نَبِيٌّ جَعَلَهُ اللهُ تَعَالَى مَلْجَأً لِلْخَلَائِقِ يَومَ الدِّينِ، وَخَصَّهُ بِالشَّفَاعَةِ العُظْمَى مِنْ بَيْنِ جَمِيعِ المُرْسَلِينَ.
نَبِيٌّ كَانَ أَطْهَرَ النَّاسِ نَسَبًا، وَأَكْرَمَهُمْ مَعْدِنًا، وأَطْيَبَهُمْ أَصْلًا، وَأَعْظَمَهُمْ أَدَبًا.
نَبِيٌّ شَرَحَ اللهُ صَدْرَهُ، وَرَفَعَ ذِكْرَهُ، وَأَعْلَى قَدْرَهُ.
نَبِيٌّ كَانَ أَبْهَى مِنَ الشَّمْسِ، وَأَحْلَى مِنَ القَمَرِ.
نَبِيٌّ كَانَتْ يَدُهُ شِفَاءً، وَرِيقُهُ دَوَاءً.
نَبِيٌّ كَانَ أَعْلَمَ الخَلْقِ بِاللهِ، وَأَخْشَاهُمْ وَأَتْقَاهُمْ لِمَوْلَاهُ.
نَبِيٌّ يُصَلِّي عَلَيْهُ اللهُ تَعَالَى وَمَلَائِكَتُهُ بِلَا انْقِطَاعٍ، وَتُبَلِّغُهُ المَلَائِكَةُ سَلَامَ النَّاسِ عَلَيْهِ فِي كُلِّ طَرْفَةِ عَيْنٍ مِنْ جَمِيعِ الأَصْقَاعِ.
نَبِيٌّ أَقْسَمَ اللهُ تَعَالَى بِأَنَّ الآخِرَةَ خَيْرٌ لَهُ مِنَ الأُولَى، وَأَنَّ لَهُ أَنَّ رَبَّهُ سَوْفَ يُعْطِيهِ إِلَى أَنْ يَرْضَى.
نَبِيٌّ أَكْمَلَ اللهُ لَهُ الدِّينَ، وَأَتَمَّ عَلَيْهِ النِّعْمَةَ، وَجَعَلَ أَتْبَاعَهُ خَيْرَ أُمَّةٍ.
نَبِيٌّ اصْطَفَاهُ اللهُ تَعَالَى وَاجْتَبَاهُ، وَعَصَمَهُ وَطَهَّرَهُ وَآوَاهُ، وَأَيَّدَهُ وَكَفَاهُ، وَنَصَرَهُ فِي كُلِّ مَوطِنٍ وَكَانَ مَوْلَاهُ.
كَيْفَ لَا، وَهُوَ صَاحِبُ المَقَامِ المَحْمُودِ، وَاللِّوَاءِ المَعْقُودِ، وَالحَوْضِ المَوْرُودِ.
نَبِيٌّ كَانَ أَطْهَرَ النَّاسِ نَسَبًا، وَأَكْرَمَهُمْ مَعْدِنًا، وأَطْيَبَهُمْ أَصْلًا، وَأَعْظَمَهُمْ أَدَبًا.
نَبِيٌّ شَرَحَ اللهُ صَدْرَهُ، وَرَفَعَ ذِكْرَهُ، وَأَعْلَى قَدْرَهُ.
نَبِيٌّ كَانَ أَبْهَى مِنَ الشَّمْسِ، وَأَحْلَى مِنَ القَمَرِ.
نَبِيٌّ كَانَتْ يَدُهُ شِفَاءً، وَرِيقُهُ دَوَاءً.
نَبِيٌّ كَانَ أَعْلَمَ الخَلْقِ بِاللهِ، وَأَخْشَاهُمْ وَأَتْقَاهُمْ لِمَوْلَاهُ.
نَبِيٌّ يُصَلِّي عَلَيْهُ اللهُ تَعَالَى وَمَلَائِكَتُهُ بِلَا انْقِطَاعٍ، وَتُبَلِّغُهُ المَلَائِكَةُ سَلَامَ النَّاسِ عَلَيْهِ فِي كُلِّ طَرْفَةِ عَيْنٍ مِنْ جَمِيعِ الأَصْقَاعِ.
نَبِيٌّ أَقْسَمَ اللهُ تَعَالَى بِأَنَّ الآخِرَةَ خَيْرٌ لَهُ مِنَ الأُولَى، وَأَنَّ لَهُ أَنَّ رَبَّهُ سَوْفَ يُعْطِيهِ إِلَى أَنْ يَرْضَى.
نَبِيٌّ أَكْمَلَ اللهُ لَهُ الدِّينَ، وَأَتَمَّ عَلَيْهِ النِّعْمَةَ، وَجَعَلَ أَتْبَاعَهُ خَيْرَ أُمَّةٍ.
نَبِيٌّ اصْطَفَاهُ اللهُ تَعَالَى وَاجْتَبَاهُ، وَعَصَمَهُ وَطَهَّرَهُ وَآوَاهُ، وَأَيَّدَهُ وَكَفَاهُ، وَنَصَرَهُ فِي كُلِّ مَوطِنٍ وَكَانَ مَوْلَاهُ.
كَيْفَ لَا، وَهُوَ صَاحِبُ المَقَامِ المَحْمُودِ، وَاللِّوَاءِ المَعْقُودِ، وَالحَوْضِ المَوْرُودِ.
