2633 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَقْرَأُ فِي صَلَاتِهِ جَالِسًا حَتَّى دَخَلَ فِي السِّنِّ، فَكَانَ يَقْرَأُ وَهُوَ جَالِسٌ، فَإِذَا بَقِيَ عَلَيْهِ مِنَ السُّورَةِ ثَلَاثُونَ آيَةً أَوْ أَرْبَعُونَ آيَةً، قَامَ فَقَرَأَهَا، ثُمَّ رَكَعَ»
رقم طبعة با وزير = (2624)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين
رقم طبعة با وزير = (2624)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين
আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (রাতের) কোন সালাত বসে আদায় করতেন না, যতদিন না তিনি বয়োঃবৃদ্ধ হয়ে যান, তখন তিনি বসে (দীর্ঘ) কিরা‘আত করতেন, অতঃপর যখন সূরার ৩০ আয়াত বা ৪০ আয়াত বাকি থাকতো, তখন তিনি দাঁড়াতেন অতঃপর তা পাঠ করতেন তারপর রুকূ‘ করতেন।”[1]
[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১২৪০; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১৩৭; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪০৯৭; মুসনাদ আহমাদ: ৬/৪৬; হুমাইদী: ১৯২; সহীহ আল বুখারী: ১১১৮; সহীহ মুসলিম: ৭৩১; আবূ দাঊদ: ৯৫৩; নাসাঈ: ৩/২২০; ইবনু মাজাহ: ১২২৭; তাহাবী: ১/৩৩৮; সুনান বাইহাকী: ২/৪৯০; বাগাবী: ৯৭৯; তিরমিযী: ৩৭৪। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৮৭৯)
[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১২৪০; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১৩৭; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪০৯৭; মুসনাদ আহমাদ: ৬/৪৬; হুমাইদী: ১৯২; সহীহ আল বুখারী: ১১১৮; সহীহ মুসলিম: ৭৩১; আবূ দাঊদ: ৯৫৩; নাসাঈ: ৩/২২০; ইবনু মাজাহ: ১২২৭; তাহাবী: ১/৩৩৮; সুনান বাইহাকী: ২/৪৯০; বাগাবী: ৯৭৯; তিরমিযী: ৩৭৪। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৮৭৯)
সহীহ ইবনু হিব্বান (2633)