(الشرح)
الكلام على الباب في مسائل:
المسألة الأولى: تعريف الطيرة والتطير.
قال الراغب: «أصله التّفاؤل بالطَّيْرِ، ثمّ يُستَعمَلُ في كُلِّ ما يتفاءل به ويتشاءم»(1).
وفي سبب تسميتها قال الخطابي: إنما أخذت من اسم الطير، وذلك أن العرب كانت تتشاءم ببروح الطير إذا كانوا في سفر أو مسير(2).
المسألة الثانية: مناسبة ذكر التطيّر في كتاب التوحيد: أنَّ التطير فيه تعليق القلب بما يكون من أمور، وأنَّ ذلك علامة على خير أو شر، وهذا فيه منافاةٌ لكمال التوحيد الواجب، وفيه منافاةٌ لكمال التوكل على الله.
المسألة الثالثة: حكم التطيّر: الطيرة محرمة، وهي من الشرك، ولها حالتان:
1. تكون شركًا أكبر: إذا اعتقد أنَّ الطير أو غيره هو الذي يجلب النفع ويدفع الضر.
2. تكون شركًا أصغر: إذا اعتقد أنَّ هذا سبب، وأنَّ الله ربط النفع والضر بهذه الأسباب، فينهى عنه لما فيه مِنْ جعل الأسبابِ علامةَ خيرٍ أو شرٍّ، وهي لم ترد في الشرع.--------------------------------------------
(1) المفردات (ص: 528).
(2) معالم السنن (4/ 235).
الكلام على الباب في مسائل:
المسألة الأولى: تعريف الطيرة والتطير.
قال الراغب: «أصله التّفاؤل بالطَّيْرِ، ثمّ يُستَعمَلُ في كُلِّ ما يتفاءل به ويتشاءم»(1).
وفي سبب تسميتها قال الخطابي: إنما أخذت من اسم الطير، وذلك أن العرب كانت تتشاءم ببروح الطير إذا كانوا في سفر أو مسير(2).
المسألة الثانية: مناسبة ذكر التطيّر في كتاب التوحيد: أنَّ التطير فيه تعليق القلب بما يكون من أمور، وأنَّ ذلك علامة على خير أو شر، وهذا فيه منافاةٌ لكمال التوحيد الواجب، وفيه منافاةٌ لكمال التوكل على الله.
المسألة الثالثة: حكم التطيّر: الطيرة محرمة، وهي من الشرك، ولها حالتان:
1. تكون شركًا أكبر: إذا اعتقد أنَّ الطير أو غيره هو الذي يجلب النفع ويدفع الضر.
2. تكون شركًا أصغر: إذا اعتقد أنَّ هذا سبب، وأنَّ الله ربط النفع والضر بهذه الأسباب، فينهى عنه لما فيه مِنْ جعل الأسبابِ علامةَ خيرٍ أو شرٍّ، وهي لم ترد في الشرع.--------------------------------------------
(1) المفردات (ص: 528).
(2) معالم السنن (4/ 235).
(ব্যাখ্যা)
এই পরিচ্ছেদের আলোচনা কয়েকটি মাসআলার ওপর ভিত্তি করে:
প্রথম মাসআলা: তিয়ারা ও তাতাইয়ুর-এর সংজ্ঞা।
আর-রাগিব বলেন: «এর মূল উৎস হলো পাখি দেখে শুভাশুভ নির্ধারণ করা, অতঃপর এটি এমন সব বিষয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে থাকে যার মাধ্যমে শুভ বা অশুভ লক্ষণ গ্রহণ করা হয়»(১)।
এর নামকরণের কারণ সম্পর্কে আল-খাত্তাবি বলেন: এটি মূলত পাখির নাম থেকে গ্রহণ করা হয়েছে। এর কারণ হলো আরবরা যখন সফরে বা পথচলায় থাকত, তখন তারা পাখির উড্ডয়ন বা গতিবিধি দেখে অশুভ লক্ষণ গ্রহণ করত(২)।
