وفيما يتعلق بالمعتقدات وحرية التعليم واللغة الفرنسية نصت الاتفاقيات على ضرورة التقيد بحرية المعتقدات للجزائريين الذين سيخضعون للقانون المدني العام (أي الفرنسيين الذين سيصبحون جزائريين)، وكذلك ضمان حرية إقامتهم للشعائر الكاثوليكية والبروتيستانتية واليهودية، وحرية تنظيم هذه المعتقدات وممارستها وتعلمها وحرمة أماكن العبادة، لقد وردت هذه العبارات رغم أن فرنسا طبقت فصل الدين عن الدولة منذ 1905 على النصرانية واليهودية ولم تطبقه على الإسلام، كما عرفنا، ومما يلاحظ أن الوفد الجزائري لم يحرص على تضمين نصوص مشابهة في الاتفاقيات بالنسبة للجزائريين الذين يعيشون في فرنسا، فهؤلاء الجزائريون ليس لهم ضمانات لإقامة شعائرهم الدينية وحرية بناء المساجد مثلا، وتعلم دينهم ولغتهم، كما حرص الوفد الفرنسي.
كما حرص الوفد الفرنسي على أن النصوص الرسمية التي تصدرها الحكومة الجزائرية المقبلة تنشر أو تبلغ باللغة الفرنسية وباللغة الوطنية (كذا) أيضا (دون تسمية هذه اللغة ولا الحديث عنها من قبل)، كما تستخدم اللغة الفرنسية في المعاملات بين المرافق العامة الجزائرية وبين الجزائريين الخاضعين للقانون المدني العام، ولهؤلاء الجزائريين الحق في استخدام اللغة الفرنسية، خاصة في الحياة السياسية والإدارية والقضائية، كما سبق، بمعنى آخر أنهم غير ملزمين بتعلم اللغة العربية ولا باستعمالها في مختلف أنماط حياتهم.
إن الوفد الجزائري قد غض الطرف عن مسألة أخرى هي المنشآت التعليمية، فللفئة الفرنسية الباقية في الجزائر الحق في اختيار منشآت التعليم وأنظمته، كما لها الحق في إنشاء وإدارة المؤسات التعليمية الخاصة بها، ولها الحق كذلك في الالتحاق بالأقسام الفرنسية التي ستنظمها الجزائر في منشآتها التعليمية طبقا لما جاء في إعلان المبادى الخاصة بالتعاون الثقافي، وإضافة إلى ذلك فإن على الإذاعة والتلفزيون تخصيص جزء من إذاعتها باللغة الفرنسية
বিশ্বাসের স্বাধীনতা, শিক্ষা এবং ফরাসি ভাষার বিষয়ে চুক্তিগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সাধারণ দেওয়ানি আইনের অন্তর্ভুক্ত আলজেরীয়দের (অর্থাৎ সেই ফরাসিরা যারা আলজেরীয় নাগরিক হবে) বিশ্বাসের স্বাধীনতা মেনে চলা আবশ্যক। একইসাথে ক্যাথলিক, প্রোটেস্ট্যান্ট ও ইহুদি ধর্মীয় আচার পালনের স্বাধীনতা, এই বিশ্বাসসমূহের সংগঠন, অনুশীলন ও শিক্ষা এবং উপাসনালয়গুলোর পবিত্রতা নিশ্চিত করার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে। এই শব্দগুলো এমন অবস্থায় এসেছে যে, ফ্রান্স ১৯০৫ সাল থেকে খ্রিস্টধর্ম ও ইহুদি ধর্মের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র থেকে ধর্মের পৃথকীকরণ নীতি প্রয়োগ করলেও ইসলামের ক্ষেত্রে তা করেনি, যা আমরা ইতিপূর্বেই জেনেছি। লক্ষণীয় বিষয় হলো, আলজেরীয় প্রতিনিধি দল ফ্রান্সে বসবাসরত আলজেরীয়দের জন্য চুক্তিতে অনুরূপ কোনো ধারা অন্তর্ভুক্ত করতে সচেষ্ট ছিল না। ফলে ফরাসি প্রতিনিধি দল যেমনটি তৎপর ছিল, ফ্রান্সে বসবাসরত এই আলজেরীয়দের জন্য তাদের ধর্মীয় আচার পালন, যেমন মসজিদ নির্মাণ কিংবা তাদের ধর্ম ও ভাষা শিক্ষার কোনো গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তা ছিল না।
ফরাসি প্রতিনিধি দল এই বিষয়েও সচেষ্ট ছিল যেন আগামী আলজেরীয় সরকার কর্তৃক জারিকৃত দাপ্তরিক বিষয়সমূহ ফরাসি ভাষা এবং জাতীয় ভাষায় (মূল পাঠে এভাবেই আছে) প্রকাশ বা অবহিত করা হয় (এই ভাষার নাম উল্লেখ না করে কিংবা এ বিষয়ে আগে কোনো আলোচনা না করেই)। একইভাবে আলজেরীয় জনসেবা সংশ্লিষ্ট বিভাগ এবং সাধারণ দেওয়ানি আইনের অধীনস্থ আলজেরীয়দের মধ্যকার দাপ্তরিক কাজে ফরাসি ভাষা ব্যবহৃত হবে। ইতিপূর্বে যেমনটি বলা হয়েছে, বিশেষ করে রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও বিচারিক জীবনে এই আলজেরীয়দের ফরাসি ভাষা ব্যবহারের অধিকার থাকবে। অন্য কথায়, তারা তাদের জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরবি ভাষা শিখতে বা তা ব্যবহার করতে বাধ্য থাকবে না।
আলজেরীয় প্রতিনিধি দল আরও একটি বিষয়ের প্রতি ভ্রুক্ষেপ করেনি, সেটি হলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। আলজেরিয়ায় অবস্থানরত ফরাসি জনগোষ্ঠীর জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এর পাঠদান পদ্ধতি নির্বাচনের অধিকার থাকবে। পাশাপাশি তাদের নিজস্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন ও পরিচালনার অধিকারও থাকবে। সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বিষয়ক নীতিমালা অনুযায়ী, আলজেরিয়া তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ফরাসিদের জন্য যে বিশেষ বিভাগগুলো পরিচালনা করবে, সেখানেও তাদের যোগদানের অধিকার থাকবে। এর পাশাপাশি রেডিও এবং টেলিভিশনকে তাদের সম্প্রচারের একটি নির্দিষ্ট অংশ ফরাসি ভাষার জন্য বরাদ্দ রাখতে হবে।

(খণ্ড: 10) (পৃষ্ঠা: 103)