‌‌المقصد الرابع: وجوه مخاطباته
قاعدة:
من شأن العرب أن تبتدئ الكلام أحيانًا على وجه الخبر عن غائب ثم تعود إلى الخبر عن المخاطب، والعكس. وتارةً تبتدئ الكلام على وجه الخبر عن المتكلم ثم تنتقل إلى الخبر عن الغائب والعكس. وأحيانًا تبتدئ الكلام على وجه الخبر عن المتكلم ثم تنتقل إلى الخبر عن المخاطب، كما تنتقل من خطاب الواحد، أو الاثنين، أو الجمع إلى خطاب الآخر، وتنتقل من الإخبار بالفعل المستقبل إلى الأمر، ومن الماضي إلى المضارع، والعكس.
قاعدة:
إذا كان سياق الآيات في أمور خاصة، وأراد الله أن يحكم عليها، وذلك الحكم لا يختص بها، بل يشملها وغيرها؛ جاء الله بالحكم العام.
قاعدة:
سبيل الواجبات الإتيان بالمصدر مرفوعًا، وسبيل المندوبات الإتيان به منصوبًا.
قاعدة:
العرب قد تعلق الأمر بزائل، والمراد التأبيد.
قاعدة:
قد يرد الخطاب بالشيء -في القرآن- على اعتقاد المخاطب دون ما في نفس الأمر.
قاعدة:
قد يرد الشيء منكرًا في القرآن؛ تعظيمًا له.
قاعدة:
من شأن العرب التعبير عن الماضي بالمضارع؛ لإفادة تصوير الحال الواقع عند حدوث الحدث.
قاعدة:
من شأن العرب أن تعبر بالماضي عن المستقبل؛ تنبيهًا على تحقق الوقوع.
قاعدة:
غير جائز أن تخاطب العرب في صفة شيء إلا بمثل ما تفهم عمن خاطبها.
قاعدة:
إذا دل تعالى على وجوب شيء في موضع، فإن ذلك يغني عن تكريره عند ذكر نظائره حتى يرد ما يغيره.
قاعدة:
العرب لا تمتنع خاصة في الأوقات أن تستعمل الوقت، وهي تريد بعضه.
চতুর্থ উদ্দেশ্য: সম্বোধনের ধরণসমূহ
নীতি:
এটি আরবদের রীতি যে, তারা কখনো অনুপস্থিত (غائب) ব্যক্তি সম্পর্কে সংবাদ দেওয়ার মাধ্যমে কথা শুরু করে, অতঃপর উপস্থিত সম্বোধিত (مخاطب) ব্যক্তি সম্পর্কে সংবাদ দেওয়ার দিকে ফিরে আসে, এবং এর বিপরীতটিও ঘটে। আবার কখনো বক্তা (متكلم) সম্পর্কে সংবাদ দেওয়ার মাধ্যমে কথা শুরু করে, অতঃপর অনুপস্থিত (غائب) ব্যক্তি সম্পর্কে সংবাদ দেওয়ার দিকে চলে যায় এবং এর বিপরীতটিও ঘটে। মাঝে মাঝে বক্তা (متكلم) সম্পর্কে সংবাদ দেওয়ার মাধ্যমে কথা শুরু করে এবং পরে সম্বোধিত (مخاطب) ব্যক্তি সম্পর্কে সংবাদ দেওয়ার দিকে চলে যায়। ঠিক তেমনিভাবে তারা একবচন (واحد), দ্বিবচন (اثنين) অথবা বহুবচনের (جمع) সম্বোধন থেকে অন্য সম্বোধনের দিকে স্থানান্তরিত হয়। আবার ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়া (فعل مستقبل) দ্বারা সংবাদ দেওয়া থেকে আদেশের (أمر) দিকে এবং অতীতকাল (ماضي) থেকে বর্তমান ও ভবিষ্যৎকালের (مضارع) দিকে স্থানান্তরিত হয়, এবং এর বিপরীতটিও ঘটে।
নীতি:
আয়াতের পূর্বাপর প্রসঙ্গ (سياق) যদি বিশেষ কোনো বিষয়ের ক্ষেত্রে হয় এবং আল্লাহ তার ওপর কোনো বিধান দিতে চান, আর সেই বিধানটি কেবল সেই বিষয়ের সাথে নির্দিষ্ট (خاص) না হয়ে বরং তাকেসহ অন্যান্য বিষয়কেও অন্তর্ভুক্ত করে, তবে আল্লাহ সাধারণ (عام) বিধান প্রদান করেন।
নীতি:
আবশ্যকীয় (واجب) বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে ক্রিয়ামূল (مصدر) পেশযুক্ত (مرفوع) অবস্থায় আসে এবং পছন্দনীয় (مندوب) বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে এটি জবরযুক্ত (منصوب) অবস্থায় আসে।
নীতি:
আরবরা কখনো কোনো আদেশকে অস্থায়ী বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট করে, অথচ উদ্দেশ্য থাকে চিরস্থায়ী করা।
নীতি:
কুরআনে কোনো বিষয়ে সম্বোধন অনেক সময় সম্বোধিত (مخاطব) ব্যক্তির বিশ্বাসের ভিত্তিতে হয়ে থাকে, প্রকৃত বাস্তবতার ভিত্তিতে নয়।
নীতি:
কুরআনে কোনো বিষয় অনির্দিষ্ট (منكر) হিসেবে আসতে পারে তাকে সম্মান প্রদর্শন করার জন্য।
নীতি:
এটি আরবদের রীতি যে, তারা অতীতকালকে (ماضي) বর্তমান ও ভবিষ্যৎকাল (مضارع) দ্বারা প্রকাশ করে; যেন ঘটনাটি ঘটার সময়ের বাস্তব অবস্থা চিত্রায়িত হয়।
নীতি:
এটি আরবদের রীতি যে, তারা ভবিষ্যৎকালকে (مستقبل) অতীতকাল (ماضي) দ্বারা প্রকাশ করে; যেন তা অবশ্যই সংঘটিত হওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত করা যায়।
নীতি:
আরবদের কাছে কোনো কিছুর গুণাবলি বর্ণনা করার ক্ষেত্রে এমন শব্দ ব্যবহার করা বৈধ নয় যা তারা বুঝতে পারে না।
নীতি:
আল্লাহ যখন কোনো স্থানে কোনো বিষয়ের আবশ্যকতা (وجوب) নির্দেশ করেন, তখন তার অনুরূপ বিষয়গুলো বর্ণনার সময় সেই নির্দেশের পুনরাবৃত্তি নিষ্প্রয়োজন, যতক্ষণ না এমন কিছু আসে যা একে পরিবর্তন করে দেয়।
নীতি:
আরবরা বিশেষ করে সময়ের ক্ষেত্রে পুরো সময়ের শব্দ ব্যবহার করতে দ্বিধা করে না, যদিও তারা সেই সময়ের কিয়দংশ উদ্দেশ্য করে থাকে।

(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 9)