الفَصْلُ الثَّانِي
تَعْرِيفُ الأَجْزَاءِ الحَدِيثِيَّةِ
الجُزْءُ فِي اصْطِلَاحِ المُحَدِّثِيْنَ: هُوَ تَأْلِيفٌ يَجْمَعُ الأَحَادِيثَ المَرْوِيَّةَ عَنْ رَجُلٍ وَاحِدٍ، سَوَاءً كَانَ الرَّجُلُ مِنْ طَبَقَةِ الصَّحَابَةِ أَوْ مَنْ بَعْدَهُمْ: كَ «جُزْءِ حَدِيثِ أَبِي بَكْرٍ»، وَ «جُزْءِ حَدِيثِ مَالِكٍ».
كَمَا أَنَّ الجُزْءَ يُطْلَقُ عَلَى التَّأْلِيفِ الَّذِي يَدْرُسُ أَسَانِيدَ الحَدِيثِ الوَاحِدِ.
كَمَا أَنَّ الأَجْزَاءَ الحَدِيثِيَّةَ قَدْ تُوضَعُ فِي بَعْضِ المَوْضُوعَاتِ الجُزْئِيَّةِ، مِثْلَ «جُزْءِ القِرَاءَةِ خَلْفَ الإِمَامِ»، وَ «جُزْءِ بِرِّ الوَالِدَيْنِ»، لِلبُخَارِيِّ، وَ «الرِّحْلَةِ فِي طَلَبِ الحِدِيثِ»، لِلْخَطِيبِ البَغْدَادِيِّ.
وَقَدْ يُجْمَعُ فِي الجُزْءِ أَحَادِيثُ انْتَخَبَهَا المُؤَلِّفُ لِمَا لهَا وَقْعٌ فِي نَفْسِهِ، كَ «العُشَارِيَّاتِ»، وَ «الأَرْبَعِينَاتِ»، وَنَحْوِ ذَلِكَ.
وَيَتَفَاوَتُ حَجْمُ الأَجْزَاءِ مِنْ بِضْعِ أَوْرَاقٍ إِلَى العَشَرَاتِ، وَالغَالِبُ أَنْ تَكُونَ صَغِيرَةً، وَتَمْتَازُ بِإِبْرَازِ عِلْمِ الأَئِمَّةِ.
تَعْرِيفُ الأَجْزَاءِ الحَدِيثِيَّةِ
الجُزْءُ فِي اصْطِلَاحِ المُحَدِّثِيْنَ: هُوَ تَأْلِيفٌ يَجْمَعُ الأَحَادِيثَ المَرْوِيَّةَ عَنْ رَجُلٍ وَاحِدٍ، سَوَاءً كَانَ الرَّجُلُ مِنْ طَبَقَةِ الصَّحَابَةِ أَوْ مَنْ بَعْدَهُمْ: كَ «جُزْءِ حَدِيثِ أَبِي بَكْرٍ»، وَ «جُزْءِ حَدِيثِ مَالِكٍ».
كَمَا أَنَّ الجُزْءَ يُطْلَقُ عَلَى التَّأْلِيفِ الَّذِي يَدْرُسُ أَسَانِيدَ الحَدِيثِ الوَاحِدِ.
كَمَا أَنَّ الأَجْزَاءَ الحَدِيثِيَّةَ قَدْ تُوضَعُ فِي بَعْضِ المَوْضُوعَاتِ الجُزْئِيَّةِ، مِثْلَ «جُزْءِ القِرَاءَةِ خَلْفَ الإِمَامِ»، وَ «جُزْءِ بِرِّ الوَالِدَيْنِ»، لِلبُخَارِيِّ، وَ «الرِّحْلَةِ فِي طَلَبِ الحِدِيثِ»، لِلْخَطِيبِ البَغْدَادِيِّ.
وَقَدْ يُجْمَعُ فِي الجُزْءِ أَحَادِيثُ انْتَخَبَهَا المُؤَلِّفُ لِمَا لهَا وَقْعٌ فِي نَفْسِهِ، كَ «العُشَارِيَّاتِ»، وَ «الأَرْبَعِينَاتِ»، وَنَحْوِ ذَلِكَ.
