَّةَ، لِأَنَّ الْخُرُوجَ عَنْهَا تِيهٌ وَضَلَالٌ وَرَمْيٌ فِي عَمَايَةٍ، كَيْفَ وَقَدْ ثَبَتَ كَمَالُهَا وَتَمَامُهَا؟ فَالزَّائِدُ وَالنَّاقِصُ فِي جِهَتِهَا هُوَ الْمُبْتَدِعُ بِإِطْلَاقٍ، وَالْمُنْحَرِفُ عَنِ الْجَادَّةِ إِلَى بُنَيَّاتِ الطُّرُقِ.
وَالثَّانِي: أَنْ يُوقِنَ أَنَّهُ لَا تَضَادَّ بَيْنَ آيَاتِ الْقُرْآنِ وَلَا بَيْنَ الْأَخْبَارِ النَّبَوِيَّةِ وَلَا بَيْنَ أَحَدِهِمَا مَعَ الْآخَرِ، بَلِ الْجَمِيعُ جَارٍ عَلَى مَهْيَعٍ وَاحِدٍ وَمُنْتَظِمٍ إِلَى مَعْنًى وَاحِدٍ، فَإِذَا أَدَّاهُ بَادِئَ الرَّأْيِ إِلَى ظَاهِرِ اخْتِلَافٍ فَوَاجِبٌ عَلَيْهِ أَنْ يَعْتَقِدَ انْتِفَاءَ الِاخْتِلَافِ، لِأَنَّ اللَّهَ قَدْ شَهِدَ لَهُ أَنْ لَا اخْتِلَافَ فِيهِ. فَلْيَقِفْ وُقُوفَ الْمُضْطَرِّ السَّائِلِ عَنْ وَجْهِ الْجَمْعِ، أَوِ الْمُسَلِّمِ مِنْ غَيْرِ اعْتِرَاضٍ، فَإِنْ كَانَ الْمَوْضِعُ مِمَّا يَتَعَلَّقُ بِهِ حُكْمٌ عَمَلِيٌّ فَلْيَلْتَمِسِ الْمَخْرَجَ حَتَّى يَقِفَ عَلَى الْحَقِّ الْيَقِينِ، أَوْ لِيَبْقَ بَاحِثًا إِلَى الْمَوْتِ وَلَا عَلَيْهِ مِنْ ذَلِكَ، فَإِذَا اتَّضَحَ لَهُ الْمَغْزَى وَتَبَيَّنَتْ لَهُ الْوَاضِحَةُ. فَلَابُدَّ لَهُ مِنْ أَنْ يَجْعَلَهَا حَاكِمَةً فِي كُلِّ مَا يَعْرِضُ لَهُ مِنَ النَّظَرِ فِيهَا. وَيَضَعَهَا نُصْبَ عَيْنَيْهِ فِي كُلِّ مَطْلَبٍ دِينِيٍّ، كَمَا فَعَلَ مَنْ تَقَدَّمَنَا مِمَّنْ أَثْنَى اللَّهُ عَلَيْهِمْ.
فَأَمَّا الْأَمْرُ الْأَوَّلُ: فَهُوَ الَّذِي أَغْفَلَهُ الْمُبْتَدِعُونَ فَدَخَلَ عَلَيْهِمْ بِسَبَبِ ذَلِكَ الِاسْتِدْرَاكُ عَلَى الشَّرْعِ، وَإِلَيْهِ مَالَ كُلُّ مَنْ كَانَ يَكْذِبُ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَيُقَالُ لَهُ ذَلِكَ، وَيَحْذَرُ مَا فِي الْكَذِبِ عَلَيْهِ مِنَ الْوَعِيدِ. فَيَقُولُ:
أَحَدُهُمَا: أَنْ يَنْظُرَ إِلَيْهَا بِعَيْنِ الْكَمَالِ لَا بِعَيْنِ النُّقْصَانِ، وَيَعْتَبِرَهَا اعْتِبَارًا كُلِّيًّا فِي الْعِبَادَاتِ وَالْعَادَاتِ، وَلَا يَخْرُجَ عَنْهَا الْبَتَّةَ، لِأَنَّ الْخُرُوجَ عَنْهَا تِيهٌ وَضَلَالٌ وَرَمْيٌ فِي عَمَايَةٍ، كَيْفَ وَقَدْ ثَبَتَ كَمَالُهَا وَتَمَامُهَا؟ فَالزَّائِدُ وَالنَّاقِصُ فِي جِهَتِهَا هُوَ الْمُبْتَدِعُ بِإِطْلَاقٍ، وَالْمُنْحَرِفُ عَنِ الْجَادَّةِ إِلَى بُنَيَّاتِ الطُّرُقِ.
