استعمالاتها:
هذه قاعدةٌ جليلةٌ في "الردِّ والمناظرةِ".
وتستخدم في الرد على جميع الطوائف والفرق التي تقدِّسُ (العقل) وتقدمه على (النقل)،
ومضمونها: أن انتفاءَ مسألةٍ ما من دليلٍ معيَّن لا يستلزمُ انتفاءَ المدلول أي المسألةِ، بل إنَّ غاية أمرنا أن ننفي دليل المسألة من هذا الدليل المعين، ثم نثبتها من طرقٍ أخرى.
أمثلتها:
مثالٌ ذلك: لو كان الطريق الرئيس الذي يوصِل إلى مكةَ مغلق الآن، هل معناهُ أنه يمتنع الوصول إلى مكة؟
فالجواب: لا، لأنه يمكن الوصول إليها من طريق آخر.
مثال آخر: لو قال قائلٌ: الأكل من لحم الإبل لا ينقضُ الوضوء لأنَّ الإجماعَ لا يدل عليه، فنقول له: إن لم يثبت انتقاض الوضوء من لحم الإبل بدليل الإجماع فإنَّ (دليل السنة) قد أثبتت انتقاض الوضوء، فانتفاء الدليل المعين-الذي هو الإجماع- لا يستلزم انتفاء المدلول -وهو انتقاض وضوء من أكل رحم إبل عن طريق السنة-
فالخلاصةُ: أنه إذا انتفى أحدُ الدليلين ثبتَ المدلولُ بالدليل الآخر، فلو أبطلَ إثباتُ هذا الإثبات عن طريق العقلِ فإن النقلَ يقبله لأنه ثبت به.
ثانيًا: تقرير المصنف لهذه القاعدة في كتبه.
وقرر المصنف هذه المسألة في مواضع من كتبه، فقال: "فمن المعلوم أن الدليل يجب طرده، وهو ملزوم للمدلول عليه، فيلزم من ثبوت الدليل ثبوت المدلول عليه،
هذه قاعدةٌ جليلةٌ في "الردِّ والمناظرةِ".
وتستخدم في الرد على جميع الطوائف والفرق التي تقدِّسُ (العقل) وتقدمه على (النقل)،
ومضمونها: أن انتفاءَ مسألةٍ ما من دليلٍ معيَّن لا يستلزمُ انتفاءَ المدلول أي المسألةِ، بل إنَّ غاية أمرنا أن ننفي دليل المسألة من هذا الدليل المعين، ثم نثبتها من طرقٍ أخرى.
أمثلتها:
مثالٌ ذلك: لو كان الطريق الرئيس الذي يوصِل إلى مكةَ مغلق الآن، هل معناهُ أنه يمتنع الوصول إلى مكة؟
فالجواب: لا، لأنه يمكن الوصول إليها من طريق آخر.
مثال آخر: لو قال قائلٌ: الأكل من لحم الإبل لا ينقضُ الوضوء لأنَّ الإجماعَ لا يدل عليه، فنقول له: إن لم يثبت انتقاض الوضوء من لحم الإبل بدليل الإجماع فإنَّ (دليل السنة) قد أثبتت انتقاض الوضوء، فانتفاء الدليل المعين-الذي هو الإجماع- لا يستلزم انتفاء المدلول -وهو انتقاض وضوء من أكل رحم إبل عن طريق السنة-
فالخلاصةُ: أنه إذا انتفى أحدُ الدليلين ثبتَ المدلولُ بالدليل الآخر، فلو أبطلَ إثباتُ هذا الإثبات عن طريق العقلِ فإن النقلَ يقبله لأنه ثبت به.
ثانيًا: تقرير المصنف لهذه القاعدة في كتبه.
وقرر المصنف هذه المسألة في مواضع من كتبه، فقال: "فمن المعلوم أن الدليل يجب طرده، وهو ملزوم للمدلول عليه، فيلزم من ثبوت الدليل ثبوت المدلول عليه،
এর ব্যবহারসমূহ:
এটি ‘খণ্ডন ও বিতর্ক’ শাস্ত্রের একটি মহান মূলনীতি।
এটি ঐ সকল দল ও উপদলের খণ্ডনে ব্যবহৃত হয় যারা ‘আকল’ বা যুক্তিকে অতিমূল্যায়ন করে এবং ‘নকল’ বা ওহীর ওপর তাকে প্রাধান্য দেয়।
এর মূলকথা হলো: কোনো নির্দিষ্ট দলিল থেকে কোনো একটি বিষয়ের অনুপস্থিতি সেই ‘মাদলুল’ বা মূল বিষয়টি না থাকাকে আবশ্যক করে না; বরং আমাদের কাজ হলো কেবল ওই নির্দিষ্ট দলিল থেকে বিষয়টির দালিলিক ভিত্তি নাকচ করা, এরপর অন্য কোনো পন্থায় তা সাব্যস্ত করা।
এর উদাহরণসমূহ:
এর উদাহরণ হলো: মক্কায় যাওয়ার প্রধান রাস্তাটি যদি এখন বন্ধ থাকে, তবে এর অর্থ কি এই যে মক্কায় পৌঁছানো অসম্ভব?
