أرغب بطونا: أي أوسع بطونا وأكثر أكلا.
منافق: المنافق: من يظهر الإسلام ويبطن الكفر.
نسعة: النسعة هي: الحبل الذي يشد به الرحل. وقيل: هو سير مضفور، يجعل زماما للبعير.
الشرح الإجمالي:
يخبرنا عبد الله بن عمر والجماعة الذين اشتركوا في رواية الحديث رضي الله عنهم أن رجلا من المنافقين في غزوة تبوك أخذ يسب رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصحابه ويستهزئ بهم متهما لهم بحب الأكل والكذب والجبن عند اللقاء، وأن عوف بن مالك أحد المسلمين الصادقين غضب لله ورسوله، فأنكر على ذلك المنافق وكذبه وتوعده بأنه سيخبر بذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم، لكن الوحي سبق عوف بن مالك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فنزل في شأنهم قرآنا يكشف حالهم ويفضح سريرتهم ويعلن كفرهم. وأن المنافق قد جاء ليعتذر من رسول الله صلى الله عليه وسلم بأعذاره الباطلة، فلم يلتفت إليه النبي صلى الله عليه وسلم ولم يلق له بالا ولم يقم له وزنا، وإنما أجابه بالآية التي نزلت في شأنه وأمثاله.
الفوائد:
1. خطر المنافقين على الإسلام وأهله.
2. سب الدين من علامات النفاق الاعتقادي.
3. بغض المسلمين وتنقصهم كفر.
4. وجوب المبادرة إلى إنكار المنكر.
5. صدق إيمان عوف بن مالك رضي الله عنه.
6. جواز وصف الشخص بالنفاق إذا ظهر منه بعض علاماته.
منافق: المنافق: من يظهر الإسلام ويبطن الكفر.
نسعة: النسعة هي: الحبل الذي يشد به الرحل. وقيل: هو سير مضفور، يجعل زماما للبعير.
الشرح الإجمالي:
يخبرنا عبد الله بن عمر والجماعة الذين اشتركوا في رواية الحديث رضي الله عنهم أن رجلا من المنافقين في غزوة تبوك أخذ يسب رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصحابه ويستهزئ بهم متهما لهم بحب الأكل والكذب والجبن عند اللقاء، وأن عوف بن مالك أحد المسلمين الصادقين غضب لله ورسوله، فأنكر على ذلك المنافق وكذبه وتوعده بأنه سيخبر بذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم، لكن الوحي سبق عوف بن مالك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فنزل في شأنهم قرآنا يكشف حالهم ويفضح سريرتهم ويعلن كفرهم. وأن المنافق قد جاء ليعتذر من رسول الله صلى الله عليه وسلم بأعذاره الباطلة، فلم يلتفت إليه النبي صلى الله عليه وسلم ولم يلق له بالا ولم يقم له وزنا، وإنما أجابه بالآية التي نزلت في شأنه وأمثاله.
الفوائد:
1. خطر المنافقين على الإسلام وأهله.
2. سب الدين من علامات النفاق الاعتقادي.
3. بغض المسلمين وتنقصهم كفر.
4. وجوب المبادرة إلى إنكار المنكر.
5. صدق إيمان عوف بن مالك رضي الله عنه.
6. جواز وصف الشخص بالنفاق إذا ظهر منه بعض علاماته.
পেটুকতম: অর্থাৎ সবচেয়ে প্রশস্ত উদরের অধিকারী এবং অধিক ভোজনকারী।
মুনাফিক: মুনাফিক হলো সেই ব্যক্তি যে ইসলাম প্রকাশ করে এবং কুফর গোপন রাখে।
নাসআহ: নাসআহ হলো সেই রশি যার দ্বারা সওয়ারির পিঠের আসন বাঁধা হয়। বলা হয়েছে: এটি একটি পাকানো ফিতা বা চামড়া, যা উটের লাগাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সামগ্রিক ব্যাখ্যা:
আব্দুল্লাহ ইবনে উমর এবং এই হাদীসের বর্ণনায় অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিবর্গ (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) আমাদের সংবাদ দিচ্ছেন যে, তাবুক যুদ্ধে মুনাফিকদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীদের গালি দিতে শুরু করে এবং তাঁদের নিয়ে উপহাস করে। সে তাঁদের অতিভোজনপ্রিয়তা, মিথ্যাবাদিতা এবং যুদ্ধের ময়দানে ভীরুতার অপবাদ দেয়। এমতাবস্থায় নিষ্ঠাবান মুসলিমদের একজন, আওফ ইবনে মালিক আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের সম্মানে ক্রোধান্বিত হন এবং সেই মুনাফিকের প্রতিবাদ করেন ও তাকে মিথ্যাবাদী আখ্যা দেন। তিনি তাকে এই হুমকি দেন যে, তিনি অবশ্যই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ বিষয়ে