إن رسول الله صلى الله عليه وسلم مَرَّ بِرَجُلٍ يُصَلِّي وَقَدْ أُقِيمَتْ صَلَاةُ الصُّبْحِ فَقَالَ يُوشِكُ أَنْ يُصَلِّيَ أَحَدُكُمُ الصُّبْحَ أَرْبَعًا فِيهَا النَّهْيُ الصَّرِيحُ عَنِ افْتِتَاحِ نَافِلَةٍ بَعْدَ إِقَامَةِ الصَّلَاةِ سَوَاءٌ كَانَتْ رَاتِبَةً كَسُنَّةِ الصُّبْحِ وَالظُّهْرِ وَالْعَصْرِ أَوْ غَيْرِهَا وَهَذَا مَذْهَبُ الشَّافِعِيِّ وَالْجُمْهُورِ وَقَالَ أَبُو حَنِيفَةَ وَأَصْحَابُهُ إِذَا لَمْ يَكُنْ صَلَّى رَكْعَتَيْ سُنَّةِ الصُّبْحِ صَلَّاهُمَا بَعْدَ الْإِقَامَةِ فِي الْمَسْجِدِ مَا لَمْ يَخْشَ فَوْتَ الرَّكْعَةِ الثَّانِيَةِ وَقَالَ
নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন এক ব্যক্তির নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন যিনি সালাত আদায় করছিলেন অথচ তখন ফজরের সালাতের ইকামত প্রদান করা হয়েছিল। তখন তিনি বললেন, “অচিরেই তোমাদের কেউ হয়তো ফজরের সালাত চার রাকাত পড়বে।” এর মধ্যে সালাতের ইকামত হওয়ার পর নফল সালাত শুরু করার ব্যাপারে সুস্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, চাই তা ফজরের সুন্নাত, যোহর ও আসরের সুন্নাতের ন্যায় নিয়মিত সুন্নাত হোক কিংবা অন্য কিছু। এটিই ইমাম শাফিঈ এবং জমহুর উলামায়ে কেরামের মাযহাব। ইমাম আবু হানিফা ও তাঁর অনুসারীগণ বলেছেন, যদি কেউ ফজরের দুই রাকাত সুন্নাত আদায় না করে থাকে, তবে সে ইকামতের পর মসজিদে তা আদায় করবে যতক্ষণ না সে দ্বিতীয় রাকাতটি ছুটে যাওয়ার আশঙ্কা করে। এবং তিনি বলেছেন...
(খণ্ড: 5) (পৃষ্ঠা: 222)