وَالثَّانِي: أَنْ يُوقِنَ أَنَّهُ لَا تَضَادَّ بَيْنَ آيَاتِ الْقُرْآنِ وَلَا بَيْنَ الْأَخْبَارِ النَّبَوِيَّةِ وَلَا بَيْنَ أَحَدِهِمَا مَعَ الْآخَرِ، بَلِ الْجَمِيعُ جَارٍ عَلَى مَهْيَعٍ وَاحِدٍ وَمُنْتَظِمٍ إِلَى مَعْنًى وَاحِدٍ، فَإِذَا أَدَّاهُ بَادِئَ الرَّأْيِ إِلَى ظَاهِرِ اخْتِلَافٍ فَوَاجِبٌ عَلَيْهِ أَنْ يَعْتَقِدَ انْتِفَاءَ الِاخْتِلَافِ، لِأَنَّ اللَّهَ قَدْ شَهِدَ لَهُ أَنْ لَا اخْتِلَافَ فِيهِ. فَلْيَقِفْ وُقُوفَ الْمُضْطَرِّ السَّائِلِ عَنْ وَجْهِ الْجَمْعِ، أَوِ الْمُسَلِّمِ مِنْ غَيْرِ اعْتِرَاضٍ، فَإِنْ كَانَ الْمَوْضِعُ مِمَّا يَتَعَلَّقُ بِهِ حُكْمٌ عَمَلِيٌّ فَلْيَلْتَمِسِ الْمَخْرَجَ حَتَّى يَقِفَ عَلَى الْحَقِّ الْيَقِينِ، أَوْ لِيَبْقَ بَاحِثًا إِلَى الْمَوْتِ وَلَا عَلَيْهِ مِنْ ذَلِكَ، فَإِذَا اتَّضَحَ لَهُ الْمَغْزَى وَتَبَيَّنَتْ لَهُ الْوَاضِحَةُ. فَلَابُدَّ لَهُ مِنْ أَنْ يَجْعَلَهَا حَاكِمَةً فِي كُلِّ مَا يَعْرِضُ لَهُ مِنَ النَّظَرِ فِيهَا. وَيَضَعَهَا نُصْبَ عَيْنَيْهِ فِي كُلِّ مَطْلَبٍ دِينِيٍّ، كَمَا فَعَلَ مَنْ تَقَدَّمَنَا مِمَّنْ أَثْنَى اللَّهُ عَلَيْهِمْ.
