حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ الثَّقَفِيُّ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ مَنِ اسْتَفَادَ مَالاً فَلاَ زَكَاةَ فِيهِ حَتَّى يَحُولَ عَلَيْهِ الْحَوْلُ عِنْدَ رَبِّهِ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَهَذَا أَصَحُّ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَرَوَى أَيُّوبُ وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ وَغَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ مَوْقُوفًا ‏.‏ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ ضَعِيفٌ فِي الْحَدِيثِ ضَعَّفَهُ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ وَعَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ وَغَيْرُهُمَا مِنْ أَهْلِ الْحَدِيثِ وَهُوَ كَثِيرُ الْغَلَطِ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ عَنْ غَيْرِ وَاحِدٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنْ لاَ زَكَاةَ فِي الْمَالِ الْمُسْتَفَادِ حَتَّى يَحُولَ عَلَيْهِ الْحَوْلُ ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ وَالشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏ وَقَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ إِذَا كَانَ عِنْدَهُ مَالٌ تَجِبُ فِيهِ الزَّكَاةُ فَفِيهِ الزَّكَاةُ وَإِنْ لَمْ يَكُنْ عِنْدَهُ سِوَى الْمَالِ الْمُسْتَفَادِ مَا تَجِبُ فِيهِ الزَّكَاةُ لَمْ يَجِبْ عَلَيْهِ فِي الْمَالِ الْمُسْتَفَادِ زَكَاةٌ حَتَّى يَحُولَ عَلَيْهِ الْحَوْلُ فَإِنِ اسْتَفَادَ مَالاً قَبْلَ أَنْ يَحُولَ عَلَيْهِ الْحَوْلُ فَإِنَّهُ يُزَكِّي الْمَالَ الْمُسْتَفَادَ مَعَ مَالِهِ الَّذِي وَجَبَتْ فِيهِ الزَّكَاةُ ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ وَأَهْلُ الْكُوفَةِ ‏.‏تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح الإسناد موقوف وهو في حكم
المرفوعتحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ صحیحتحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح، وأخرجه مالك 1/ 246، والشافعي في "مسنده" 1/ 225 - 226 وعبد الرزاق (7030) و (7031)، وابن أبي شيبة 3/ 159، والدارقطني 2/ 92، والبيهقي 4/ 103 و 104 من طرق عن نافع، عن ابن عمر.
ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে লোক সম্পদ অর্জন করল, মালিকের হাতে তা পুরো এক বছর না থাকা পর্যন্ত তাতে যাকাত আদায় করতে হবে না।



-সনদ সহীহ্‌, মাওকূফ, এটি মারফু হাদীসের মতই।



আবূ ঈসা বলেন, পূর্ববর্তী বর্ণনা হতে এই বর্ণনাটি (সনদের বিচারে) বেশি সহীহ্‌। ইবনু উমারের নিকট হতে অধিক সংখ্যক বর্ণনাকারী এটি মাওকূফ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। আবদুর রাহমান ইবনু যাইদ ইবনু আসলাম হাদীস শাস্ত্রে দুর্বল। তাকে আহমাদ ইবনু হাম্বাল, আলী ইবনুল মাদীনী প্রমুখ হাদীস বিশারদগণ যঈফ বলেছেন এবং তিনি অনেক ভুলের শিকার হন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একাধিক সাহাবা হতে বর্ণিত আছে যে, মালিকের হাতে বর্ষচক্র পার না হওয়া পর্যন্ত অর্জিত মালের যাকাত আদায় করতে হবে না। মালিক ইবনু আনাস, শাফিঈ, আহমাদ ইবনু হাম্বাল ও ইসহাকের এই মত। কিছু সংখ্যক মনীষী বলেছেন, যাকাত বাধ্যকর হওয়ার সমপরিমাণ সম্পদ কারো নিকটে থাকলে এবং বছরের মধ্যে আরো কিছু পরিমাণ মাল এসে যদি তার সাথে যুক্ত হয় তবে এক্ষেত্রে নতুন-পুরাতন সকল মালেরই যাকাত আদায় করতে হবে। নতুনভাবে আমদানী হওয়া মাল ব্যতীত তার নিকটে যাকাত ওয়াজিব হওয়ার মত অন্য কোন মাল না থাকলে এই নতুন অর্জিত সম্পদে বর্ষচত্র অতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত যাকাত আদায় করতে হবে না। তার নিকটে যাকাতের নিসাব পরিমাণ মাল আছে, কিন্তু এখনও এক বছর পুরো হয়নি। এরই মাঝে এর সাথে আরো নতুন মাল এসে যুক্ত হল। এক্ষেত্রে পূর্ববর্তী মালের সাথে সাথে এই নতুনভাবে আসা মালেরও যাকাত আদায় করতে হবে। সুফিয়ান সাওরী ও কূফাবাসীগণের এই মত।

সুনান আত-তিরমিযী (632)