‌‌ما الحجج الدالة على أن القرآن كلام الله؟
يعبَّر عن هذه المسألة، بتعبير آخر، هو: «مصدرية القرآن»، وقد أخبر القرآن عن مصدره، كما سبق في السؤال الماضي، لكننا سننطلق في الإجابة عن هذا السؤال، بذكر الحجج التي نصل بها للإيمان بأن الله تعالى هو مصدر هذا الكتاب المجيد.
وقد لخَّصنا هذه الحجج من كتاب ممتع للعَلَّامة د. محمد دراز (ت: 1377)، وهو بعنوان: «النبأ العظيم».

‌‌الحجة الأولى: الإقرار.
لقد أقر النَّبي صلى الله عليه وسلم على نفسه أنَّ القرآن الذي جاء به ليس من كلامه، وإنَّما هو وحي من ربه إليه.
وحجية هذا الإقرار: أنَّ القرآن حجَّ العرب، وعجزوا أمامه، فالمصلحة تقتضي أن ينسب محمد صلى الله عليه وسلم القرآن له، لتروج زعامته، ويرتفع قدره عند هؤلاء القوم، ولم يفعل، وحاشاه أن يفعل!
وإنما لم يفعل؛ لأنَّه صادق أمين، ولم يكن ليدع الكذب على الناس ويكذب على الله.
কুরআন যে আল্লাহর কালাম, তার স্বপক্ষে প্রমাণসমূহ কী?
এই বিষয়টি অন্য এক অভিব্যক্তিতে ‘কুরআনের উৎস’ (مصدرية القرآن) হিসেবে ব্যক্ত করা হয়। কুরআন নিজের উৎসের ব্যাপারে সংবাদ দিয়েছে, যেমনটি গত প্রশ্নে অতিক্রান্ত হয়েছে। তবে আমরা এই প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সেই প্রমাণগুলো আলোচনার মাধ্যমে শুরু করব, যার মাধ্যমে আমরা এই বিশ্বাসে উপনীত হই যে, আল্লাহ তাআলাই এই মহিমান্বিত কিতাবের উৎস।
আমরা আল্লামা ড. মুহাম্মদ দরাজ (ওফাত: ১৩৭৭ হি.)-এর একটি চমৎকার গ্রন্থ, যার শিরোনাম ‘আন-নাবাউল আজিম’, তা থেকে এই প্রমাণসমূহ সংক্ষেপে চয়ন করেছি।

প্রথম প্রমাণ: স্বীকারোক্তি।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বয়ং স্বীকার করেছেন যে, তিনি যে কুরআন নিয়ে এসেছেন তা তাঁর নিজস্ব কোনো বক্তব্য নয়, বরং তা তাঁর রবের পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি অবতীর্ণ ওহি (وحي)।
এই স্বীকারোক্তির প্রামাণিকতা হলো: কুরআন আরবদের নিরুত্তর করে দিয়েছিল এবং তারা এর সামনে অপদস্থ ও অক্ষম হয়ে পড়েছিল। এমতাবস্থায় পার্থিব স্বার্থের দাবি ছিল যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআনকে নিজের রচনা হিসেবে চালিয়ে দেবেন, যাতে তাঁর নেতৃত্ব সুপ্রতিষ্ঠিত হয় এবং ওই কওমের নিকট তাঁর মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। কিন্তু তিনি তা করেননি, আর তাঁর শানে এমনটি কল্পনাও করা যায় না!
তিনি মূলত একারণেই তা করেননি যে, তিনি সত্যবাদী (صادق) ও বিশ্বস্ত (أمين); যিনি মানুষের সাথে মিথ্যা বলা পরিহার করেন, তিনি আল্লাহর নামে মিথ্যা বলতে পারেন না।

(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 23)