فَأَمَّا الْأَمْرُ الْأَوَّلُ: فَهُوَ الَّذِي أَغْفَلَهُ الْمُبْتَدِعُونَ فَدَخَلَ عَلَيْهِمْ بِسَبَبِ ذَلِكَ الِاسْتِدْرَاكُ عَلَى الشَّرْعِ، وَإِلَيْهِ مَالَ كُلُّ مَنْ كَانَ يَكْذِبُ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَيُقَالُ لَهُ ذَلِكَ، وَيَحْذَرُ مَا فِي الْكَذِبِ عَلَيْهِ مِنَ الْوَعِيدِ. فَيَقُولُ:
যখন এটি সুপ্রতিষ্ঠিত হলো, তখন এই ভূমিকার প্রেক্ষিতে শরিয়তের প্রতি দৃষ্টিপাতকারীর জন্য দুটি বিষয় আবশ্যক:
প্রথমটি হলো: শরিয়তের প্রতি পূর্ণতার দৃষ্টিতে তাকাতে হবে, কোনো খুঁত বা ত্রুটির দৃষ্টিতে নয়। ইবাদত ও লোকজ আচার-আচরণ (আদাত) উভয় ক্ষেত্রেই একে সামগ্রিকভাবে বিবেচনা করতে হবে এবং এর থেকে মোটেও বিচ্যুত হওয়া যাবে না। কেননা শরিয়ত থেকে বিচ্যুতি হলো লক্ষ্যহীনতা, ভ্রষ্টতা এবং অন্ধকারের অতল গহ্বরে নিক্ষিপ্ত হওয়া। এটি কীভাবে সম্ভব অথচ শরিয়তের পূর্ণতা ও সংহতি প্রমাণিত? সুতরাং এর মধ্যে হ্রাস বা বৃদ্ধি আনয়নকারী ব্যক্তিই নিরঙ্কুশ বিদআতী এবং সে মূল রাজপথ থেকে বিচ্যুত হয়ে সরু গলিপথে লক্ষ্যভ্রষ্ট ব্যক্তি।
দ্বিতীয়টি হলো: এ বিষয়ে দৃঢ় বিশ্বাস রাখা যে, কুরআনের আয়াতসমূহের মধ্যে কোনো বৈপরীত্য নেই, নবিজির বাণীসমূহের মধ্যেও কোনো বৈপরীত্য নেই এবং একটির সাথে অন্যটিরও কোনো সংঘাত নেই। বরং সবকিছুই একটি সুনির্দিষ্ট অভিন্ন পথে প্রবহমান এবং একটি একক অর্থের দিকে সুসংবদ্ধ। যদি প্রাথমিক বিচারে বাহ্যিকভাবে কোনো বিরোধ পরিলক্ষিত হয়, তবে বিরোধ নেই বলে বিশ্বাস করা তার জন্য ওয়াজিব; কারণ আল্লাহ তায়ালা সাক্ষ্য দিয়েছেন যে এতে কোনো বিরোধ নেই। এমতাবস্থায় সে যেন এক নিরুপায় ব্যক্তির ন্যায় সমাধানের পথ অন্বেষণকারীর মতো অথবা কোনো আপত্তি ছাড়াই নিঃশর্ত আত্মসমর্পণকারীর মতো অবস্থান গ্রহণ করে। যদি বিষয়টি আমলি (ব্যবহারিক) বিধানের সাথে সংশ্লিষ্ট হয়, তবে সে যেন সমাধানের পথ অনুসন্ধান করে যতক্ষণ না সে নিশ্চিত সত্যে উপনীত হয়, অথবা মৃত্যু পর্যন্ত সে গবেষণায় রত থাকে—এতে তার কোনো দোষ নেই। যখন তার কাছে মূল রহস্য স্পষ্ট হয়ে যাবে এবং সত্য প্রকাশিত হবে, তখন তার ওপর আবশ্যক হলো শরিয়ত সংক্রান্ত তার সকল পর্যালোচনায় একেই মীমাংসাকারী মানদণ্ড হিসেবে নির্ধারণ করা এবং দ্বীনি প্রতিটি অন্বেষায় একে চোখের সামনে রাখা; যেমনটি আমাদের পূর্বসূরিগণ করেছিলেন যাদের প্রশংসা আল্লাহ তায়ালা করেছেন।
