وإذا شيك فلا انتقش: أي إذا أصابته شوكة فلا يجد من يخرجها، والمقصود هنا إذا وقع في البلاء لا يجد من يترحم عليه أو يعطف عليه أو يساعده.
طوبى: أي الجنة، وقيل: شجرة في الجنة.
آخذ بعنان فرسه في سبيل الله: أي محارب لإعلاء كلمة الله.
أشعث رأسه: أي مشغول في الجهاد عن تنظيم شعره وترجيله.
مغبرة قدماه: أي ملازم له الغبار لكثرة جهاده ومصابرته في سبيل الله.
إن كان في الحراسة كان في الحراسة: أي إن وكل إليه حراسة الجيش والمحافظة عليه امتثل ذلك، ولم يقصر بنوم أو غيره.
إن كان في الساقة كان في الساقة: أي إن جعل في مؤخرة الجيش صار فيها ولزمها.
وإن شفع لم يشفع: وإن توسط لأحد عند الملوك ونحوهم لم تقبل وساطته لهوانه عليهم.
الشرح الإجمالي:
في هذا الحديث بيَّن رسول الله صلى الله عليه وسلم أن من الناس من تكون الدنيا أكبر همه، ومبلغ علمه، وهدفه الأول والأخير، وأن من كانت هذه حالته سيكون مصيره الهلاك والخسران، وعلامة هذا الصنف من الناس التي تفضح سريرته حرصه الشديد على الدنيا، فإن أعطي منها رضي، وإن لم يعط منها سخط. ومنهم من هدفه رضا الله والدار الآخرة، فلا يتطلع إلى جاه ولا يطلب شهرة، إنما يقصد بعمله طاعة الله ورسوله، وعلامة هذا الصنف من الناس عدم الاهتمام بمظهره، وهوانه على الناس، وابتعاده عن ذوي المناصب والهيئات، فإن استأذن عليهم لم يؤذن له،
طوبى: أي الجنة، وقيل: شجرة في الجنة.
آخذ بعنان فرسه في سبيل الله: أي محارب لإعلاء كلمة الله.
أشعث رأسه: أي مشغول في الجهاد عن تنظيم شعره وترجيله.
مغبرة قدماه: أي ملازم له الغبار لكثرة جهاده ومصابرته في سبيل الله.
إن كان في الحراسة كان في الحراسة: أي إن وكل إليه حراسة الجيش والمحافظة عليه امتثل ذلك، ولم يقصر بنوم أو غيره.
إن كان في الساقة كان في الساقة: أي إن جعل في مؤخرة الجيش صار فيها ولزمها.
وإن شفع لم يشفع: وإن توسط لأحد عند الملوك ونحوهم لم تقبل وساطته لهوانه عليهم.
الشرح الإجمالي:
في هذا الحديث بيَّن رسول الله صلى الله عليه وسلم أن من الناس من تكون الدنيا أكبر همه، ومبلغ علمه، وهدفه الأول والأخير، وأن من كانت هذه حالته سيكون مصيره الهلاك والخسران، وعلامة هذا الصنف من الناس التي تفضح سريرته حرصه الشديد على الدنيا، فإن أعطي منها رضي، وإن لم يعط منها سخط. ومنهم من هدفه رضا الله والدار الآخرة، فلا يتطلع إلى جاه ولا يطلب شهرة، إنما يقصد بعمله طاعة الله ورسوله، وعلامة هذا الصنف من الناس عدم الاهتمام بمظهره، وهوانه على الناس، وابتعاده عن ذوي المناصب والهيئات، فإن استأذن عليهم لم يؤذن له،
আর যখন সে কাঁটাবিদ্ধ হয়, তখন যেন তার সেই কাঁটা বের করা না হয়: অর্থাৎ যখন তাকে কোনো কাঁটা বিঁধে, তখন সে তা বের করার মতো কাউকে পায় না। আর এখানে উদ্দেশ্য হলো, যখন সে বিপদে পড়ে, তখন সে এমন কাউকে পায় না যে তার প্রতি দয়া করবে বা সহানুভূতি দেখাবে অথবা তাকে সাহায্য করবে।
তুবা: অর্থাৎ জান্নাত, আবার বলা হয়েছে: এটি জান্নাতের একটি গাছ।
আল্লাহর পথে আপন ঘোড়ার লাগাম ধারণকারী: অর্থাৎ আল্লাহর বাণীকে সমুন্নত করার লক্ষ্যে লড়াইকারী যোদ্ধা।
তার মাথার চুল এলোমেলো: অর্থাৎ জিহাদে লিপ্ত থাকার কারণে নিজের চুল বিন্যস্ত ও চিরুনি করার বিষয়ে সে উদাসীন।
তার পদদ্বয় ধূলিমলিন: অর্থাৎ আল্লাহর পথে প্রচুর জিহাদ ও ধৈর্যের কারণে তার পায়ে ধুলোবালি লেগে থাকে।
যদি তাকে পাহারাদারিতে রাখা হয়, তবে সে পাহারাদারিতেই থাকে: অর্থাৎ যদি তাকে সৈন্যবাহিনীর পাহারাদারি ও তা সংরক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তবে সে তা যথাযথভাবে পালন করে এবং ঘুম বা অন্য কিছুর মাধ্যমে তাতে কোনো শিথিলতা প্রদর্শন করে না।
