2858 - ثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ النَّيْسَابُورِيُّ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ ثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ ح وَثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ قَالا ثَنَا اللَّيْثُ عَنْ نَافِعٍ أَنَّ
ابْنَ عُمَرَ أَرَادَ الْحَجَّ عَامَ نُزِلَ بِابْنِ الزُّبَيْرِ فَقِيلَ لَهُ إِنَّ النَّاسَ كَائِنٌ بَيْنَهُمْ قِتَالٌ وَإِنَّا نَخَافُ أَنْ يَصُدُّوكَ فَقَالَ {لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ الله أُسْوَة حَسَنَة} إِذًا أَصْنَعُ كَمَا صَنَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنِّي أُشْهِدُكُمْ أَنِّي قَدْ أَوْجَبْتُ بِعُمْرَةٍ ثُمَّ خَرَجَ حَتَّى إِذَا كَانَ بِظَاهِرِ الْبَيْدَاءِ قَالَ مَا شَأْنُ الْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ إِلَّا وَاحِدٌ أُشْهِدُكُمْ أَنِّي قَدْ أَوْجَبْتُ حَجًّا مَعَ عُمْرَتِي وَأَهْدَى هَدْيًا اشْتَرَاهُ بِقُدَيْدٍ ثُمَّ انْطَلَقَ يُهِلُّ بِهِمَا جَمِيعًا حَتَّى قَدِمَ مَكَّةَ وَطَافَ بِالْبَيْتِ وَبِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ وَلَمْ يَزِدْ عَلَى ذَلِكَ وَلَمْ يَنْحَرْ وَلَمْ يَحْلِقْ وَلَمْ يُقَصِّرْ وَلَمْ يَحْلِلْ مِنْ شَيْءٍ حَرُمَ مِنْهُ حَتَّى إِذَا كَانَ يَوْمُ النَّحْرِ فَنَحَرَ وَحَلَقَ وَرَأَى أَنْ قَدْ قَضَى طَوَافَ الْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ بِطَوَافِهِ الأَوَّلِ وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ كَذَلِكَ فَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
رَوَاهُ مُسْلِمٌ عَنْ قُتَيْبَةَ وَمُحَمَّدِ بْنِ رُمْحٍ جَمِيعًا عَنِ اللَّيْثِ
ابْنَ عُمَرَ أَرَادَ الْحَجَّ عَامَ نُزِلَ بِابْنِ الزُّبَيْرِ فَقِيلَ لَهُ إِنَّ النَّاسَ كَائِنٌ بَيْنَهُمْ قِتَالٌ وَإِنَّا نَخَافُ أَنْ يَصُدُّوكَ فَقَالَ {لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ الله أُسْوَة حَسَنَة} إِذًا أَصْنَعُ كَمَا صَنَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنِّي أُشْهِدُكُمْ أَنِّي قَدْ أَوْجَبْتُ بِعُمْرَةٍ ثُمَّ خَرَجَ حَتَّى إِذَا كَانَ بِظَاهِرِ الْبَيْدَاءِ قَالَ مَا شَأْنُ الْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ إِلَّا وَاحِدٌ أُشْهِدُكُمْ أَنِّي قَدْ أَوْجَبْتُ حَجًّا مَعَ عُمْرَتِي وَأَهْدَى هَدْيًا اشْتَرَاهُ بِقُدَيْدٍ ثُمَّ انْطَلَقَ يُهِلُّ بِهِمَا جَمِيعًا حَتَّى قَدِمَ مَكَّةَ وَطَافَ بِالْبَيْتِ وَبِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ وَلَمْ يَزِدْ عَلَى ذَلِكَ وَلَمْ يَنْحَرْ وَلَمْ يَحْلِقْ وَلَمْ يُقَصِّرْ وَلَمْ يَحْلِلْ مِنْ شَيْءٍ حَرُمَ مِنْهُ حَتَّى إِذَا كَانَ يَوْمُ النَّحْرِ فَنَحَرَ وَحَلَقَ وَرَأَى أَنْ قَدْ قَضَى طَوَافَ الْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ بِطَوَافِهِ الأَوَّلِ وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ كَذَلِكَ فَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
رَوَاهُ مُسْلِمٌ عَنْ قُتَيْبَةَ وَمُحَمَّدِ بْنِ رُمْحٍ جَمِيعًا عَنِ اللَّيْثِ
