الأصول المستفادة من هذه الأحاديث:
ونستطيع أن نستلخص من هذه الأحاديث وما في عناها أصولًا خمسة، نرجع إليها عند مناقشة الأقوال المنقولة عن قائليها في المراد من الأحرف السبعة، وترجيح بعضها على بعض، لتنتهي إلى القول الذي تطمئن إليه النفس، وهو القول الخالي من التعارض السالم من النقد والنقض.
الأصل الأول: الإلزام بقراءة القرآن على حرف واحد في أول العهد به أمر يَشُقُّ على هذه الأمة الأمية، وهم مختلفون في لغاتهم ولهجاتهم، غير مدرَّبين على أسلوبه ولحنه، وهو قمة في الفصاحة والبلاغة ودقة النظم، وجمال التعبير.
وفيهم الشيخ الكبير، والطفل الصغير، ففي إلزامهم بقراءته على حرف واحد حرج ومشقة، والشريعة الغراء مبنيةٌ على رفع الحرج ودفع المشقة.
الأصل الثاني: مبني على الأصل الأول، وهو أن المقصود من إنزال القرآن على سبعة أحرف هو التيسير على هذه الأمة في القراءة والفهم.
الأصل الثالث: أن الأمة كانت مخيرة في القراءة بأي حرف من هذه الأحرف السبعة، فكلها كافٍ شافٍ كما جاء في بعض الروايات.
الأصل الرابع: أن الصحابة كانوا يقرأون على وجوه مختلفة، بحسب ما تعلَّم كلٌّ منهم من رسول الله صلى الله عليه وسلم، حتى أنكر بعضهم على بعض قراءته، لعدم سماعها من رسول الله صلى الله عليه وسلم.
الأصل الخامس: أن الرسول صلى الله عليه وسلم قد أقرَّ كل قارئ على القراءة التي أقرأه إياها، على أنها جميعًا منَزَّلَةٌ من عند الله عز وجل.
فهذه الأصول الخمسة ينبغي أخذها في الاعتبار عند تقرير كلِّ قول من الأقوال الواردة في معنى الأحرف السبعة، بحيث يستنبط القول الصحيح على مقتضاها، فإن بعض الأقوال التي نقلها السيوطي في الإتقان وغيره، بعضها قد بَعُدَ عنها كل البعد، وبعضها قد انحرف عنها قليلًا، وبعضها قد اقترب منها ومشى في ضوئها، لكن لم يسلم من المعارض.
ونستطيع أن نستلخص من هذه الأحاديث وما في عناها أصولًا خمسة، نرجع إليها عند مناقشة الأقوال المنقولة عن قائليها في المراد من الأحرف السبعة، وترجيح بعضها على بعض، لتنتهي إلى القول الذي تطمئن إليه النفس، وهو القول الخالي من التعارض السالم من النقد والنقض.
الأصل الأول: الإلزام بقراءة القرآن على حرف واحد في أول العهد به أمر يَشُقُّ على هذه الأمة الأمية، وهم مختلفون في لغاتهم ولهجاتهم، غير مدرَّبين على أسلوبه ولحنه، وهو قمة في الفصاحة والبلاغة ودقة النظم، وجمال التعبير.
وفيهم الشيخ الكبير، والطفل الصغير، ففي إلزامهم بقراءته على حرف واحد حرج ومشقة، والشريعة الغراء مبنيةٌ على رفع الحرج ودفع المشقة.
الأصل الثاني: مبني على الأصل الأول، وهو أن المقصود من إنزال القرآن على سبعة أحرف هو التيسير على هذه الأمة في القراءة والفهم.
الأصل الثالث: أن الأمة كانت مخيرة في القراءة بأي حرف من هذه الأحرف السبعة، فكلها كافٍ شافٍ كما جاء في بعض الروايات.
الأصل الرابع: أن الصحابة كانوا يقرأون على وجوه مختلفة، بحسب ما تعلَّم كلٌّ منهم من رسول الله صلى الله عليه وسلم، حتى أنكر بعضهم على بعض قراءته، لعدم سماعها من رسول الله صلى الله عليه وسلم.
الأصل الخامس: أن الرسول صلى الله عليه وسلم قد أقرَّ كل قارئ على القراءة التي أقرأه إياها، على أنها جميعًا منَزَّلَةٌ من عند الله عز وجل.