এমন এক নবী, যাকে মহান আল্লাহ বিচার দিবসে সৃষ্টির আশ্রয়স্থল বানিয়েছেন এবং সকল রাসুলদের মধ্য থেকে তাকেই মহা সুপারিশের জন্য বিশিষ্ট করেছেন।
এমন এক নবী, যিনি বংশের বিচারে মানুষের মধ্যে পবিত্রতম, উপাদানের বিচারে শ্রেষ্ঠতম, মূলে সর্বোত্তম এবং শিষ্টাচারে মহানতম ছিলেন।
এমন এক নবী, যার বক্ষ আল্লাহ উন্মুক্ত করেছেন, যার আলোচনাকে উচ্চকিত করেছেন এবং যার মর্যাদাকে সমুন্নত করেছেন।
এমন এক নবী, যিনি সূর্যের চেয়েও উজ্জ্বল এবং চাঁদের চেয়েও সুন্দর ছিলেন।
এমন এক নবী, যার হাত ছিল আরোগ্য এবং যার লালা ছিল মহৌষধ।
এমন এক নবী, যিনি সৃষ্টির মধ্যে আল্লাহ সম্পর্কে সর্বাধিক জ্ঞানী এবং তাদের মধ্যে স্বীয় রবের প্রতি সর্বাধিক ভীত ও পরহেযগার ছিলেন।
এমন এক নবী, যার প্রতি মহান আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নিরবচ্ছিন্নভাবে দরূদ পাঠ করেন এবং ফেরেশতারা পৃথিবীর সকল প্রান্ত থেকে প্রতি পলকে মানুষের সালাম তাঁর কাছে পৌঁছে দেন।
এমন এক নবী, যার ব্যাপারে মহান আল্লাহ শপথ করেছেন যে, অবশ্যই তাঁর জন্য ইহকাল অপেক্ষা পরকাল শ্রেয় এবং শীঘ্রই তাঁর রব তাঁকে এত দান করবেন যে তিনি সন্তুষ্ট হয়ে যাবেন।
এমন এক নবী, যার জন্য আল্লাহ দ্বীনকে পূর্ণ করেছেন, তাঁর ওপর নিয়ামত সম্পূর্ণ করেছেন এবং তাঁর অনুসারীদের শ্রেষ্ঠ উম্মত বানিয়েছেন।
এমন এক নবী, যাকে মহান আল্লাহ চয়ন করেছেন ও নির্বাচিত করেছেন, তাঁকে সুরক্ষা দিয়েছেন, পবিত্র করেছেন ও আশ্রয় দান করেছেন, তাঁকে সাহায্য করেছেন ও তাঁর জন্য যথেষ্ট হয়েছেন এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে তাঁকে বিজয়ী করেছেন ও স্বয়ং তাঁর অভিভাবক হয়েছেন।
তা কেন হবে না? অথচ তিনিই তো মাকামে মাহমুদ (প্রশংসিত স্থান), সুসংবদ্ধ ঝাণ্ডা এবং সেই হাউযের (কাওসার) অধিকারী যেখানে সবাই সমবেত হবে।
এমন এক নবী, যিনি বংশের বিচারে মানুষের মধ্যে পবিত্রতম, উপাদানের বিচারে শ্রেষ্ঠতম, মূলে সর্বোত্তম এবং শিষ্টাচারে মহানতম ছিলেন।
এমন এক নবী, যার বক্ষ আল্লাহ উন্মুক্ত করেছেন, যার আলোচনাকে উচ্চকিত করেছেন এবং যার মর্যাদাকে সমুন্নত করেছেন।
এমন এক নবী, যিনি সূর্যের চেয়েও উজ্জ্বল এবং চাঁদের চেয়েও সুন্দর ছিলেন।
এমন এক নবী, যার হাত ছিল আরোগ্য এবং যার লালা ছিল মহৌষধ।
এমন এক নবী, যিনি সৃষ্টির মধ্যে আল্লাহ সম্পর্কে সর্বাধিক জ্ঞানী এবং তাদের মধ্যে স্বীয় রবের প্রতি সর্বাধিক ভীত ও পরহেযগার ছিলেন।
এমন এক নবী, যার প্রতি মহান আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নিরবচ্ছিন্নভাবে দরূদ পাঠ করেন এবং ফেরেশতারা পৃথিবীর সকল প্রান্ত থেকে প্রতি পলকে মানুষের সালাম তাঁর কাছে পৌঁছে দেন।
এমন এক নবী, যার ব্যাপারে মহান আল্লাহ শপথ করেছেন যে, অবশ্যই তাঁর জন্য ইহকাল অপেক্ষা পরকাল শ্রেয় এবং শীঘ্রই তাঁর রব তাঁকে এত দান করবেন যে তিনি সন্তুষ্ট হয়ে যাবেন।
এমন এক নবী, যার জন্য আল্লাহ দ্বীনকে পূর্ণ করেছেন, তাঁর ওপর নিয়ামত সম্পূর্ণ করেছেন এবং তাঁর অনুসারীদের শ্রেষ্ঠ উম্মত বানিয়েছেন।
এমন এক নবী, যাকে মহান আল্লাহ চয়ন করেছেন ও নির্বাচিত করেছেন, তাঁকে সুরক্ষা দিয়েছেন, পবিত্র করেছেন ও আশ্রয় দান করেছেন, তাঁকে সাহায্য করেছেন ও তাঁর জন্য যথেষ্ট হয়েছেন এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে তাঁকে বিজয়ী করেছেন ও স্বয়ং তাঁর অভিভাবক হয়েছেন।
তা কেন হবে না? অথচ তিনিই তো মাকামে মাহমুদ (প্রশংসিত স্থান), সুসংবদ্ধ ঝাণ্ডা এবং সেই হাউযের (কাওসার) অধিকারী যেখানে সবাই সমবেত হবে।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 10)