العلاقة بين المعنى اللغوي والشرعي:
أن التوسل لغة لا يخرج عن معنى التقرّب، أو ما يؤول إليه، وهو كذلك في الشرعي، ولكنه مقيّد فيما يحبه الله ويرضاه(1).
وقد جاء عن المتأخرين تعريفات مختلفة ومخالفة لمعنى التوسل الشرعي المذكور آنفًا، فما ذكرته هو معنى التوسل الشرعي الصحيح، وأما التوسل بالآثار فهو يدخل تحت معنى آخر بدعي وثالث شركي، وهما كالتالي:
1 الإقسام بالمتوسل به على الله جل جلاله(2)، بسؤال الله ودعائه بجاه نبيّه، أو بحق عبده الصالح، أو ببركة الصالحين، وهذا هو المراد بالتوسل البدعي الذي جاء عن المتأخرين.
2 التقرّب إلى الموتى، والتزلّف بهم إلى الله جل جلاله(3)، بطلب الدعاء، والتضرع، والشفاعة للمتوسل إليه(4)، واتخاذه وسيلة؛ لإجابة الدعاء، والاستعانة والاستغاثة بهم، ودعائهم رغبة ورهبة، والذبح لهم والنذر، وتعظيمهم بما لم يشرع في حق مخلوق(5)، وهذا هو المراد بالتوسل الشركي الصادر من عبّاد القبور.
* * *--------------------------------------------
(1) موسوعة العقيدة والأديان والفرق والمذاهب (2/ 815).
(2) يُنظر: قاعدة في الوسيلة، لشيخ الإسلام ابن تيمية (10).
(3) يُنظر: التوسل، لعلي أبو لوز (12).
(4) يُنظر: قاعدة في الوسيلة، لشيخ الإسلام ابن تيمية (10).
(5) يُنظر: منهاج التأسيس والتقديس في كشف شبهات داود بن جرجيس، لعبد اللطيف آل الشيخ (123).
أن التوسل لغة لا يخرج عن معنى التقرّب، أو ما يؤول إليه، وهو كذلك في الشرعي، ولكنه مقيّد فيما يحبه الله ويرضاه(1).
وقد جاء عن المتأخرين تعريفات مختلفة ومخالفة لمعنى التوسل الشرعي المذكور آنفًا، فما ذكرته هو معنى التوسل الشرعي الصحيح، وأما التوسل بالآثار فهو يدخل تحت معنى آخر بدعي وثالث شركي، وهما كالتالي:
1 الإقسام بالمتوسل به على الله جل جلاله(2)، بسؤال الله ودعائه بجاه نبيّه، أو بحق عبده الصالح، أو ببركة الصالحين، وهذا هو المراد بالتوسل البدعي الذي جاء عن المتأخرين.
2 التقرّب إلى الموتى، والتزلّف بهم إلى الله جل جلاله(3)، بطلب الدعاء، والتضرع، والشفاعة للمتوسل إليه(4)، واتخاذه وسيلة؛ لإجابة الدعاء، والاستعانة والاستغاثة بهم، ودعائهم رغبة ورهبة، والذبح لهم والنذر، وتعظيمهم بما لم يشرع في حق مخلوق(5)، وهذا هو المراد بالتوسل الشركي الصادر من عبّاد القبور.
* * *--------------------------------------------
(1) موسوعة العقيدة والأديان والفرق والمذاهب (2/ 815).
(2) يُنظر: قاعدة في الوسيلة، لشيخ الإسلام ابن تيمية (10).
(3) يُنظر: التوسل، لعلي أبو لوز (12).
(4) يُنظر: قاعدة في الوسيلة، لشيخ الإسلام ابن تيمية (10).
(5) يُنظر: منهاج التأسيس والتقديس في كشف شبهات داود بن جرجيس، لعبد اللطيف آل الشيخ (123).