فهذه الأصول الخمسة ينبغي أخذها في الاعتبار عند تقرير كلِّ قول من الأقوال الواردة في معنى الأحرف السبعة، بحيث يستنبط القول الصحيح على مقتضاها، فإن بعض الأقوال التي نقلها السيوطي في الإتقان وغيره، بعضها قد بَعُدَ عنها كل البعد، وبعضها قد انحرف عنها قليلًا، وبعضها قد اقترب منها ومشى في ضوئها، لكن لم يسلم من المعارض.
এই হাদিসসমূহ হতে প্রাপ্ত মূলনীতিসমূহ:
আমরা এই হাদিসসমূহ এবং সমজাতীয় অন্যান্য বর্ণনা থেকে পাঁচটি মূলনীতি নির্যাস হিসেবে গ্রহণ করতে পারি। 'সাবআতু আহরুফ' বা সাত হরফের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বর্ণিত বিভিন্ন অভিমত নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে এবং সেগুলোর মধ্যে প্রাধান্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে আমরা এই মূলনীতিগুলোর দিকেই প্রত্যাবর্তন করব, যাতে আমরা এমন একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যা অন্তরকে প্রশান্ত করে এবং যা স্ববিরোধিতা ও সমালোচনা হতে মুক্ত ও অকাট্য।
প্রথম মূলনীতি: ইসলামের শুরুর দিকে কুরআনকে কেবল একটি 'হরফ' বা পদ্ধতিতে তিলাওয়াত করতে বাধ্য করা এই উম্মি (নিরক্ষর) উম্মতের জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ছিল। তাদের ভাষা ও উপভাষা ছিল ভিন্ন ভিন্ন এবং কুরআনের অনন্য শৈলী ও সুরের সাথে তারা অভ্যস্ত ছিল না; অথচ কুরআন অলংকারশাস্ত্র, প্রাঞ্জলতা, বিন্যাসশৈলীর সূক্ষ্মতা এবং প্রকাশের সৌন্দর্যের দিক থেকে এক অনন্য উচ্চতায় আসীন।
তাদের মধ্যে বৃদ্ধ এবং শিশুও ছিল, তাই তাদের ওপর কেবল এক পদ্ধতিতে তিলাওয়াত আবশ্যক করা সংকীর্ণতা ও কষ্টের কারণ হতো। আর মহিমান্বিত শরিয়তের ভিত্তিই হলো সংকীর্ণতা দূর করা এবং কষ্ট লাঘব করা।
দ্বিতীয় মূলনীতি: এটি প্রথম মূলনীতির ওপর ভিত্তি করেই প্রতিষ্ঠিত। তা হলো, সাত হরফে কুরআন অবতীর্ণ করার মূল উদ্দেশ্য হলো তিলাওয়াত ও উপলব্ধির ক্ষেত্রে এই উম্মতের জন্য বিষয়টি সহজ করে দেওয়া।
তৃতীয় মূলনীতি: উম্মতকে এই সাতটি হরফের মধ্য থেকে যেকোনো একটির মাধ্যমে তিলাওয়াত করার স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছিল। কিছু বর্ণনায় যেভাবে এসেছে, প্রতিটি পদ্ধতিই পর্যাপ্ত ও নিরাময়স্বরূপ।
চতুর্থ মূলনীতি: সাহাবায়ে কেরাম বিভিন্ন পদ্ধতিতে তিলাওয়াত করতেন, যে যেভাবে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শিক্ষা লাভ করেছিলেন। এমনকি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছ থেকে সরাসরি শোনেননি বলে কেউ কেউ একে অপরের তিলাওয়াত নিয়ে আপত্তিও উত্থাপন করেছিলেন।
পঞ্চম মূলনীতি: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক তিলাওয়াতকারীকে তার তিলাওয়াতের ওপর বহাল রেখেছেন এবং অনুমোদন দিয়েছেন, এই ভিত্তিতে যে এই সবগুলোই মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ।
সুতরাং 'সাবআতু আহরুফ' বা সাত হরফের মর্ম সম্পর্কে বর্ণিত প্রতিটি অভিমত বিশ্লেষণের সময় এই পাঁচটি মূলনীতি বিবেচনায় রাখা আবশ্যক, যাতে এই মূলনীতিগুলোর আলোকে সঠিক সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করা সম্ভব হয়। কেননা আল-ইতকান গ্রন্থে সুয়ূতী ও অন্যান্যরা যেসব অভিমত উদ্ধৃত করেছেন, তার মধ্যে কিছু এই মূলনীতিগুলো থেকে অনেক দূরে সরে গেছে, কিছু সামান্য বিচ্যুত হয়েছে, আর কিছু এর কাছাকাছি পৌঁছে এর আলোকেই পথ চলেছে, তবে সেগুলোও আপত্তিমুক্ত নয়।