অবহিত করবেন। কিন্তু আওফ ইবনে মালিক পৌঁছানোর পূর্বেই ওহী রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট চলে আসে এবং তাদের ব্যাপারে কুরআন নাযিল হয় যা তাদের প্রকৃত অবস্থা উন্মোচন করে, তাদের গোপন রহস্য ফাঁস করে দেয় এবং তাদের কুফর ঘোষণা করে। অতঃপর সেই মুনাফিক তার অসার অজুহাত নিয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে উপস্থিত হয়, কিন্তু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিকে ভ্রুক্ষেপ করেননি, তাকে কোনো গুরুত্ব দেননি এবং তার কোনো মূল্যায়ন করেননি। বরং তিনি কেবল সেই আয়াতের মাধ্যমে তাকে উত্তর দিয়েছেন যা তার এবং তার সদৃশ ব্যক্তিদের ব্যাপারে নাযিল হয়েছে।
শিক্ষাসমূহ:
১. ইসলাম এবং মুসলিমদের জন্য মুনাফিকদের ভয়াবহতা।
২. দ্বীনকে গালি দেওয়া বা বিদ্রূপ করা বিশ্বাসগত নিফাকের অন্যতম লক্ষণ।
৩. মুসলিমদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা এবং তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা কুফরি।
৪. অন্যায়ের প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক অগ্রসর হওয়া ওয়াজিব।
৫. আওফ ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহুর ঈমানের সত্যনিষ্ঠতা।
৬. যদি কারো মধ্যে নিফাকের কোনো আলামত প্রকাশ পায়, তবে তাকে মুনাফিক হিসেবে অভিহিত করা বৈধ।
মুনাফিক: মুনাফিক হলো সেই ব্যক্তি যে ইসলাম প্রকাশ করে এবং কুফর গোপন রাখে।
নাসআহ: নাসআহ হলো সেই রশি যার দ্বারা সওয়ারির পিঠের আসন বাঁধা হয়। বলা হয়েছে: এটি একটি পাকানো ফিতা বা চামড়া, যা উটের লাগাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সামগ্রিক ব্যাখ্যা:
আব্দুল্লাহ ইবনে উমর এবং এই হাদীসের বর্ণনায় অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিবর্গ (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) আমাদের সংবাদ দিচ্ছেন যে, তাবুক যুদ্ধে মুনাফিকদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীদের গালি দিতে শুরু করে এবং তাঁদের নিয়ে উপহাস করে। সে তাঁদের অতিভোজনপ্রিয়তা, মিথ্যাবাদিতা এবং যুদ্ধের ময়দানে ভীরুতার অপবাদ দেয়। এমতাবস্থায় নিষ্ঠাবান মুসলিমদের একজন, আওফ ইবনে মালিক আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের সম্মানে ক্রোধান্বিত হন এবং সেই মুনাফিকের প্রতিবাদ করেন ও তাকে মিথ্যাবাদী আখ্যা দেন। তিনি তাকে এই হুমকি দেন যে, তিনি অবশ্যই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ বিষয়ে অবহিত করবেন। কিন্তু আওফ ইবনে মালিক পৌঁছানোর পূর্বেই ওহী রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট চলে আসে এবং তাদের ব্যাপারে কুরআন নাযিল হয় যা তাদের প্রকৃত অবস্থা উন্মোচন করে, তাদের গোপন রহস্য ফাঁস করে দেয় এবং তাদের কুফর ঘোষণা করে। অতঃপর সেই মুনাফিক তার অসার অজুহাত নিয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে উপস্থিত হয়, কিন্তু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিকে ভ্রুক্ষেপ করেননি, তাকে কোনো গুরুত্ব দেননি এবং তার কোনো মূল্যায়ন করেননি। বরং তিনি কেবল সেই আয়াতের মাধ্যমে তাকে উত্তর দিয়েছেন যা তার এবং তার সদৃশ ব্যক্তিদের ব্যাপারে নাযিল হয়েছে।
শিক্ষাসমূহ:
১. ইসলাম এবং মুসলিমদের জন্য মুনাফিকদের ভয়াবহতা।
২. দ্বীনকে গালি দেওয়া বা বিদ্রূপ করা বিশ্বাসগত নিফাকের অন্যতম লক্ষণ।
৩. মুসলিমদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা এবং তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা কুফরি।
৪. অন্যায়ের প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক অগ্রসর হওয়া ওয়াজিব।
৫. আওফ ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহুর ঈমানের সত্যনিষ্ঠতা।
৬. যদি কারো মধ্যে নিফাকের কোনো আলামত প্রকাশ পায়, তবে তাকে মুনাফিক হিসেবে অভিহিত করা বৈধ।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 391)