2 ـ أنهم يجعلون هذه الصفات حقيقية وليست مجازية.
3 ـ أنهم ينازعون في غيرها من الصفات كالمحبة والغضب.
4 ـ أنهم يجعلون هذه الصفات مجازاً، ويفسرونها بأحد تفسيرين:
أـ بالإرادة: فيقولون: المحبة هي إرادة الثواب، والغضب إرادة الانتقام وهكذا.
ب ـ بالإنعام والعقوبة: فيقولون: المحبة هي الإنعام، والغضب هو العقوبة.
* وباختصار فمذهبهم: أنهم يثبتون لله الأسماء مع سبع صفات فقط وهي (الحياة، والقدرة، والعلم، والكلام، والإرادة، والسمع، والبصر) .
وهذه الصفات يثبتونها حقيقة ويؤولون باقي الصفات.
وحقيقة صفة الكلام عندهم هي المعنى النفسي، لا الكلام الحقيقي المشتمل على الحرف والصوت.
ثالثاً ـ الرد على مذهب الأشاعرة:
يقال لهم: لا فرق بين ما نفيتموه من الرحمة والغضب والمحبة وغيرها وبين ما أثبتموه من الإرادة والكلام … فإن القول في أحدهما كالقول في الآخر، ويلزمكم أحد ثلاثة لوازم:
1 ـ أن تقولوا: إن إرادته مثل إرادة المخلوق فكذا المحبة وغيرها، فتقعوا في التمثيل.
2 ـ أن تنفوا الجميع فراراً من الوقوع في التمثيل فتقعوا في التعطيل.
3 ـ أن تقولوا فيما تثبتونه من الإرادة والكلام إنها ثابتة له كما تليق به كما أن للمخلوق إرادة تليق به، وحينئذٍ يلزمكم هذا في المحبة والغضب فتقولوا: له محبة كما تليق به، كما أن للمخلوق محبة تليق به وهكذا.
س3 ـ هل الأشاعرة من أهل السنة والجماعة أو لا؟
ج ـ اختلف في ذلك على قولين:
২ ـ তারা এই গুণাবলিকে প্রকৃত মনে করেন, রূপক নয়।
৩ ـ তারা অন্যান্য গুণাবলি যেমন ভালোবাসা এবং ক্রোধ নিয়ে বিতর্ক করেন।
৪ ـ তারা এই গুণাবলিকে রূপক সাব্যস্ত করেন এবং এগুলোর দুটি ব্যাখ্যার যেকোনো একটি প্রদান করেন:
ক— ইচ্ছার (ইরাদা) মাধ্যমে: তারা বলেন: ভালোবাসা হলো সওয়াব প্রদানের ইচ্ছা, আর ক্রোধ হলো প্রতিশোধ গ্রহণের ইচ্ছা এবং এভাবেই অন্যান্য ক্ষেত্রেও।
খ — অনুগ্রহ এবং শাস্তির মাধ্যমে: তারা বলেন: ভালোবাসা হলো অনুগ্রহ করা, আর ক্রোধ হলো শাস্তি প্রদান করা।
* সংক্ষেপে তাদের মাযহাব হলো: তারা আল্লাহর জন্য নামসমূহ সাব্যস্ত করার পাশাপাশি কেবল সাতটি গুণ সাব্যস্ত করেন, আর সেগুলো হলো: (জীবন, ক্ষমতা, জ্ঞান, কথা বলা, ইচ্ছা, শ্রবণ এবং দর্শন)।
এই গুণাবলিকে তারা প্রকৃত অর্থে সাব্যস্ত করেন এবং অবশিষ্ট গুণাবলির অপব্যাখ্যা করেন।
তাদের নিকট কথা বলার গুণের প্রকৃত রূপ হলো ‘মানাউল নাফসি’ (মনে থাকা অর্থ), অক্ষর ও শব্দ সম্বলিত প্রকৃত কথা বলা নয়।
তৃতীয়ত — আশআরি মাযহাবের খণ্ডন:
তাদের বলা হবে: তোমরা রহমত, ক্রোধ, ভালোবাসা এবং অন্যান্য যেসকল গুণ অস্বীকার করেছ, আর ইচ্ছা ও কথা বলার যে গুণগুলো সাব্যস্ত করেছ—এই দুয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই … কেননা একটির ব্যাপারে বক্তব্য যা, অপরটির ব্যাপারেও বক্তব্য তাই। আর তোমাদের জন্য তিনটি পরিণতির যেকোনো একটি মেনে নেওয়া আবশ্যক হয়ে পড়বে:
১ ـ তোমরা যদি বলো: তাঁর ইচ্ছা সৃষ্টির ইচ্ছার মতো, তবে ভালোবাসা ও অন্যান্য গুণের ক্ষেত্রেও তাই বলতে হবে; ফলে তোমরা সাদৃশ্য স্থাপনের অন্তর্ভুক্ত হবে।
২ ـ অথবা সাদৃশ্য স্থাপন থেকে বাঁচতে তোমরা সব গুণকেই অস্বীকার করবে; ফলে তোমরা গুণহীন করার অন্তর্ভুক্ত হবে।
৩ ـ অথবা তোমরা তোমাদের সাব্যস্তকৃত ইচ্ছা ও কথা বলার ক্ষেত্রে যেমনটা বলো যে, এগুলো আল্লাহর জন্য সেভাবেই সাব্যস্ত যেভাবে তাঁর শানের সাথে মানানসই, যেমনটা সৃষ্টির জন্য তার উপযোগী ইচ্ছা রয়েছে; এমতাবস্থায় ভালোবাসা ও ক্রোধের ক্ষেত্রেও তোমাদের একই কথা বলা আবশ্যক হবে। তখন তোমরা বলবে: আল্লাহর ভালোবাসা রয়েছে তাঁর শানের সাথে মানানসইভাবে, যেমনটা সৃষ্টির জন্য তার উপযোগী ভালোবাসা রয়েছে এবং এভাবেই অন্যান্য সব গুণের ক্ষেত্রে।
প্রশ্ন ৩ — আশআরিরা কি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের অন্তর্ভুক্ত নাকি নয়?
উত্তর — এই বিষয়ে মতভেদ রয়েছে এবং দুটি অভিমত পাওয়া যায়:

(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 159)