كَشْفَ الضُّرِّ عَنْكُمْ وَلَا تَحْوِيلًا)، وقال تعالى: (قُلْ مَنْ يَكْلَؤُكُمْ بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ مِنَ الرَّحْمَنِ بَلْ هُمْ عَنْ ذِكْرِ رَبِّهِمْ مُعْرِضُونَ (42) أَمْ لَهُمْ آلِهَةٌ تَمْنَعُهُمْ مِنْ دُونِنَا لَا يَسْتَطِيعُونَ نَصْرَ أَنْفُسِهِمْ وَلَا هُمْ مِنَّا يُصْحَبُونَ)، وقال تعالى: (قُلْ أَفَرَأَيْتُمْ مَا تَدْعُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ إِنْ أَرَادَنِيَ اللَّهُ بِضُرٍّ هَلْ هُنَّ كَاشِفَاتُ ضُرِّهِ أَوْ أَرَادَنِي بِرَحْمَةٍ هَلْ هُنَّ مُمْسِكَاتُ رَحْمَتِهِ قُلْ حَسْبِيَ اللَّهُ عَلَيْهِ يَتَوَكَّلُ الْمُتَوَكِّلُونَ).
في هذه الآيات يذم الله تعالى عبدة الأوثان؛ لأن هذه الأوثان لا تجلب نفعًا ولا تدفع ضرًا عن نفسها ولا عن عابديها، ويأمر نبيه صلى الله عليه وسلم أن يجابههم سائلاً إياهم عن آلهتهم لتقريرهم بأنها لا تملك ضراً ولا نفعاً، ولا تملك كذلك حماية عبادها من الله إن أرادهم بمكروه، فالحافظ الوحيد لخلقه ليلاً، ونهاراً هو الله، فكيف آثرتم الإشراك على التوحيد بإيثاركم الأصنام على الخالق الرازق المحيي المميت رب السموات والأرض؟ فما أبين ضلالكم وبعدكم عن الحق.
ب- عجز الأصنام في الآخرة:
يقول تعالى: (أَمِ اتَّخَذُوا مِنْ دُونِ اللَّهِ شُفَعَاءَ قُلْ أَوَلَوْ كَانُوا لَا يَمْلِكُونَ شَيْئًا وَلَا يَعْقِلُونَ (43) قُلْ لِلَّهِ الشَّفَاعَةُ جَمِيعًا لَهُ مُلْكُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ثُمَّ إِلَيْهِ تُرْجَعُونَ)، وقال تعالى: (مَا لَكُمْ مِنْ دُونِهِ مِنْ وَلِيٍّ وَلَا شَفِيعٍ أَفَلَا تَتَذَكَّرُونَ).
في هذه الآيات يذم الله تعالى عبدة الأوثان؛ لأن هذه الأوثان لا تجلب نفعًا ولا تدفع ضرًا عن نفسها ولا عن عابديها، ويأمر نبيه صلى الله عليه وسلم أن يجابههم سائلاً إياهم عن آلهتهم لتقريرهم بأنها لا تملك ضراً ولا نفعاً، ولا تملك كذلك حماية عبادها من الله إن أرادهم بمكروه، فالحافظ الوحيد لخلقه ليلاً، ونهاراً هو الله، فكيف آثرتم الإشراك على التوحيد بإيثاركم الأصنام على الخالق الرازق المحيي المميت رب السموات والأرض؟ فما أبين ضلالكم وبعدكم عن الحق.
ب- عجز الأصنام في الآخرة:
يقول تعالى: (أَمِ اتَّخَذُوا مِنْ دُونِ اللَّهِ شُفَعَاءَ قُلْ أَوَلَوْ كَانُوا لَا يَمْلِكُونَ شَيْئًا وَلَا يَعْقِلُونَ (43) قُلْ لِلَّهِ الشَّفَاعَةُ جَمِيعًا لَهُ مُلْكُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ثُمَّ إِلَيْهِ تُرْجَعُونَ)، وقال تعالى: (مَا لَكُمْ مِنْ دُونِهِ مِنْ وَلِيٍّ وَلَا شَفِيعٍ أَفَلَا تَتَذَكَّرُونَ).
