3) عن حفصة رضي الله عنها: «أَنَّهَا أَمَرَتْ بِقَتْلِ جَارِيَةٍ لَهَا سَحَرَتْهَا، فَقُتِلَتْ» ونُقِل عن أحمد رحمه الله قوله: «عن ثلاثة من أصحاب النبيّ صلى الله عليه وسلم».
وعلى هذا يقال: إذا ثبت أنَّه ساحرٌ يستخدم في سحره ما يَصدُق عليه أنَّه سحرُ تأثيرٍ لا تخييلٍ، فهو ساحرٌ يجب قتله، وهذا قول الجمهور، ونقل هذا عن عمر وعثمان وابن عمر.
القول الثاني: أنَّ الساحر لا يُقتَل بمجرد السحر، إلّا إن عمل في سحره ما يبلغ الكفر، وهذا مذهب الشافعي، نقله عنه غير واحد، منهم الترمذي في سننه(1).
والصواب: ما عليه الجمهور، والنصوص صريحةٌ في الأمر بقتله مطلقًا، ولو لم يَقتُل بسحره؛ لما فيه من الضرر على الناس.
ويقول أهل العلم: إنَّ الساحر إذا ثبت عليه السحر يُقتَلُ ولا يُستتاب؛ لأنَّه ربما كذب وأظهر التوبة وبقى على سحره.
* خلاصة الباب: أنَّ السحر حرام، يوقع الساحر في الكفر والقتل، ويوبق طالب السحر في العقوبة العظيمة.--------------------------------------------
(1) انظر: الأم، للشافعي (1/ 293)، سنن الترمذي (4/ 60).
وعلى هذا يقال: إذا ثبت أنَّه ساحرٌ يستخدم في سحره ما يَصدُق عليه أنَّه سحرُ تأثيرٍ لا تخييلٍ، فهو ساحرٌ يجب قتله، وهذا قول الجمهور، ونقل هذا عن عمر وعثمان وابن عمر.
القول الثاني: أنَّ الساحر لا يُقتَل بمجرد السحر، إلّا إن عمل في سحره ما يبلغ الكفر، وهذا مذهب الشافعي، نقله عنه غير واحد، منهم الترمذي في سننه(1).
والصواب: ما عليه الجمهور، والنصوص صريحةٌ في الأمر بقتله مطلقًا، ولو لم يَقتُل بسحره؛ لما فيه من الضرر على الناس.
ويقول أهل العلم: إنَّ الساحر إذا ثبت عليه السحر يُقتَلُ ولا يُستتاب؛ لأنَّه ربما كذب وأظهر التوبة وبقى على سحره.
* خلاصة الباب: أنَّ السحر حرام، يوقع الساحر في الكفر والقتل، ويوبق طالب السحر في العقوبة العظيمة.--------------------------------------------
(1) انظر: الأم، للشافعي (1/ 293)، سنن الترمذي (4/ 60).
৩) হাফসা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত: «তিনি তাঁর এক দাসীকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন যে তাকে জাদু করেছিল, অতঃপর তাকে হত্যা করা হলো» এবং ইমাম আহমাদ (রাহিমাহুল্লাহ) থেকে তাঁর এই উক্তিটি বর্ণিত হয়েছে: «নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর তিনজন সাহাবী থেকে এটি বর্ণিত হয়েছে»।
এর ওপর ভিত্তি করে বলা হয়: যদি প্রমাণিত হয় যে সে একজন জাদুকর যে তার জাদুতে এমন কিছু ব্যবহার করে যা কেবল অলীক কল্পনা নয় বরং প্রকৃত প্রভাব বিস্তারকারী জাদু হিসেবে গণ্য হয়, তবে সে এমন এক জাদুকর যাকে হত্যা করা ওয়াজিব। এটি জমহুর বা সংখ্যাগরিষ্ঠ ওলামায়ে কেরামের অভিমত, এবং এটি ওমর, ওসমান ও ইবনে ওমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) থেকে বর্ণিত হয়েছে।