আভিধানিক ও শরয়ি অর্থের মধ্যকার সম্পর্ক:
ভাষাগতভাবে তাওয়াসসুল (মাধ্যম গ্রহণ) নৈকট্য অর্জন করা বা যা এর দিকে ধাবিত করে সেই অর্থের বাইরে নয়। শরয়ি পরিভাষাতেও বিষয়টি তেমনই, তবে তা আল্লাহ যা ভালোবাসেন এবং যাতে তিনি সন্তুষ্ট হন তার সাথে সীমাবদ্ধ(১)।
পরবর্তী যুগের আলেমদের থেকে উপরে বর্ণিত শরয়ি তাওয়াসসুলের অর্থের বিপরীত ও ভিন্নতর বিভিন্ন সংজ্ঞা এসেছে। আমি যা উল্লেখ করেছি তা-ই হলো সঠিক শরয়ি তাওয়াসসুলের অর্থ। আর নিদর্শনাবলির মাধ্যমে তাওয়াসসুল করা অন্য দুটি প্রকারের অন্তর্ভুক্ত, যার একটি বিদআতি এবং অন্যটি শিরকি। সেগুলো নিম্নরূপ:
১. আল্লাহর নিকট যার মাধ্যমে তাওয়াসসুল করা হচ্ছে তার দোহাই বা কসম দেওয়া(২); যেমন আল্লাহর নিকট তাঁর নবীর সম্মানের (জাহ) উসিলায়, তাঁর কোনো নেককার বান্দার হকের উসিলায় অথবা নেককারদের বরকতের উসিলায় প্রার্থনা ও দোয়া করা। পরবর্তী যুগের আলেমদের বক্তব্যে বিদআতি তাওয়াসসুল বলতে এটিই উদ্দেশ্য।
২. মৃত ব্যক্তিদের মাধ্যমে নৈকট্য অন্বেষণ করা এবং তাদের মাধ্যমে মহান আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের চেষ্টা করা(৩); যেমন তাদের কাছে দোয়া, রোনাজারি এবং সুপারিশ প্রার্থনা করা(৪) এবং দোয়া কবুলের জন্য তাদের মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করা; এছাড়া তাদের কাছে সাহায্য প্রার্থনা ও উদ্ধার কামনা করা, ভয় ও আশা নিয়ে তাদের কাছে প্রার্থনা করা, তাদের নামে জবেহ ও মানত করা এবং কোনো সৃষ্টির ক্ষেত্রে যা বিধিবদ্ধ নয় এমনভাবে তাদের অতি-সম্মান প্রদর্শন করা(৫)। কবরপূজারীদের থেকে সংঘটিত শিরকি তাওয়াসসুল বলতে এটিই উদ্দেশ্য।
* * *--------------------------------------------
(১) মাওসুআতুল আকিদাহ ওয়াল আদইয়ান ওয়াল ফিরাক ওয়াল মাজাহিব (২/ ৮১৫)।
(২) দ্রষ্টব্য: কায়েদাতুন ফিল ওয়াসিলাহ, শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (১০)।
(৩) দ্রষ্টব্য: আত-তাওয়াসসুল, আলি আবু লুজ (১২)।
(৪) দ্রষ্টব্য: কায়েদাতুন ফিল ওয়াসিলাহ, শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (১০)।
(৫) দ্রষ্টব্য: মিনহাজুত তাসিস ওয়াত তাকদিস ফি কাশফি শুবুহাতি দাউদ ইবনে জারজিস, আব্দুল লতিফ আলুশ শায়খ (১২৩)।
ভাষাগতভাবে তাওয়াসসুল (মাধ্যম গ্রহণ) নৈকট্য অর্জন করা বা যা এর দিকে ধাবিত করে সেই অর্থের বাইরে নয়। শরয়ি পরিভাষাতেও বিষয়টি তেমনই, তবে তা আল্লাহ যা ভালোবাসেন এবং যাতে তিনি সন্তুষ্ট হন তার সাথে সীমাবদ্ধ(১)।
পরবর্তী যুগের আলেমদের থেকে উপরে বর্ণিত শরয়ি তাওয়াসসুলের অর্থের বিপরীত ও ভিন্নতর বিভিন্ন সংজ্ঞা এসেছে। আমি যা উল্লেখ করেছি তা-ই হলো সঠিক শরয়ি তাওয়াসসুলের অর্থ। আর নিদর্শনাবলির মাধ্যমে তাওয়াসসুল করা অন্য দুটি প্রকারের অন্তর্ভুক্ত, যার একটি বিদআতি এবং অন্যটি শিরকি। সেগুলো নিম্নরূপ:
১. আল্লাহর নিকট যার মাধ্যমে তাওয়াসসুল করা হচ্ছে তার দোহাই বা কসম দেওয়া(২); যেমন আল্লাহর নিকট তাঁর নবীর সম্মানের (জাহ) উসিলায়, তাঁর কোনো নেককার বান্দার হকের উসিলায় অথবা নেককারদের বরকতের উসিলায় প্রার্থনা ও দোয়া করা। পরবর্তী যুগের আলেমদের বক্তব্যে বিদআতি তাওয়াসসুল বলতে এটিই উদ্দেশ্য।
২. মৃত ব্যক্তিদের মাধ্যমে নৈকট্য অন্বেষণ করা এবং তাদের মাধ্যমে মহান আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের চেষ্টা করা(৩); যেমন তাদের কাছে দোয়া, রোনাজারি এবং সুপারিশ প্রার্থনা করা(৪) এবং দোয়া কবুলের জন্য তাদের মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করা; এছাড়া তাদের কাছে সাহায্য প্রার্থনা ও উদ্ধার কামনা করা, ভয় ও আশা নিয়ে তাদের কাছে প্রার্থনা করা, তাদের নামে জবেহ ও মানত করা এবং কোনো সৃষ্টির ক্ষেত্রে যা বিধিবদ্ধ নয় এমনভাবে তাদের অতি-সম্মান প্রদর্শন করা(৫)। কবরপূজারীদের থেকে সংঘটিত শিরকি তাওয়াসসুল বলতে এটিই উদ্দেশ্য।
* * *--------------------------------------------
(১) মাওসুআতুল আকিদাহ ওয়াল আদইয়ান ওয়াল ফিরাক ওয়াল মাজাহিব (২/ ৮১৫)।
(২) দ্রষ্টব্য: কায়েদাতুন ফিল ওয়াসিলাহ, শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (১০)।
(৩) দ্রষ্টব্য: আত-তাওয়াসসুল, আলি আবু লুজ (১২)।
(৪) দ্রষ্টব্য: কায়েদাতুন ফিল ওয়াসিলাহ, শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (১০)।
(৫) দ্রষ্টব্য: মিনহাজুত তাসিস ওয়াত তাকদিস ফি কাশফি শুবুহাতি দাউদ ইবনে জারজিস, আব্দুল লতিফ আলুশ শায়খ (১২৩)।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 505)