...তোমাদের দুঃখ-দুর্দশা দূর করার অথবা তা পরিবর্তন করার ক্ষমতা তাদের নেই। মহান আল্লাহ আরও বলেন: (বলুন, পরম করুণাময় আল্লাহ থেকে রাতে ও দিনে কে তোমাদের রক্ষা করবে? বরং তারা তাদের প্রতিপালকের স্মরণ থেকে বিমুখ। তবে কি আমাদের পরিবর্তে তাদের এমন কোনো উপাস্য আছে যারা তাদেরকে রক্ষা করতে পারে? তারা তো নিজেদের সাহায্য করতে সক্ষম নয় এবং তারা আমাদের পক্ষ থেকেও কোনো আশ্রয় পাবে না।) আল্লাহ তাআলা আরও বলেন: (বলুন, তোমরা কি ভেবে দেখেছ, যদি আল্লাহ আমার কোনো অনিষ্ট করার ইচ্ছা করেন, তবে তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদেরকে ডাকো তারা কি সেই অনিষ্ট দূর করতে পারবে? অথবা তিনি যদি আমার প্রতি অনুগ্রহ করতে চান, তবে তারা কি তাঁর সেই অনুগ্রহ আটকে রাখতে পারবে? বলুন, আমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট; যারা নির্ভর করতে চায় তারা তাঁর ওপরই নির্ভর করে।)
এই আয়াতসমূহে আল্লাহ তাআলা মূর্তিপূজকদের নিন্দা করেছেন; কারণ এই মূর্তিগুলো নিজের জন্য কিংবা তাদের পূজারীদের জন্য কোনো উপকার বয়ে আনতে পারে না এবং কোনো ক্ষতিও প্রতিহত করতে পারে না। তিনি তাঁর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে নির্দেশ দিচ্ছেন যেন তিনি তাদের উপাস্যদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার মাধ্যমে তাদের মোকাবিলা করেন, যাতে তারা স্বীকার করে নেয় যে, এই উপাস্যরা কোনো ক্ষতি বা উপকারের মালিক নয়। এমনকি আল্লাহ যদি তাদের কোনো অমঙ্গল করতে চান, তবে তারা তাদের উপাসকদের রক্ষা করার ক্ষমতাও রাখে না। সুতরাং দিনে ও রাতে তাঁর সৃষ্টির একমাত্র রক্ষক হলেন আল্লাহ। এমতাবস্থায় তোমরা সৃষ্টিকর্তা, রিযিকদাতা, জীবনদানকারী, মৃত্যুদানকারী এবং আসমান ও জমিনের রবের পরিবর্তে মূর্তিদের প্রাধান্য দিয়ে তাওহীদের বদলে শিরককে কেন বেছে নিলে? তোমাদের ভ্রষ্টতা এবং সত্য থেকে বিচ্যুতি কতই না স্পষ্ট!
খ- পরকালে মূর্তিদের অক্ষমতা:
আল্লাহ তাআলা বলেন: (তবে কি তারা আল্লাহ ছাড়া অন্যদের সুপারিশকারী হিসেবে গ্রহণ করেছে? বলুন, তারা যদি কোনো কিছুর মালিক না হয় এবং কিছুই না বোঝে তবুও কি? বলুন, সকল সুপারিশ আল্লাহরই অধিকারে; আসমান ও জমিনের রাজত্ব কেবল তাঁরই, অতঃপর তোমরা তাঁরই কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে।) মহান আল্লাহ আরও বলেন: (তিনি ছাড়া তোমাদের কোনো অভিভাবক নেই এবং কোনো সুপারিশকারীও নেই; তবুও কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে না?)
এই আয়াতসমূহে আল্লাহ তাআলা মূর্তিপূজকদের নিন্দা করেছেন; কারণ এই মূর্তিগুলো নিজের জন্য কিংবা তাদের পূজারীদের জন্য কোনো উপকার বয়ে আনতে পারে না এবং কোনো ক্ষতিও প্রতিহত করতে পারে না। তিনি তাঁর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে নির্দেশ দিচ্ছেন যেন তিনি তাদের উপাস্যদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার মাধ্যমে তাদের মোকাবিলা করেন, যাতে তারা স্বীকার করে নেয় যে, এই উপাস্যরা কোনো ক্ষতি বা উপকারের মালিক নয়। এমনকি আল্লাহ যদি তাদের কোনো অমঙ্গল করতে চান, তবে তারা তাদের উপাসকদের রক্ষা করার ক্ষমতাও রাখে না। সুতরাং দিনে ও রাতে তাঁর সৃষ্টির একমাত্র রক্ষক হলেন আল্লাহ। এমতাবস্থায় তোমরা সৃষ্টিকর্তা, রিযিকদাতা, জীবনদানকারী, মৃত্যুদানকারী এবং আসমান ও জমিনের রবের পরিবর্তে মূর্তিদের প্রাধান্য দিয়ে তাওহীদের বদলে শিরককে কেন বেছে নিলে? তোমাদের ভ্রষ্টতা এবং সত্য থেকে বিচ্যুতি কতই না স্পষ্ট!
খ- পরকালে মূর্তিদের অক্ষমতা:
আল্লাহ তাআলা বলেন: (তবে কি তারা আল্লাহ ছাড়া অন্যদের সুপারিশকারী হিসেবে গ্রহণ করেছে? বলুন, তারা যদি কোনো কিছুর মালিক না হয় এবং কিছুই না বোঝে তবুও কি? বলুন, সকল সুপারিশ আল্লাহরই অধিকারে; আসমান ও জমিনের রাজত্ব কেবল তাঁরই, অতঃপর তোমরা তাঁরই কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে।) মহান আল্লাহ আরও বলেন: (তিনি ছাড়া তোমাদের কোনো অভিভাবক নেই এবং কোনো সুপারিশকারীও নেই; তবুও কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে না?)
(খণ্ড: 2) (পৃষ্ঠা: 1431)