প্রথম বিষয়টির ক্ষেত্রে বলা যায়: এটিই সেই বিষয় যা বিদআতিরা উপেক্ষা করেছে, ফলে তাদের মাঝে শরিয়তের ওপর খবরদারি করার প্রবণতা ঢুকে পড়েছে। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নামে যারা মিথ্যাচার করত তারা প্রত্যেকেই এদিকে ঝুঁকে পড়েছিল। তাকে যখন সে কথা বলা হয় এবং নবিজির নামে মিথ্যা বলার যে কঠিন পরিণাম ও হুঁশিয়ারি রয়েছে সে সম্পর্কে সতর্ক করা হয়, তখন সে বলে:
প্রথমটি হলো: শরিয়তের প্রতি পূর্ণতার দৃষ্টিতে তাকাতে হবে, কোনো খুঁত বা ত্রুটির দৃষ্টিতে নয়। ইবাদত ও লোকজ আচার-আচরণ (আদাত) উভয় ক্ষেত্রেই একে সামগ্রিকভাবে বিবেচনা করতে হবে এবং এর থেকে মোটেও বিচ্যুত হওয়া যাবে না। কেননা শরিয়ত থেকে বিচ্যুতি হলো লক্ষ্যহীনতা, ভ্রষ্টতা এবং অন্ধকারের অতল গহ্বরে নিক্ষিপ্ত হওয়া। এটি কীভাবে সম্ভব অথচ শরিয়তের পূর্ণতা ও সংহতি প্রমাণিত? সুতরাং এর মধ্যে হ্রাস বা বৃদ্ধি আনয়নকারী ব্যক্তিই নিরঙ্কুশ বিদআতী এবং সে মূল রাজপথ থেকে বিচ্যুত হয়ে সরু গলিপথে লক্ষ্যভ্রষ্ট ব্যক্তি।
দ্বিতীয়টি হলো: এ বিষয়ে দৃঢ় বিশ্বাস রাখা যে, কুরআনের আয়াতসমূহের মধ্যে কোনো বৈপরীত্য নেই, নবিজির বাণীসমূহের মধ্যেও কোনো বৈপরীত্য নেই এবং একটির সাথে অন্যটিরও কোনো সংঘাত নেই। বরং সবকিছুই একটি সুনির্দিষ্ট অভিন্ন পথে প্রবহমান এবং একটি একক অর্থের দিকে সুসংবদ্ধ। যদি প্রাথমিক বিচারে বাহ্যিকভাবে কোনো বিরোধ পরিলক্ষিত হয়, তবে বিরোধ নেই বলে বিশ্বাস করা তার জন্য ওয়াজিব; কারণ আল্লাহ তায়ালা সাক্ষ্য দিয়েছেন যে এতে কোনো বিরোধ নেই। এমতাবস্থায় সে যেন এক নিরুপায় ব্যক্তির ন্যায় সমাধানের পথ অন্বেষণকারীর মতো অথবা কোনো আপত্তি ছাড়াই নিঃশর্ত আত্মসমর্পণকারীর মতো অবস্থান গ্রহণ করে। যদি বিষয়টি আমলি (ব্যবহারিক) বিধানের সাথে সংশ্লিষ্ট হয়, তবে সে যেন সমাধানের পথ অনুসন্ধান করে যতক্ষণ না সে নিশ্চিত সত্যে উপনীত হয়, অথবা মৃত্যু পর্যন্ত সে গবেষণায় রত থাকে—এতে তার কোনো দোষ নেই। যখন তার কাছে মূল রহস্য স্পষ্ট হয়ে যাবে এবং সত্য প্রকাশিত হবে, তখন তার ওপর আবশ্যক হলো শরিয়ত সংক্রান্ত তার সকল পর্যালোচনায় একেই মীমাংসাকারী মানদণ্ড হিসেবে নির্ধারণ করা এবং দ্বীনি প্রতিটি অন্বেষায় একে চোখের সামনে রাখা; যেমনটি আমাদের পূর্বসূরিগণ করেছিলেন যাদের প্রশংসা আল্লাহ তায়ালা করেছেন।
প্রথম বিষয়টির ক্ষেত্রে বলা যায়: এটিই সেই বিষয় যা বিদআতিরা উপেক্ষা করেছে, ফলে তাদের মাঝে শরিয়তের ওপর খবরদারি করার প্রবণতা ঢুকে পড়েছে। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নামে যারা মিথ্যাচার করত তারা প্রত্যেকেই এদিকে ঝুঁকে পড়েছিল। তাকে যখন সে কথা বলা হয় এবং নবিজির নামে মিথ্যা বলার যে কঠিন পরিণাম ও হুঁশিয়ারি রয়েছে সে সম্পর্কে সতর্ক করা হয়, তখন সে বলে:
(খণ্ড: 2) (পৃষ্ঠা: 822)