وَيَتَفَاوَتُ حَجْمُ الأَجْزَاءِ مِنْ بِضْعِ أَوْرَاقٍ إِلَى العَشَرَاتِ، وَالغَالِبُ أَنْ تَكُونَ صَغِيرَةً، وَتَمْتَازُ بِإِبْرَازِ عِلْمِ الأَئِمَّةِ.
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
হাদিস সংক্রান্ত 'জুয' বা খণ্ডসমূহের সংজ্ঞা
মুহাদ্দিসগণের পরিভাষায় 'জুয' হলো এমন একটি সংকলন যা কেবল একজন ব্যক্তি থেকে বর্ণিত হাদিসসমূহকে একত্রিত করে, চাই সেই ব্যক্তি সাহাবীগণের স্তরের হোন কিংবা তাঁদের পরবর্তী স্তরের; যেমন— 'জুযউ হাদিসি আবি বকর' এবং 'জুযউ হাদিসি মালিক'।
একইভাবে, 'জুয' শব্দটি এমন সংকলনের ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয় যা কোনো একটি একক হাদিসের বিভিন্ন সনদ বা সূত্র নিয়ে পর্যালোচনা করে।
এছাড়াও হাদিস সংক্রান্ত এই খণ্ডগুলো বিশেষ কিছু আংশিক বিষয়ের ওপরও রচিত হতে পারে, যেমন— ইমাম বুখারীর 'জুযউল কিরাআতি খালফাল ইমাম' ও 'জুযউ বিররিল ওয়ালিদাইন' এবং খাতিব বাগদাদীর 'আর-রিহলাতু ফি তলাবিল হাদিস'।
কখনো কখনো একটি 'জুয'-এ এমন সব হাদিস সংকলিত হয় যা লেখক নিজের মনে বিশেষ প্রভাব ফেলার কারণে নির্বাচন করেছেন, যেমন— 'আল-উশারিয়াত', 'আল-আরবাঈনাত' এবং এই জাতীয় অন্যান্য সংকলন।
এই খণ্ডগুলোর কলেবর কয়েক পৃষ্ঠা থেকে শুরু করে কয়েক ডজন পৃষ্ঠা পর্যন্ত বিভিন্ন হতে পারে, তবে সাধারণত এগুলো ছোট আকারের হয়ে থাকে এবং এগুলো ইমামগণের ইলমি গভীরতা ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশেষত্ব রাখে।
হাদিস সংক্রান্ত 'জুয' বা খণ্ডসমূহের সংজ্ঞা
মুহাদ্দিসগণের পরিভাষায় 'জুয' হলো এমন একটি সংকলন যা কেবল একজন ব্যক্তি থেকে বর্ণিত হাদিসসমূহকে একত্রিত করে, চাই সেই ব্যক্তি সাহাবীগণের স্তরের হোন কিংবা তাঁদের পরবর্তী স্তরের; যেমন— 'জুযউ হাদিসি আবি বকর' এবং 'জুযউ হাদিসি মালিক'।
একইভাবে, 'জুয' শব্দটি এমন সংকলনের ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয় যা কোনো একটি একক হাদিসের বিভিন্ন সনদ বা সূত্র নিয়ে পর্যালোচনা করে।
এছাড়াও হাদিস সংক্রান্ত এই খণ্ডগুলো বিশেষ কিছু আংশিক বিষয়ের ওপরও রচিত হতে পারে, যেমন— ইমাম বুখারীর 'জুযউল কিরাআতি খালফাল ইমাম' ও 'জুযউ বিররিল ওয়ালিদাইন' এবং খাতিব বাগদাদীর 'আর-রিহলাতু ফি তলাবিল হাদিস'।
কখনো কখনো একটি 'জুয'-এ এমন সব হাদিস সংকলিত হয় যা লেখক নিজের মনে বিশেষ প্রভাব ফেলার কারণে নির্বাচন করেছেন, যেমন— 'আল-উশারিয়াত', 'আল-আরবাঈনাত' এবং এই জাতীয় অন্যান্য সংকলন।
এই খণ্ডগুলোর কলেবর কয়েক পৃষ্ঠা থেকে শুরু করে কয়েক ডজন পৃষ্ঠা পর্যন্ত বিভিন্ন হতে পারে, তবে সাধারণত এগুলো ছোট আকারের হয়ে থাকে এবং এগুলো ইমামগণের ইলমি গভীরতা ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশেষত্ব রাখে।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 39)