1461 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الذُّهْلِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا هِشَامٌ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، قَالَ: سِرْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَلَمَّا كَانَ مِنْ آخِرِ اللَّيْلِ عَرَّسْنَا فَغَلَبَتْنَا أَعْيُنُنَا وَمَا أَيْقَظَنَا إِلَّا حَرُّ الشَّمْسِ، فَكَانَ الرَّجُلُ يَقُومُ إِلَى وَضُوئِهِ دَهِشًا، فَأَمَرَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَتَوَضَّأُوا، ثُمَّ أَمَرَ بِلَالًا فَأَذَّنَ، ثُمَّ صَلُّوا رَكْعَتَيِ الْفَجْرِ، ثُمَّ أَمَرَهُ، فَأَقَامَ فَصَلَّى الْفَجْرَ، فَقَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، فَرَّطْنَا، أَفَلَا نُعِيدُهَا لِوَقْتِهَا مِنَ الْغَدِ؟ فَقَالَ: «يَنْهَاكُمْ رَبُّكُمْ عَنِ الرِّبَا، وَيَقْبَلُهُ مِنْكُمْ؟ إِنَّمَا التَّفْرِيطُ فِي الْيَقَظَةِ». [3: 25]
رقم طبعة با وزير = (1459)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (470): ق دون الركعتين. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح، رجاله رجال الصحيح إلا أن فيه عنعنة الحسن
ইমরান বিন হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সফরে চলছিলাম, যখন শেষ রাত্রি হলো তখন আমরা বিশ্রামের জন্য যাত্রা বিরতি দিলাম অতঃপর ঘুম আমাদেরকে পরাভূত করে ফেলে ফলে আমরা রোদের তাপেই ঘুম থেকে জাগ্রত হলাম। লোকজন ভীত বিহবল হয়ে ওযূ করার দিকে গমন করেন। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে ওযূ করার নির্দেশ দিলে, লোকজন ওযূ করে নেন। তারপর তিনি বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে আযান দেওয়ার আদেশ করেন ফলে তিনি আযান দেন। তারপর তাঁরা ফজরের দুই রাকাআত সুন্নাত আদায় করেন। তারপর তিনি বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে ইকামত দেওয়ার আদেশ করেন ফলে তিনি ইকামত দেন। অতঃপর তিনি ফজরের ফরয সালাত আদায় করেন। তখন লোকজন বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আমরা তো ত্রুটি করেছি। কাজেই আমরা কি আগামীকাল যথাসময়ে এই সালাত পুণরায় আদায় করবো না?” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তোমাদের প্রতিপালক সুদকে (বর্ধিত গ্রহণ করাকে) নিষেধ করেছেন, অথচ তিনি তোমাদের থেকে তা (বর্ধিত ইবাদত) গ্রহণ করবেন? জেনে রেখো, নিশ্চয়ই অবহেলা হয় জাগ্রত অবস্থায়।”[1]







[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৯৯৪; মুসনাদ আহমাদ: ৪/৪৪১; দারাকুতনী: ১/৩৮৫; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৪০০; সুনান বাইহাকী: ২/২১৭; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/৫৪-৫৫; আবূ দাঊদ: ৪৪৩; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ২২৪১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৪৭০)

সহীহ ইবনু হিব্বান (1461)