দ্বিতীয় মাসআলা: কিতাবুত তাওহীদে তাতাইয়ুর (অশুভ লক্ষণ গ্রহণ) উল্লেখ করার প্রাসঙ্গিকতা: তাতাইয়ুর-এর মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ের সাথে অন্তরকে সংশ্লিষ্ট করা হয় এবং সেগুলোকে কল্যাণ বা অকল্যাণের চিহ্ন মনে করা হয়; আর এটি ওয়াজিব তাওহীদের পূর্ণতার পরিপন্থী এবং আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল বা ভরসার পূর্ণতারও পরিপন্থী।
তৃতীয় মাসআলা: তাতাইয়ুর-এর বিধান: তিয়ারা (অশুভ লক্ষণ গ্রহণ) হারাম এবং এটি শিরকের অন্তর্ভুক্ত। এর দু’টি অবস্থা রয়েছে:
১. এটি শিরকে আকবর (বড় শিরক) হবে: যদি কেউ বিশ্বাস করে যে, পাখি বা অন্য কোনো বস্তু নিজেই কল্যাণ বয়ে আনে এবং অকল্যাণ প্রতিহত করে।
২. এটি শিরকে আসগার (ছোট শিরক) হবে: যদি কেউ বিশ্বাস করে যে এটি কেবল একটি কারণ বা মাধ্যম, আর আল্লাহ তাআলাই এই কারণগুলোর সাথে কল্যাণ ও অকল্যাণকে সম্পৃক্ত করেছেন। এমতাবস্থায় এটি নিষিদ্ধ, কারণ এর মাধ্যমে এমন কিছুকে কল্যাণ বা অকল্যাণের আলামত হিসেবে গ্রহণ করা হয় যা শরীয়তে বর্ণিত হয়নি।--------------------------------------------
(১) আল-মুফরাদাত (পৃষ্ঠা: ৫২৮)।
(২) মাআলিমুস সুনান (৪/ ২৩৫)।
এই পরিচ্ছেদের আলোচনা কয়েকটি মাসআলার ওপর ভিত্তি করে:
প্রথম মাসআলা: তিয়ারা ও তাতাইয়ুর-এর সংজ্ঞা।
আর-রাগিব বলেন: «এর মূল উৎস হলো পাখি দেখে শুভাশুভ নির্ধারণ করা, অতঃপর এটি এমন সব বিষয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে থাকে যার মাধ্যমে শুভ বা অশুভ লক্ষণ গ্রহণ করা হয়»(১)।
এর নামকরণের কারণ সম্পর্কে আল-খাত্তাবি বলেন: এটি মূলত পাখির নাম থেকে গ্রহণ করা হয়েছে। এর কারণ হলো আরবরা যখন সফরে বা পথচলায় থাকত, তখন তারা পাখির উড্ডয়ন বা গতিবিধি দেখে অশুভ লক্ষণ গ্রহণ করত(২)।
দ্বিতীয় মাসআলা: কিতাবুত তাওহীদে তাতাইয়ুর (অশুভ লক্ষণ গ্রহণ) উল্লেখ করার প্রাসঙ্গিকতা: তাতাইয়ুর-এর মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ের সাথে অন্তরকে সংশ্লিষ্ট করা হয় এবং সেগুলোকে কল্যাণ বা অকল্যাণের চিহ্ন মনে করা হয়; আর এটি ওয়াজিব তাওহীদের পূর্ণতার পরিপন্থী এবং আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল বা ভরসার পূর্ণতারও পরিপন্থী।
তৃতীয় মাসআলা: তাতাইয়ুর-এর বিধান: তিয়ারা (অশুভ লক্ষণ গ্রহণ) হারাম এবং এটি শিরকের অন্তর্ভুক্ত। এর দু’টি অবস্থা রয়েছে:
১. এটি শিরকে আকবর (বড় শিরক) হবে: যদি কেউ বিশ্বাস করে যে, পাখি বা অন্য কোনো বস্তু নিজেই কল্যাণ বয়ে আনে এবং অকল্যাণ প্রতিহত করে।
২. এটি শিরকে আসগার (ছোট শিরক) হবে: যদি কেউ বিশ্বাস করে যে এটি কেবল একটি কারণ বা মাধ্যম, আর আল্লাহ তাআলাই এই কারণগুলোর সাথে কল্যাণ ও অকল্যাণকে সম্পৃক্ত করেছেন। এমতাবস্থায় এটি নিষিদ্ধ, কারণ এর মাধ্যমে এমন কিছুকে কল্যাণ বা অকল্যাণের আলামত হিসেবে গ্রহণ করা হয় যা শরীয়তে বর্ণিত হয়নি।--------------------------------------------
(১) আল-মুফরাদাত (পৃষ্ঠা: ৫২৮)।
(২) মাআলিমুস সুনান (৪/ ২৩৫)।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 284)