مباركفور سنة 1948 م وقضى هناك ست سنوات دراسية أكمل فيها دراسة المرحلة الابتدائية.
ثم انتقل إلى مدرسة إحياء العلوم بمباركفور في شهر يونيو سنة 1954 م، حيث بقي هناك خمس سنوات يتعلم اللغة العربية وقواعدها والعلوم الشرعية من التفسير والحديث والفقه وأصوله وغير ذلك من العلوم، حتى تخرج منها في شهر يناير سنة 1961 م، ونال شهادة التخرج بتقدير ممتاز.
كما حصل على الشهادة المعروفة بشهادة «مولوي» في فبراير سنة 1959 م.
ثم حصل على شهادة (عالم) في فبراير سنة 1960 م من هيئة الاختبارات للعلوم الشرقية في مدينة الله أباد بالهند.
ثم حصل على شهادة الفضيلة في الأدب العربي في فبراير سنة 1976 م.
جوانب من سيرة الشيخ العلمية والدعوية:
بعد تخرجه من كلية (فيض عام) اشتغل بالتدريس والخطابة وإلقاء المحاضرات والدعوة إلى الله في مقاطعة (الله آباد) وناغبور.
ثم دعي إلى مدرسة فيض عام بمئو وقضى فيها عامين.
ثم درس سنة واحدة بجامعة الرشاد في أعظم كده.
ثم دعي إلى مدرسة دار الحديث ببلدة مؤ في فبراير سنة 1966 م، وبقى هناك ثلاث سنوات يدرس فيها، ويدير شؤونها الدراسية والداخلية نيابة عن رئيس المدرسين.
ثم نزل ببلدة سيوني في يناير سنة 1969 م يدرس في مدرسة فيض العلوم، ويدبر جميع شؤونها الداخلية والخارجية نيابة عن الأمين العام ويشرف على المدرسين، إضافة إلى الخطابة في جامع سيوني، كما كان
ثم انتقل إلى مدرسة إحياء العلوم بمباركفور في شهر يونيو سنة 1954 م، حيث بقي هناك خمس سنوات يتعلم اللغة العربية وقواعدها والعلوم الشرعية من التفسير والحديث والفقه وأصوله وغير ذلك من العلوم، حتى تخرج منها في شهر يناير سنة 1961 م، ونال شهادة التخرج بتقدير ممتاز.
كما حصل على الشهادة المعروفة بشهادة «مولوي» في فبراير سنة 1959 م.
ثم حصل على شهادة (عالم) في فبراير سنة 1960 م من هيئة الاختبارات للعلوم الشرقية في مدينة الله أباد بالهند.
ثم حصل على شهادة الفضيلة في الأدب العربي في فبراير سنة 1976 م.
جوانب من سيرة الشيخ العلمية والدعوية:
بعد تخرجه من كلية (فيض عام) اشتغل بالتدريس والخطابة وإلقاء المحاضرات والدعوة إلى الله في مقاطعة (الله آباد) وناغبور.
ثم دعي إلى مدرسة فيض عام بمئو وقضى فيها عامين.
ثم درس سنة واحدة بجامعة الرشاد في أعظم كده.
ثم دعي إلى مدرسة دار الحديث ببلدة مؤ في فبراير سنة 1966 م، وبقى هناك ثلاث سنوات يدرس فيها، ويدير شؤونها الدراسية والداخلية نيابة عن رئيس المدرسين.