উত্তর হলো: না, কারণ অন্য কোনো রাস্তা দিয়ে সেখানে পৌঁছানো সম্ভব।
অন্য একটি উদাহরণ: যদি কেউ বলে: উটের গোশত খাওয়া ওজু ভঙ্গ করে না, কারণ ‘ইজমা’ বা ঐকমত্যের দলিলে তা নেই; তখন আমরা তাকে বলব: যদি ইজমার দলিলের মাধ্যমে উটের গোশত খেলে ওজু ভঙ্গ হওয়া প্রমাণিত না-ও হয়, তবে ‘সুন্নাহর দলিল’ ওজু ভঙ্গ হওয়াকে সাব্যস্ত করেছে। সুতরাং নির্দিষ্ট একটি দলিলের—যা এখানে ইজমা—অনুপস্থিতি ‘মাদলুল’ বা বিষয়টি—অর্থাৎ সুন্নাহর মাধ্যমে সাব্যস্ত উটের গোশত খেলে ওজু ভঙ্গ হওয়া—অনুপস্থিত হওয়াকে আবশ্যক করে না।
সারকথা হলো: যদি দুটি দলিলের মধ্যে একটি অপসৃত হয়, তবে অন্য দলিলের মাধ্যমে বিষয়টি সাব্যস্ত হয়। সুতরাং যদি যুক্তির পথে কোনো বিষয় সাব্যস্ত করা বাতিল হয়ে যায়, তবে ‘নকল’ বা ওহী তা গ্রহণ করে, যেহেতু তার মাধ্যমে বিষয়টি সাব্যস্ত হয়েছে।
দ্বিতীয়ত: নিজ গ্রন্থাবলিতে এই মূলনীতি সম্পর্কে গ্রন্থকারের বর্ণনা।
গ্রন্থকার তাঁর কিতাবসমূহের বিভিন্ন স্থানে এই বিষয়টি সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি বলেছেন: "এটি সর্বজনবিদিত যে, দলিল অবশ্যই সুসংগত হতে হবে এবং এটি বিষয়ের (মাদলুল) জন্য অপরিহার্য; সুতরাং দলিল সাব্যস্ত হওয়ার দ্বারা বিষয়টি সাব্যস্ত হওয়া আবশ্যক হয়,"
এটি ‘খণ্ডন ও বিতর্ক’ শাস্ত্রের একটি মহান মূলনীতি।
এটি ঐ সকল দল ও উপদলের খণ্ডনে ব্যবহৃত হয় যারা ‘আকল’ বা যুক্তিকে অতিমূল্যায়ন করে এবং ‘নকল’ বা ওহীর ওপর তাকে প্রাধান্য দেয়।
এর মূলকথা হলো: কোনো নির্দিষ্ট দলিল থেকে কোনো একটি বিষয়ের অনুপস্থিতি সেই ‘মাদলুল’ বা মূল বিষয়টি না থাকাকে আবশ্যক করে না; বরং আমাদের কাজ হলো কেবল ওই নির্দিষ্ট দলিল থেকে বিষয়টির দালিলিক ভিত্তি নাকচ করা, এরপর অন্য কোনো পন্থায় তা সাব্যস্ত করা।
এর উদাহরণসমূহ:
এর উদাহরণ হলো: মক্কায় যাওয়ার প্রধান রাস্তাটি যদি এখন বন্ধ থাকে, তবে এর অর্থ কি এই যে মক্কায় পৌঁছানো অসম্ভব?
উত্তর হলো: না, কারণ অন্য কোনো রাস্তা দিয়ে সেখানে পৌঁছানো সম্ভব।
অন্য একটি উদাহরণ: যদি কেউ বলে: উটের গোশত খাওয়া ওজু ভঙ্গ করে না, কারণ ‘ইজমা’ বা ঐকমত্যের দলিলে তা নেই; তখন আমরা তাকে বলব: যদি ইজমার দলিলের মাধ্যমে উটের গোশত খেলে ওজু ভঙ্গ হওয়া প্রমাণিত না-ও হয়, তবে ‘সুন্নাহর দলিল’ ওজু ভঙ্গ হওয়াকে সাব্যস্ত করেছে। সুতরাং নির্দিষ্ট একটি দলিলের—যা এখানে ইজমা—অনুপস্থিতি ‘মাদলুল’ বা বিষয়টি—অর্থাৎ সুন্নাহর মাধ্যমে সাব্যস্ত উটের গোশত খেলে ওজু ভঙ্গ হওয়া—অনুপস্থিত হওয়াকে আবশ্যক করে না।
সারকথা হলো: যদি দুটি দলিলের মধ্যে একটি অপসৃত হয়, তবে অন্য দলিলের মাধ্যমে বিষয়টি সাব্যস্ত হয়। সুতরাং যদি যুক্তির পথে কোনো বিষয় সাব্যস্ত করা বাতিল হয়ে যায়, তবে ‘নকল’ বা ওহী তা গ্রহণ করে, যেহেতু তার মাধ্যমে বিষয়টি সাব্যস্ত হয়েছে।
দ্বিতীয়ত: নিজ গ্রন্থাবলিতে এই মূলনীতি সম্পর্কে গ্রন্থকারের বর্ণনা।
গ্রন্থকার তাঁর কিতাবসমূহের বিভিন্ন স্থানে এই বিষয়টি সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি বলেছেন: "এটি সর্বজনবিদিত যে, দলিল অবশ্যই সুসংগত হতে হবে এবং এটি বিষয়ের (মাদলুল) জন্য অপরিহার্য; সুতরাং দলিল সাব্যস্ত হওয়ার দ্বারা বিষয়টি সাব্যস্ত হওয়া আবশ্যক হয়,"
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 371)