ইবনে উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, নাফে’ (রহ.) বর্ণনা করেন যে, যে বছর ইবনুয যুবাইর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে অবরোধ করা হয়েছিল, সে বছর ইবনে উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হজ্জের ইচ্ছা করলেন। তখন তাঁকে বলা হলো, ’মানুষের মধ্যে লড়াই শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা ভয় করছি যে তারা আপনাকে (মক্কায় প্রবেশে) বাধা দেবে।’
তিনি বললেন, "নিশ্চয় তোমাদের জন্য রয়েছে আল্লাহর রাসূলের মধ্যে উত্তম আদর্শ।" (আল-আহযাব ৩৩:২১) তিনি (আরও) বললেন, ’তাহলে আমি তেমনই করব, যেমনটি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) করেছিলেন। আমি তোমাদের সাক্ষী রেখে বলছি যে, আমি উমরার ইহরাম বেঁধেছি।’
অতঃপর তিনি রওনা হলেন। যখন তিনি বাইদার উন্মুক্ত স্থানে পৌঁছলেন, তখন বললেন, ’হজ্জ ও উমরার বিষয়টি তো একই (অর্থাৎ একই সাথে করা যায়)।’ তিনি বললেন, ’আমি তোমাদের সাক্ষী রেখে বলছি, আমি আমার উমরার সাথে হজ্জেরও ইহরাম বেঁধেছি।’ আর তিনি কুরবানীর পশু (হাদি) সাথে নিলেন, যা তিনি কুদাইদ নামক স্থানে কিনেছিলেন।
এরপর তিনি উভয়ের (হজ্জ ও উমরার) তালবিয়া পাঠ করতে করতে চলতে লাগলেন, যে পর্যন্ত না তিনি মক্কায় পৌঁছলেন। তিনি বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করলেন এবং সাফা ও মারওয়ার সাঈ করলেন। তিনি এর চেয়ে বেশি কিছু করেননি। তিনি কুরবানী করেননি, মাথা মুণ্ডন করেননি, চুল ছোটও করেননি এবং ইহরামের কারণে নিষিদ্ধ কোনো কিছু থেকে হালালও হননি।
অবশেষে যখন কুরবানীর দিন (১০ যিলহজ্জ) এলো, তখন তিনি কুরবানী করলেন এবং মাথা মুণ্ডন করলেন। তিনি মনে করলেন যে তার প্রথম তাওয়াফের মাধ্যমেই হজ্জ ও উমরা উভয়ের তাওয়াফ সম্পন্ন হয়ে গেছে।
ইবনে উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এভাবেই করেছিলেন।
তিনি বললেন, "নিশ্চয় তোমাদের জন্য রয়েছে আল্লাহর রাসূলের মধ্যে উত্তম আদর্শ।" (আল-আহযাব ৩৩:২১) তিনি (আরও) বললেন, ’তাহলে আমি তেমনই করব, যেমনটি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) করেছিলেন। আমি তোমাদের সাক্ষী রেখে বলছি যে, আমি উমরার ইহরাম বেঁধেছি।’
অতঃপর তিনি রওনা হলেন। যখন তিনি বাইদার উন্মুক্ত স্থানে পৌঁছলেন, তখন বললেন, ’হজ্জ ও উমরার বিষয়টি তো একই (অর্থাৎ একই সাথে করা যায়)।’ তিনি বললেন, ’আমি তোমাদের সাক্ষী রেখে বলছি, আমি আমার উমরার সাথে হজ্জেরও ইহরাম বেঁধেছি।’ আর তিনি কুরবানীর পশু (হাদি) সাথে নিলেন, যা তিনি কুদাইদ নামক স্থানে কিনেছিলেন।
এরপর তিনি উভয়ের (হজ্জ ও উমরার) তালবিয়া পাঠ করতে করতে চলতে লাগলেন, যে পর্যন্ত না তিনি মক্কায় পৌঁছলেন। তিনি বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করলেন এবং সাফা ও মারওয়ার সাঈ করলেন। তিনি এর চেয়ে বেশি কিছু করেননি। তিনি কুরবানী করেননি, মাথা মুণ্ডন করেননি, চুল ছোটও করেননি এবং ইহরামের কারণে নিষিদ্ধ কোনো কিছু থেকে হালালও হননি।
অবশেষে যখন কুরবানীর দিন (১০ যিলহজ্জ) এলো, তখন তিনি কুরবানী করলেন এবং মাথা মুণ্ডন করলেন। তিনি মনে করলেন যে তার প্রথম তাওয়াফের মাধ্যমেই হজ্জ ও উমরা উভয়ের তাওয়াফ সম্পন্ন হয়ে গেছে।
ইবনে উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এভাবেই করেছিলেন।
আল-মুসনাদ আল-মুস্তাখরাজ `আলা সহীহ মুসলিম (2858)