من الولم وهو الجمع لِأَنَّ الزَّوْجَيْنِ يَجْتَمِعَانِ قَالَهُ الْأَزْهَرِيُّ وَغَيْرُهُ وَقَالَ الْأَنْبَارِيُّ أَصْلُهَا تَمَامُ الشَّيْءِ وَاجْتِمَاعُهُ وَالْفِعْلُ مِنْهَا أو لم قَالَ أَصْحَابُنَا وَغَيْرهُمُ الضِّيَافَاتُ ثَمَانِيَةُ أَنْوَاعٍ الْوَلِيمَةُ لِلْعُرْسِ وَالْخُرْسُ بِضَمِّ الْخَاءِ الْمُعْجَمَةِ وَيُقَالُ الْخُرْصُ أَيْضًا بِالصَّادِ الْمُهْمَلَةِ لِلْوِلَادَةِ وَالْإِعْذَارُ بِكَسْرِ الْهَمْزَةِ وَبِالْعَيْنِ الْمُهْمَلَةِ وَالذَّالِ الْمُعْجَمَةِ لِلْخِتَانِ وَالْوَكِيرَةُ لِلْبِنَاءِ وَالنَّقِيعَةُ لِقُدُومِ الْمُسَافِرِ مَأْخُوذَةٌ مِنَ النَّقْعِ وَهُوَ الْغُبَارُ ثُمَّ قِيلَ إِنَّ الْمُسَافِرَ يَصْنَعُ الطَّعَامَ وَقِيلَ يَصْنَعُهُ غَيْرُهُ لَهُ وَالْعَقِيقَةُ يَوْمَ سَابِعِ الْوِلَادَةِ وَالْوَضِيمَةُ بِفَتْحِ الْوَاوِ وَكَسْرِ الضَّادِ الْمُعْجَمَةِ الطَّعَامُ عِنْدَ الْمُصِيبَةِ وَالْمَأْدُبَةُ بِضَمِّ الدَّالِ وَفَتْحِهَا الطَّعَامُ الْمُتَّخَذُ ضِيَافَةً بِلَا سَبَبٍ وَاللَّهُ أَعْلَمُ وَاخْتَلَفَ الْعُلَمَاءُ فِي وَلِيمَةِ الْعُرْسِ هَلْ هِيَ وَاجِبَةٌ أَمْ مُسْتَحَبَّةٌ وَالْأَصَحُّ عِنْدَ أَصْحَابِنَا أَنَّهَا سُنَّةٌ مُسْتَحَبَّةٌ وَيَحْمِلُونَ هَذَا الْأَمْرَ فِي هَذَا الْحَدِيثِ عَلَى النَّدْبِ وَبِهِ قَالَ مَالِكٌ وَغَيْرُهُ وَأَوْجَبَهَا دَاوُدُ وَغَيْرُهُ وَاخْتَلَفَ الْعُلَمَاءُ فِي وَقْتِ فِعْلِهَا فَحَكَى الْقَاضِي أَنَّ الْأَصَحَّ عِنْدَ مَالِكٍ وَغَيْرِهِ أَنَّهُ يُسْتَحَبُّ فِعْلُهَا بَعْدَ الدُّخُولِ وَعَنْ جَمَاعَةٍ مِنَ الْمَالِكِيَّةِ اسْتِحْبَابُهَا عِنْدَ الْعَقْدِ وَعَنِ بن حَبِيبٍ الْمَالِكِيِّ اسْتِحْبَابُهَا عِنْدَ الْعَقْدِ وَعِنْدَ الدُّخُولِ وقوله
এটি ‘আল-ওয়ালম’ শব্দ থেকে আগত, যার অর্থ হলো একত্রিত হওয়া; কারণ বিবাহের মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রী উভয়ে একত্রিত হন—এ কথা আল-আযহারী ও অন্যান্যরা বলেছেন। আল-আনবারী বলেন, এর মূল অর্থ হলো কোনো বিষয়ের পূর্ণতা ও সমষ্টি। আর এর ক্রিয়াপদ হলো ‘আওলামা’। আমাদের শাফেয়ী মাযহাবের ইমামগণ ও অন্যান্যরা বলেন, মেহমানদারি বা ভোজের অনুষ্ঠান আট প্রকার: ১. ওয়ালিমা: যা বিবাহ উপলক্ষে করা হয়। ২. খুর্স (খ বর্ণের উপর পেশ যোগে, কেউ কেউ ‘স’ বর্ণের পরিবর্তে ‘সোয়াদ’ সহযোগে ‘খুরস’ও বলেছেন): যা সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়া উপলক্ষে আয়োজিত হয়। ৩. ই’যার (হামযাহর নিচে যের এবং আইন ও যাল সহযোগে): যা খতনা উপলক্ষে আয়োজিত হয়। ৪. ওয়াকীরাহ: যা গৃহ নির্মাণ সম্পন্ন হলে আয়োজিত হয়। ৫. নাকীআহ: যা মুসাফিরের আগমন উপলক্ষে করা হয়; এটি ‘নাক’ শব্দ থেকে উদ্ভূত যার অর্থ ধূলিকণা। কেউ বলেছেন, মুসাফির নিজে এই খাবারের আয়োজন করবেন, আবার কেউ বলেছেন অন্য কেউ তার জন্য এই আয়োজন করবেন। ৬. আকীকা: যা সন্তান জন্মের সপ্তম দিনে করা হয়। ৭. ওয়াদীমাহ (ওয়া বর্ণের উপর যবর এবং দ্বদ বর্ণের নিচে যের যোগে): যা কোনো বিপদে বা শোকে আয়োজিত খাবার। ৮. মা’দুবাহ (দাল বর্ণের উপর পেশ বা যবর যোগে): যা কোনো বিশেষ কারণ ছাড়াই সাধারণ মেহমানদারির জন্য প্রস্তুতকৃত খাবার। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

বিবাহের ওয়ালিমা অনুষ্ঠান কি ওয়াজিব (আবশ্যক) নাকি মুস্তাহাব (পছন্দনীয়)—এ বিষয়ে ওলামায়ে কেরাম মতভেদ করেছেন। আমাদের আলেমদের নিকট অধিকতর বিশুদ্ধ মত হলো, এটি সুন্নাতে মুস্তাহাব। তারা এই হাদিসে বর্ণিত নির্দেশকে ‘নদব’ বা মুস্তাহাব অর্থে গ্রহণ করেছেন। ইমাম মালিক ও অন্যান্যরাও একই মত পোষণ করেছেন। তবে দাউদ জাহেরী ও অন্যান্যরা একে ওয়াজিব বলেছেন। এটি করার সময় নিয়েও ওলামায়ে কেরাম মতভেদ করেছেন। কাজী ইয়াজ বর্ণনা করেছেন যে, ইমাম মালিক ও অন্যদের নিকট অধিকতর সঠিক মত হলো, বাসর যাপনের পর ওয়ালিমা করা মুস্তাহাব। মালিকি মাযহাবের একদল আলেম বিবাহের আকদ বা চুক্তির সময় এটি করা মুস্তাহাব বলেছেন। আবার ইবনে হাবিব আল-মালিকি থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি আকদের সময় এবং বাসর যাপনের পর—উভয় সময়েই এটি করা মুস্তাহাব মনে করতেন। আর তাঁর উক্তিটি হলো—

(খণ্ড: 9) (পৃষ্ঠা: 217)