1460 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا حَبَّانُ بْنُ مُوسَى، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ الْمُغِيرَةِ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَبَاحٍ، عَنْ أَبِي قَتَادَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَيْسَ فِي النَّوْمِ تَفْرِيطٌ، إِنَّمَا التَّفْرِيطُ عَلَى مَنْ لَمْ يُصَلِّ [ص:318] الصَّلَاةَ حَتَّى يَجِيءَ وَقْتُ صَلَاةٍ أُخْرَى». [3: 25]
رقم طبعة با وزير = (1458) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: «فِي إِطْلَاقِ الْمُصْطَفَى صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ [ص:319] التَّفْرِيطَ عَلَى مَنْ لَمْ يُصَلِّ الصَّلَاةَ حَتَّى دَخَلَ وَقْتُ صَلَاةٍ أُخْرَى بَيَانٌ وَاضِحٌ أَنَّهُ لَمْ يَكْفُرْ بِفِعْلِهِ ذَلِكَ، إِذْ لَوْ كَانَ كَذَلِكَ، لَمْ يُطْلِقْ عَلَيْهِ اسْمُ التَّأْخِيرِ وَالتَّقْصِيرِ دُونَ إِطْلَاقِ الْكُفْرِ»تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (1/ 294)، «صحيح أبي داود» (465). تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم، عبد الله: هو ابن المبارك.
رقم طبعة با وزير = (1458) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: «فِي إِطْلَاقِ الْمُصْطَفَى صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ [ص:319] التَّفْرِيطَ عَلَى مَنْ لَمْ يُصَلِّ الصَّلَاةَ حَتَّى دَخَلَ وَقْتُ صَلَاةٍ أُخْرَى بَيَانٌ وَاضِحٌ أَنَّهُ لَمْ يَكْفُرْ بِفِعْلِهِ ذَلِكَ، إِذْ لَوْ كَانَ كَذَلِكَ، لَمْ يُطْلِقْ عَلَيْهِ اسْمُ التَّأْخِيرِ وَالتَّقْصِيرِ دُونَ إِطْلَاقِ الْكُفْرِ»تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (1/ 294)، «صحيح أبي داود» (465). تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم، عبد الله: هو ابن المبارك.
আবূ কাতাদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয়ই ঘুমের কারণে সালাত বিলম্ব করা হলে, সেটি অবহেলা হিসেবে বিবেচিত হয় না। বস্তুত অবহেলা হলো সেই ব্যক্তির উপর প্রযোজ্য হয়, যে ব্যক্তি সালাত আদায় করে না, এভাবে আরেক সালাতের ওয়াক্ত চলে আসে।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “যেই সালাত আদায় করে না, এমনকি আরেক সালাতের ওয়াক্ত চলে আসে, এমন ব্যক্তির ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘অবহেলাকারী’ শব্দ ব্যবহার করেছেন। এখানে সুস্পষ্ট দলীল রয়েছে এই মর্মে যে, এমন কাজ সম্পাদনকারী কাফির বিবেচিত হবে না। যদি তা-ই হতো তবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার ব্যাপারে ‘কুফর’ শব্দ ব্যবহার না করে ‘অবহেলাকারী’ এই জাতীয় শব্দ ব্যবহার করতেন না।”
[1] নাসাঈ: ১/২৯৪; সহীহ মুসলিম: ৬৮১; আবূ দাঊদ: ৪৪১; ইবনুল জারূদ: ১৫৩; দারাকুতনী: ১/৩৮৬; আবূ আওয়ানা: ২/২৫৭; সুনান বাইহাকী: ১/৪০৪; মুসনাদ আহমাদ: ৫/২৯৮; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৪০১; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৪৩৯; তিরমিযী: ১৭৭; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৯৮৯; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ২২৪০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৪৬৫)
[1] নাসাঈ: ১/২৯৪; সহীহ মুসলিম: ৬৮১; আবূ দাঊদ: ৪৪১; ইবনুল জারূদ: ১৫৩; দারাকুতনী: ১/৩৮৬; আবূ আওয়ানা: ২/২৫৭; সুনান বাইহাকী: ১/৪০৪; মুসনাদ আহমাদ: ৫/২৯৮; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৪০১; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৪৩৯; তিরমিযী: ১৭৭; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৯৮৯; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ২২৪০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৪৬৫)
সহীহ ইবনু হিব্বান (1460)