1 ـ القياس الاقتراني: (ويسمى أيضاً قياس الشمول)، وهو: ما كانت النتيجة فيه مستخلصة من المقدمات، عن طريق العقل.
فالنتيجة ليست موجودة بصورتها؛ بل بمادتها، وسمي اقترانياً لاقتران حدود القياس فيه.
ومثاله: كل عصفور طائر، ولا طائر ذو أذن؛ إذن: لا عصفور ذو أذن(1).
2 ـ القياس الاستثنائي، وهو: ما كان عين النتيجة، أو نقيضها، مذكوراً في مقدماته بالفعل.
وسمي استثنائياً لاشتماله على حرف الاستثناء ((لكن))، ومثاله:
إذا أمطرت السماء، ابتلت الأرض، لكن الأرض غير مبتلة، فالسماء غير ممطرة(2).
هذا القياس عند المناطقة، أما القياس الذي يستعمله الأصوليون فيسمى القياس التمثيلي، وهو الذي يسميه المتكلمون بقياس الشاهد على الغائب.
وهو: إثبات حكمٍ واحدٍ في جزئي؛ لثبوته في جزئي آخر؛ لمعنى مشترك بينهما.
ومثاله، قياس النبيذ على الخمر في تحريم شربهما؛ لاشتراكهما في علة--------------------------------------------
(1) المصدر السابق ص (241 - 242).
وعرَّفه شيخ الإسلام بأنه: ((انتقال الذهن من المعيَّن، على المعنى العام المشترك الكلي المتناول له ولغيره، والحكم عليه بما يلزم المشترك الكلي، بأن ينتقل من ذلك الكلي اللازم إلى الملزوم الأول، وهو المعيَّن.
فهو انتقال من خاص إلى عام، ثم انتقال من ذلك العام إلى الخاص، من جزئي إلى كلي، ثم من ذلك الكلي إلى الجزئي الأول، فيحكم عليه بذلك الكلي))، مجموع الفتاوى (9/ 119).
(2) طرق الاستدلال ومقدماتها ص (242).
১ — ইকতিরানি কিয়াস: (একে কিয়াসুশ শুমুল বা অন্তর্ভুক্তিমূলক কিয়াসও বলা হয়), এটি হলো: যার সিদ্ধান্ত বুদ্ধিবৃত্তিক উপায়ে প্রস্তাবনা (মুকাদ্দিমাহ) থেকে আহরিত হয়।
এতে সিদ্ধান্তটি তার বাহ্যিকরূপে বিদ্যমান থাকে না; বরং থাকে এর উপাদানের মধ্যে। আর একে ‘ইকতিরানি’ (সংযুক্ত) বলা হয় কারণ এতে কিয়াসের সীমা বা পদগুলো একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে।
এর উদাহরণ: প্রতিটি চড়ুই পাখি একটি উড়ন্ত প্রাণী, এবং কোনো উড়ন্ত প্রাণী কানবিশিষ্ট নয়; সুতরাং: কোনো চড়ুই পাখি কানবিশিষ্ট নয়(১)।
২ — ইসতিসনায়ি কিয়াস: এটি হলো এমন কিয়াস যার সিদ্ধান্ত অথবা এর বিপরীত বিষয়টি তার প্রস্তাবনাসমূহের মধ্যে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে।
একে ‘ইসতিসনায়ি’ (ব্যতিক্রমসূচক) বলা হয় কারণ এতে ব্যতিক্রমসূচক অব্যয় ‘কিন্তু’ (লাকিন) অন্তর্ভুক্ত থাকে। এর উদাহরণ:
যদি আকাশ থেকে বৃষ্টি পড়ে, তবে জমিন ভিজে যায়, কিন্তু জমিন ভেজা নয়, সুতরাং আকাশ থেকে বৃষ্টি পড়ছে না(২)।
তর্কবিদদের (মানতিকবিদ) পরিভাষায় এটিই হলো কিয়াস। পক্ষান্তরে উসুলবিদগণ (মূলনীতিবিদ) যে কিয়াস ব্যবহার করেন তাকে ‘কিয়াসুত তামসিলি’ (সাদৃশ্যমূলক কিয়াস) বলা হয়। আর একেই মুতাকাল্লিমগণ ‘দৃশ্যমানের মাধ্যমে অদৃশ্যের কিয়াস’ (কিয়াসুশ শাহিদি আলাল গায়িব) বলে অভিহিত করেন।
এটি হলো: কোনো একটি অভিন্ন কারণ বা অর্থের (ইল্লাত) উপস্থিতির কারণে একটি আংশিক বা বিশেষ বিষয়ে সাব্যস্ত হওয়া হুকুমকে অন্য একটি আংশিক বা বিশেষ বিষয়ে সাব্যস্ত করা।
এর উদাহরণ হলো: মদ পানের হারামে (নিষিদ্ধতায়) নাবিযকে মদের ওপর কিয়াস করা; যেহেতু উভয়ের মধ্যে (নেশাগ্রস্ততার) অভিন্ন কারণ বিদ্যমান।--------------------------------------------
(১) পূর্বোক্ত উৎস, পৃষ্ঠা (২৪১ - ২৪২)।
শাইখুল ইসলাম একে সংজ্ঞায়িত করেছেন এভাবে: “মন যখন কোনো নির্দিষ্ট বিষয় থেকে এমন এক সাধারণ, অংশীদারিত্বমূলক ও সামগ্রিক অর্থের দিকে ধাবিত হয় যা একে এবং অন্য বিষয়কেও অন্তর্ভুক্ত করে, এবং সেই সামগ্রিক অর্থটির ওপর সেই হুকুম আরোপ করে যা সেই সামগ্রিক বিষয়ের জন্য অপরিহার্য। এরপর মন সেই অপরিহার্য সামগ্রিক বিষয় থেকে প্রথম সেই আবশ্যকীয় নির্দিষ্ট বিষয়ের দিকে ফিরে আসে।
সুতরাং এটি বিশেষ থেকে সাধারণের দিকে এবং পুনরায় সেই সাধারণ থেকে বিশেষের দিকে গমনের নাম; অর্থাৎ আংশিক থেকে সামগ্রিকে এবং পুনরায় সেই সামগ্রিক থেকে প্রথম আংশিক বিষয়ের দিকে গমনের নাম, যার মাধ্যমে সেই সামগ্রিক বিষয়টি দিয়ে ওই আংশিক বিষয়ের ওপর হুকুম প্রদান করা হয়।” মাজমুউল ফাতাওয়া (৯/ ১১৯)।
(২) তুরুকুল ইসতিদলাল ওয়া মুকাদ্দিমাতুহা, পৃষ্ঠা (২৪২)।

(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 503)