اللفظ والملفوظ
هذه المسألة ترد في كتب العقائد، وهي من المسائل الحادثة، وتعرف بمسألة: اللفظ.
وإليك شيئاً من البسط في هذه المسألة:
أولاً: ما المراد بمسألة اللفظ، والملفوظ: المراد بها: هل اللفظ بالقرآن مخلوق، أو غير مخلوق؟
ثانياً: من أول من تكلم بها: أول من تكلم بها حسين الكرابيسي، وتلميذه داود الأصبهاني زمن الإمام أحمد؛ فهذان هما اللذان قالا: لفظنا بالقرآن مخلوق، وقد عرفوا باللفظية.
ثم عارضهم طائفة من أهل السنة والحديث؛ فقالوا: لفظنا بالقرآن غير مخلوق.
ثالثاً: هل يصح أن يقال: اللفظ بالقرآن مخلوق؟ أو غير مخلوق؟
الجواب أن يقال: إن إطلاق هذا القول نفياً أو إثباتاً غير صحيح؛ ولهذا فإن الإمام أحمد، وجمهور أهل السنة منعوا هذين الإطلاقين، وقالوا: من قال: لفظي بالقرآن مخلوق فهو جهمي، ومن قال: غير مخلوق فهو مبتدع.
والسبب في تخطئة الإمام أحمد وجمهور أهل السنة لهذين الإطلاقين هو ما فيهما من الإيهام، والإجمال، والاحتمال.
رابعاً: ما القول الحق في هذه المسألة؟ : القول الحق أن يستفصل عن المراد بها؛ فيقال: إن أريد باللفظِ: التلفظُ الذي هو فعل العبد فهو مخلوق؛ لأن العبد وفعله مخلوقان، قال الله _عز وجل_: {وَاللَّهُ خَلَقَكُمْ وَمَا تَعْمَلُونَ} .
هذه المسألة ترد في كتب العقائد، وهي من المسائل الحادثة، وتعرف بمسألة: اللفظ.
وإليك شيئاً من البسط في هذه المسألة:
أولاً: ما المراد بمسألة اللفظ، والملفوظ: المراد بها: هل اللفظ بالقرآن مخلوق، أو غير مخلوق؟
ثانياً: من أول من تكلم بها: أول من تكلم بها حسين الكرابيسي، وتلميذه داود الأصبهاني زمن الإمام أحمد؛ فهذان هما اللذان قالا: لفظنا بالقرآن مخلوق، وقد عرفوا باللفظية.
ثم عارضهم طائفة من أهل السنة والحديث؛ فقالوا: لفظنا بالقرآن غير مخلوق.
ثالثاً: هل يصح أن يقال: اللفظ بالقرآن مخلوق؟ أو غير مخلوق؟
الجواب أن يقال: إن إطلاق هذا القول نفياً أو إثباتاً غير صحيح؛ ولهذا فإن الإمام أحمد، وجمهور أهل السنة منعوا هذين الإطلاقين، وقالوا: من قال: لفظي بالقرآن مخلوق فهو جهمي، ومن قال: غير مخلوق فهو مبتدع.
والسبب في تخطئة الإمام أحمد وجمهور أهل السنة لهذين الإطلاقين هو ما فيهما من الإيهام، والإجمال، والاحتمال.
رابعاً: ما القول الحق في هذه المسألة؟ : القول الحق أن يستفصل عن المراد بها؛ فيقال: إن أريد باللفظِ: التلفظُ الذي هو فعل العبد فهو مخلوق؛ لأن العبد وفعله مخلوقان، قال الله _عز وجل_: {وَاللَّهُ خَلَقَكُمْ وَمَا تَعْمَلُونَ} .
শব্দোচ্চারণ এবং উচ্চারিত বিষয়
এই বিষয়টি আকিদাহর কিতাবসমূহে উল্লেখ করা হয় এবং এটি একটি নবউদ্ভূত মাসআলা। এটি 'শব্দোচ্চারণ' (আল-লফজ) সংক্রান্ত মাসআলা নামে পরিচিত।
নিচে এই মাসআলাটি নিয়ে কিছুটা বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
প্রথমত: শব্দোচ্চারণ এবং উচ্চারিত বিষয় সংক্রান্ত মাসআলাটির উদ্দেশ্য কী? এর উদ্দেশ্য হলো: কুরআনের শব্দোচ্চারণ কি সৃষ্টি, নাকি সৃষ্টি নয়?
দ্বিতীয়ত: সর্বপ্রথম কে এই বিষয়ে কথা বলেছিলেন: ইমাম আহমাদ রহ.-এর যুগে সর্বপ্রথম হুসাইন আল-কারাবিসি এবং তার ছাত্র দাউদ আল-আসফাহানি এই বিষয়ে কথা বলেন। তারা দুজনই বলেছিলেন: "আমাদের কুরআনের শব্দোচ্চারণ সৃষ্টি।" তাদের 'লাফজিয়্যাহ' (শব্দোচ্চারণবাদী) বলা হয়।
অতঃপর আহলুস সুন্নাহ ও আহলুল হাদিসের একটি দল তাদের বিরোধিতা করে বলেন: "আমাদের কুরআনের শব্দোচ্চারণ সৃষ্টি নয়।"
তৃতীয়ত: কুরআনের শব্দোচ্চারণ সৃষ্টি অথবা সৃষ্টি নয়—একথা বলা কি সঠিক?