আমরা এই হাদিসসমূহ এবং সমজাতীয় অন্যান্য বর্ণনা থেকে পাঁচটি মূলনীতি নির্যাস হিসেবে গ্রহণ করতে পারি। 'সাবআতু আহরুফ' বা সাত হরফের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বর্ণিত বিভিন্ন অভিমত নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে এবং সেগুলোর মধ্যে প্রাধান্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে আমরা এই মূলনীতিগুলোর দিকেই প্রত্যাবর্তন করব, যাতে আমরা এমন একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যা অন্তরকে প্রশান্ত করে এবং যা স্ববিরোধিতা ও সমালোচনা হতে মুক্ত ও অকাট্য।
প্রথম মূলনীতি: ইসলামের শুরুর দিকে কুরআনকে কেবল একটি 'হরফ' বা পদ্ধতিতে তিলাওয়াত করতে বাধ্য করা এই উম্মি (নিরক্ষর) উম্মতের জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ছিল। তাদের ভাষা ও উপভাষা ছিল ভিন্ন ভিন্ন এবং কুরআনের অনন্য শৈলী ও সুরের সাথে তারা অভ্যস্ত ছিল না; অথচ কুরআন অলংকারশাস্ত্র, প্রাঞ্জলতা, বিন্যাসশৈলীর সূক্ষ্মতা এবং প্রকাশের সৌন্দর্যের দিক থেকে এক অনন্য উচ্চতায় আসীন।
তাদের মধ্যে বৃদ্ধ এবং শিশুও ছিল, তাই তাদের ওপর কেবল এক পদ্ধতিতে তিলাওয়াত আবশ্যক করা সংকীর্ণতা ও কষ্টের কারণ হতো। আর মহিমান্বিত শরিয়তের ভিত্তিই হলো সংকীর্ণতা দূর করা এবং কষ্ট লাঘব করা।
দ্বিতীয় মূলনীতি: এটি প্রথম মূলনীতির ওপর ভিত্তি করেই প্রতিষ্ঠিত। তা হলো, সাত হরফে কুরআন অবতীর্ণ করার মূল উদ্দেশ্য হলো তিলাওয়াত ও উপলব্ধির ক্ষেত্রে এই উম্মতের জন্য বিষয়টি সহজ করে দেওয়া।
তৃতীয় মূলনীতি: উম্মতকে এই সাতটি হরফের মধ্য থেকে যেকোনো একটির মাধ্যমে তিলাওয়াত করার স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছিল। কিছু বর্ণনায় যেভাবে এসেছে, প্রতিটি পদ্ধতিই পর্যাপ্ত ও নিরাময়স্বরূপ।
চতুর্থ মূলনীতি: সাহাবায়ে কেরাম বিভিন্ন পদ্ধতিতে তিলাওয়াত করতেন, যে যেভাবে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শিক্ষা লাভ করেছিলেন। এমনকি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছ থেকে সরাসরি শোনেননি বলে কেউ কেউ একে অপরের তিলাওয়াত নিয়ে আপত্তিও উত্থাপন করেছিলেন।
পঞ্চম মূলনীতি: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক তিলাওয়াতকারীকে তার তিলাওয়াতের ওপর বহাল রেখেছেন এবং অনুমোদন দিয়েছেন, এই ভিত্তিতে যে এই সবগুলোই মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ।
সুতরাং 'সাবআতু আহরুফ' বা সাত হরফের মর্ম সম্পর্কে বর্ণিত প্রতিটি অভিমত বিশ্লেষণের সময় এই পাঁচটি মূলনীতি বিবেচনায় রাখা আবশ্যক, যাতে এই মূলনীতিগুলোর আলোকে সঠিক সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করা সম্ভব হয়। কেননা আল-ইতকান গ্রন্থে সুয়ূতী ও অন্যান্যরা যেসব অভিমত উদ্ধৃত করেছেন, তার মধ্যে কিছু এই মূলনীতিগুলো থেকে অনেক দূরে সরে গেছে, কিছু সামান্য বিচ্যুত হয়েছে, আর কিছু এর কাছাকাছি পৌঁছে এর আলোকেই পথ চলেছে, তবে সেগুলোও আপত্তিমুক্ত নয়।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 72)