দ্বিতীয় মত: কেবল জাদুর কারণে জাদুকরকে হত্যা করা যাবে না, যতক্ষণ না সে তার জাদুতে এমন কোনো কাজ করে যা কুফরি পর্যন্ত পৌঁছায়। এটি ইমাম শাফেঈর মাজহাব; একাধিক ব্যক্তি তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, যাদের মধ্যে ইমাম তিরমিজি তাঁর সুনান গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন(১)।
আর সঠিক মত হলো সেটিই যার ওপর জমহুর বা সংখ্যাগরিষ্ঠ আলেমগণ রয়েছেন। কারণ দলিলসমূহ জাদুকরকে নিঃশর্তভাবে হত্যা করার নির্দেশের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট, যদিও সে তার জাদুর মাধ্যমে কাউকে হত্যা না-ও করে থাকে; কারণ এর মধ্যে মানুষের জন্য ব্যাপক ক্ষতি নিহিত রয়েছে।
আলেমগণ বলেন: জাদুকরের বিরুদ্ধে যদি জাদু প্রমাণিত হয়, তবে তাকে হত্যা করা হবে এবং তওবা করার সুযোগ দেওয়া হবে না (অর্থাৎ তওবা চাওয়া হবে না); কারণ সম্ভবত সে মিথ্যা বলবে এবং বাহ্যিকভাবে তওবা প্রকাশ করে গোপনে জাদুর ওপরই অটল থাকবে।
* অধ্যায়ের সারসংক্ষেপ: জাদু হারাম, যা জাদুকরকে কুফরি ও মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয় এবং জাদুর অন্বেষণকারীকে ভয়াবহ শাস্তির গহ্বরে নিপতিত করে।--------------------------------------------
(১) দেখুন: আল-উম্ম, শাফেঈ (১/ ২৯৩), সুনানুত তিরমিজি (৪/ ৬০)।
এর ওপর ভিত্তি করে বলা হয়: যদি প্রমাণিত হয় যে সে একজন জাদুকর যে তার জাদুতে এমন কিছু ব্যবহার করে যা কেবল অলীক কল্পনা নয় বরং প্রকৃত প্রভাব বিস্তারকারী জাদু হিসেবে গণ্য হয়, তবে সে এমন এক জাদুকর যাকে হত্যা করা ওয়াজিব। এটি জমহুর বা সংখ্যাগরিষ্ঠ ওলামায়ে কেরামের অভিমত, এবং এটি ওমর, ওসমান ও ইবনে ওমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) থেকে বর্ণিত হয়েছে।
দ্বিতীয় মত: কেবল জাদুর কারণে জাদুকরকে হত্যা করা যাবে না, যতক্ষণ না সে তার জাদুতে এমন কোনো কাজ করে যা কুফরি পর্যন্ত পৌঁছায়। এটি ইমাম শাফেঈর মাজহাব; একাধিক ব্যক্তি তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, যাদের মধ্যে ইমাম তিরমিজি তাঁর সুনান গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন(১)।
আর সঠিক মত হলো সেটিই যার ওপর জমহুর বা সংখ্যাগরিষ্ঠ আলেমগণ রয়েছেন। কারণ দলিলসমূহ জাদুকরকে নিঃশর্তভাবে হত্যা করার নির্দেশের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট, যদিও সে তার জাদুর মাধ্যমে কাউকে হত্যা না-ও করে থাকে; কারণ এর মধ্যে মানুষের জন্য ব্যাপক ক্ষতি নিহিত রয়েছে।
আলেমগণ বলেন: জাদুকরের বিরুদ্ধে যদি জাদু প্রমাণিত হয়, তবে তাকে হত্যা করা হবে এবং তওবা করার সুযোগ দেওয়া হবে না (অর্থাৎ তওবা চাওয়া হবে না); কারণ সম্ভবত সে মিথ্যা বলবে এবং বাহ্যিকভাবে তওবা প্রকাশ করে গোপনে জাদুর ওপরই অটল থাকবে।
* অধ্যায়ের সারসংক্ষেপ: জাদু হারাম, যা জাদুকরকে কুফরি ও মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয় এবং জাদুর অন্বেষণকারীকে ভয়াবহ শাস্তির গহ্বরে নিপতিত করে।--------------------------------------------
(১) দেখুন: আল-উম্ম, শাফেঈ (১/ ২৯৩), সুনানুত তিরমিজি (৪/ ৬০)।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 263)