উত্তর হলো: না-সূচক বা হাঁ-সূচক কোনোভাবেই এই কথাটি ঢালাওভাবে বলা সঠিক নয়। এজন্যই ইমাম আহমাদ এবং আহলুস সুন্নাহর অধিকাংশ আলেম এই দুইভাবে ঢালাও বলা থেকে নিষেধ করেছেন। তারা বলেছেন: "যে ব্যক্তি বলে, 'কুরআনের প্রতি আমার শব্দোচ্চারণ সৃষ্টি', সে একজন জাহমি। আর যে বলে, 'তা সৃষ্টি নয়', সে একজন বিদআতি।"
ইমাম আহমাদ এবং জমহুর আহলুস সুন্নাহ কর্তৃক এই দুই প্রকার ঢালাও উক্তিকে ভুল সাব্যস্ত করার কারণ হলো এর মধ্যে বিদ্যমান অস্পষ্টতা, সংক্ষিপ্ততা এবং একাধিক অর্থের সম্ভাবনা।
চতুর্থত: এই বিষয়ে সঠিক অভিমত কী? সঠিক অভিমত হলো এর উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা। তাই বলা হবে: যদি 'লফজ' বা শব্দোচ্চারণ দ্বারা 'উচ্চারণ করার কাজ' বোঝানো হয় যা বান্দার একটি কাজ, তবে তা সৃষ্টি। কেননা বান্দা এবং তার কাজ উভয়ই সৃষ্টি। মহান আল্লাহ বলেছেন: "আল্লাহ তোমাদেরকে এবং তোমরা যা করো (তোমাদের কাজ) তাকেও সৃষ্টি করেছেন।"
এই বিষয়টি আকিদাহর কিতাবসমূহে উল্লেখ করা হয় এবং এটি একটি নবউদ্ভূত মাসআলা। এটি 'শব্দোচ্চারণ' (আল-লফজ) সংক্রান্ত মাসআলা নামে পরিচিত।
নিচে এই মাসআলাটি নিয়ে কিছুটা বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
প্রথমত: শব্দোচ্চারণ এবং উচ্চারিত বিষয় সংক্রান্ত মাসআলাটির উদ্দেশ্য কী? এর উদ্দেশ্য হলো: কুরআনের শব্দোচ্চারণ কি সৃষ্টি, নাকি সৃষ্টি নয়?
দ্বিতীয়ত: সর্বপ্রথম কে এই বিষয়ে কথা বলেছিলেন: ইমাম আহমাদ রহ.-এর যুগে সর্বপ্রথম হুসাইন আল-কারাবিসি এবং তার ছাত্র দাউদ আল-আসফাহানি এই বিষয়ে কথা বলেন। তারা দুজনই বলেছিলেন: "আমাদের কুরআনের শব্দোচ্চারণ সৃষ্টি।" তাদের 'লাফজিয়্যাহ' (শব্দোচ্চারণবাদী) বলা হয়।
অতঃপর আহলুস সুন্নাহ ও আহলুল হাদিসের একটি দল তাদের বিরোধিতা করে বলেন: "আমাদের কুরআনের শব্দোচ্চারণ সৃষ্টি নয়।"
তৃতীয়ত: কুরআনের শব্দোচ্চারণ সৃষ্টি অথবা সৃষ্টি নয়—একথা বলা কি সঠিক?
উত্তর হলো: না-সূচক বা হাঁ-সূচক কোনোভাবেই এই কথাটি ঢালাওভাবে বলা সঠিক নয়। এজন্যই ইমাম আহমাদ এবং আহলুস সুন্নাহর অধিকাংশ আলেম এই দুইভাবে ঢালাও বলা থেকে নিষেধ করেছেন। তারা বলেছেন: "যে ব্যক্তি বলে, 'কুরআনের প্রতি আমার শব্দোচ্চারণ সৃষ্টি', সে একজন জাহমি। আর যে বলে, 'তা সৃষ্টি নয়', সে একজন বিদআতি।"
ইমাম আহমাদ এবং জমহুর আহলুস সুন্নাহ কর্তৃক এই দুই প্রকার ঢালাও উক্তিকে ভুল সাব্যস্ত করার কারণ হলো এর মধ্যে বিদ্যমান অস্পষ্টতা, সংক্ষিপ্ততা এবং একাধিক অর্থের সম্ভাবনা।
চতুর্থত: এই বিষয়ে সঠিক অভিমত কী? সঠিক অভিমত হলো এর উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা। তাই বলা হবে: যদি 'লফজ' বা শব্দোচ্চারণ দ্বারা 'উচ্চারণ করার কাজ' বোঝানো হয় যা বান্দার একটি কাজ, তবে তা সৃষ্টি। কেননা বান্দা এবং তার কাজ উভয়ই সৃষ্টি। মহান আল্লাহ বলেছেন: "আল্লাহ তোমাদেরকে এবং তোমরা যা করো (তোমাদের কাজ) তাকেও সৃষ্টি করেছেন।"
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 77)