ثم نزل ببلدة سيوني في يناير سنة 1969 م يدرس في مدرسة فيض العلوم، ويدبر جميع شؤونها الداخلية والخارجية نيابة عن الأمين العام ويشرف على المدرسين، إضافة إلى الخطابة في جامع سيوني، كما كان
১৯৪৮ সালে মোবারকপুরে এবং সেখানে তিনি ছয়টি শিক্ষাবর্ষ অতিবাহিত করেন, যাতে তিনি প্রাথমিক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেন।
অতঃপর ১৯৫৪ সালের জুন মাসে তিনি মোবারকপুরের মাদ্রাসা ইহয়াউল উলূমে স্থানান্তরিত হন, যেখানে তিনি পাঁচ বছর অবস্থান করে আরবি ভাষা ও তার ব্যাকরণ এবং তাফসীর, হাদীস, ফিকহ ও উসূলে ফিকহসহ বিভিন্ন শরয়ী জ্ঞান অর্জন করেন। অবশেষে ১৯৬১ সালের জানুয়ারি মাসে তিনি সেখান থেকে স্নাতক হন এবং বিশেষ কৃতিত্বের সাথে সনদ লাভ করেন।
এছাড়াও তিনি ১৯৫৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে 'মৌলভী' নামে পরিচিত সনদটি অর্জন করেন।
এরপর তিনি ১৯৬০ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের এলাহাবাদ শহরের ওরিয়েন্টাল লার্নিং এক্সামিনেশন বোর্ড থেকে 'আলিম' সনদ লাভ করেন।
অতঃপর তিনি ১৯৭৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আরবি সাহিত্যে 'ফাজিলত' সনদ লাভ করেন।
শাইখের ইলমি ও দাওয়াতী জীবনের কিছু দিক:
'ফয়যে আম' কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পর তিনি এলাহাবাদ ও নাগপুর জেলায় শিক্ষকতা, খুতবা প্রদান, বক্তৃতা দান এবং আল্লাহর দিকে দাওয়াত দেওয়ার কাজে আত্মনিয়োগ করেন।
এরপর তাঁকে মউ-এর মাদ্রাসা ফয়যে আম-এ আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং তিনি সেখানে দুই বছর অতিবাহিত করেন।
এরপর তিনি আজমগড়ের জামিয়া আর-রশাদে এক বছর শিক্ষকতা করেন।
তারপর ১৯৬৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে মউ শহরের মাদ্রাসা দারুল হাদীসে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং তিনি সেখানে তিন বছর অবস্থান করে শিক্ষকতা করেন। প্রধান শিক্ষকের পক্ষ থেকে তিনি সেখানকার শিক্ষা ও অভ্যন্তরীণ বিষয়াবলী পরিচালনা করতেন।
অতঃপর ১৯৬৯ সালের জানুয়ারিতে তিনি সিওনি শহরে আসেন এবং মাদ্রাসা ফয়যুল উলূমে শিক্ষকতা শুরু করেন। সাধারণ সম্পাদকের পক্ষ থেকে তিনি সেখানকার সমস্ত অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বিষয়াবলী পরিচালনা করতেন এবং শিক্ষকদের তত্ত্বাবধান করতেন। এর পাশাপাশি তিনি সিওনি জামে মসজিদে খুতবা দিতেন, এছাড়াও তিনি ছিলেন
অতঃপর ১৯৫৪ সালের জুন মাসে তিনি মোবারকপুরের মাদ্রাসা ইহয়াউল উলূমে স্থানান্তরিত হন, যেখানে তিনি পাঁচ বছর অবস্থান করে আরবি ভাষা ও তার ব্যাকরণ এবং তাফসীর, হাদীস, ফিকহ ও উসূলে ফিকহসহ বিভিন্ন শরয়ী জ্ঞান অর্জন করেন। অবশেষে ১৯৬১ সালের জানুয়ারি মাসে তিনি সেখান থেকে স্নাতক হন এবং বিশেষ কৃতিত্বের সাথে সনদ লাভ করেন।
এছাড়াও তিনি ১৯৫৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে 'মৌলভী' নামে পরিচিত সনদটি অর্জন করেন।
এরপর তিনি ১৯৬০ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের এলাহাবাদ শহরের ওরিয়েন্টাল লার্নিং এক্সামিনেশন বোর্ড থেকে 'আলিম' সনদ লাভ করেন।
অতঃপর তিনি ১৯৭৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আরবি সাহিত্যে 'ফাজিলত' সনদ লাভ করেন।
শাইখের ইলমি ও দাওয়াতী জীবনের কিছু দিক:
'ফয়যে আম' কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পর তিনি এলাহাবাদ ও নাগপুর জেলায় শিক্ষকতা, খুতবা প্রদান, বক্তৃতা দান এবং আল্লাহর দিকে দাওয়াত দেওয়ার কাজে আত্মনিয়োগ করেন।
এরপর তাঁকে মউ-এর মাদ্রাসা ফয়যে আম-এ আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং তিনি সেখানে দুই বছর অতিবাহিত করেন।
এরপর তিনি আজমগড়ের জামিয়া আর-রশাদে এক বছর শিক্ষকতা করেন।
তারপর ১৯৬৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে মউ শহরের মাদ্রাসা দারুল হাদীসে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং তিনি সেখানে তিন বছর অবস্থান করে শিক্ষকতা করেন। প্রধান শিক্ষকের পক্ষ থেকে তিনি সেখানকার শিক্ষা ও অভ্যন্তরীণ বিষয়াবলী পরিচালনা করতেন।
অতঃপর ১৯৬৯ সালের জানুয়ারিতে তিনি সিওনি শহরে আসেন এবং মাদ্রাসা ফয়যুল উলূমে শিক্ষকতা শুরু করেন। সাধারণ সম্পাদকের পক্ষ থেকে তিনি সেখানকার সমস্ত অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বিষয়াবলী পরিচালনা করতেন এবং শিক্ষকদের তত্ত্বাবধান করতেন। এর পাশাপাশি তিনি সিওনি জামে মসজিদে খুতবা দিতেন, এছাড়াও তিনি ছিলেন
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 30)