যদি তাকে সৈন্যদলের পশ্চাৎভাগে রাখা হয়, তবে সে পশ্চাৎভাগেই থাকে: অর্থাৎ যদি তাকে সৈন্যবাহিনীর পেছনের অংশে রাখা হয়, তবে সে সেখানেই অবস্থান করে এবং নিজ দায়িত্ব পালন করে।
আর যদি সে সুপারিশ করে, তবে তার সুপারিশ গ্রহণ করা হয় না: অর্থাৎ যদি সে রাজা-বাদশাহ বা তাদের সমপর্যায়ের ব্যক্তিদের কাছে কারো জন্য সুপারিশ করে, তবে তাদের নিকট তার তুচ্ছতার কারণে সেই সুপারিশ গ্রহণ করা হয় না।
সারসংক্ষেপ আলোচনা:
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেছেন যে, মানুষের মধ্যে এমন কিছু লোক রয়েছে যাদের কাছে দুনিয়াই হলো তাদের প্রধান চিন্তার বিষয়, তাদের জ্ঞানের শেষ সীমা এবং তাদের প্রথম ও শেষ লক্ষ্য। আর যার অবস্থা এমন হবে, তার পরিণতি হবে ধ্বংস ও ক্ষতি। এই শ্রেণির মানুষের একটি লক্ষণ যা তার অভ্যন্তরীণ অবস্থাকে প্রকাশ করে দেয়, তা হলো দুনিয়ার প্রতি তার তীব্র লালসা; যদি তাকে দুনিয়া থেকে কিছু দেওয়া হয় তবে সে সন্তুষ্ট হয়, আর যদি না দেওয়া হয় তবে সে অসন্তুষ্ট হয়। আবার মানুষের মধ্যে এমন কিছু লোকও রয়েছে যাদের লক্ষ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং পরকাল। সে কোনো পদমর্যাদার আকাঙ্ক্ষা করে না এবং খ্যাতিও অনুসন্ধান করে না; বরং সে তার কর্মের মাধ্যমে কেবল আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য কামনা করে। এই শ্রেণির মানুষের লক্ষণ হলো নিজের বাহ্যিক সাজসজ্জার প্রতি ভ্রূক্ষেপ না করা, মানুষের কাছে তুচ্ছ থাকা এবং উচ্চপদস্থ ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের থেকে দূরে থাকা। ফলে সে যদি তাদের কাছে প্রবেশের অনুমতি প্রার্থনা করে, তবে তাকে অনুমতি দেওয়া হয় না।
তুবা: অর্থাৎ জান্নাত, আবার বলা হয়েছে: এটি জান্নাতের একটি গাছ।
আল্লাহর পথে আপন ঘোড়ার লাগাম ধারণকারী: অর্থাৎ আল্লাহর বাণীকে সমুন্নত করার লক্ষ্যে লড়াইকারী যোদ্ধা।
তার মাথার চুল এলোমেলো: অর্থাৎ জিহাদে লিপ্ত থাকার কারণে নিজের চুল বিন্যস্ত ও চিরুনি করার বিষয়ে সে উদাসীন।
তার পদদ্বয় ধূলিমলিন: অর্থাৎ আল্লাহর পথে প্রচুর জিহাদ ও ধৈর্যের কারণে তার পায়ে ধুলোবালি লেগে থাকে।
যদি তাকে পাহারাদারিতে রাখা হয়, তবে সে পাহারাদারিতেই থাকে: অর্থাৎ যদি তাকে সৈন্যবাহিনীর পাহারাদারি ও তা সংরক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তবে সে তা যথাযথভাবে পালন করে এবং ঘুম বা অন্য কিছুর মাধ্যমে তাতে কোনো শিথিলতা প্রদর্শন করে না।
যদি তাকে সৈন্যদলের পশ্চাৎভাগে রাখা হয়, তবে সে পশ্চাৎভাগেই থাকে: অর্থাৎ যদি তাকে সৈন্যবাহিনীর পেছনের অংশে রাখা হয়, তবে সে সেখানেই অবস্থান করে এবং নিজ দায়িত্ব পালন করে।
আর যদি সে সুপারিশ করে, তবে তার সুপারিশ গ্রহণ করা হয় না: অর্থাৎ যদি সে রাজা-বাদশাহ বা তাদের সমপর্যায়ের ব্যক্তিদের কাছে কারো জন্য সুপারিশ করে, তবে তাদের নিকট তার তুচ্ছতার কারণে সেই সুপারিশ গ্রহণ করা হয় না।
সারসংক্ষেপ আলোচনা:
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেছেন যে, মানুষের মধ্যে এমন কিছু লোক রয়েছে যাদের কাছে দুনিয়াই হলো তাদের প্রধান চিন্তার বিষয়, তাদের জ্ঞানের শেষ সীমা এবং তাদের প্রথম ও শেষ লক্ষ্য। আর যার অবস্থা এমন হবে, তার পরিণতি হবে ধ্বংস ও ক্ষতি। এই শ্রেণির মানুষের একটি লক্ষণ যা তার অভ্যন্তরীণ অবস্থাকে প্রকাশ করে দেয়, তা হলো দুনিয়ার প্রতি তার তীব্র লালসা; যদি তাকে দুনিয়া থেকে কিছু দেওয়া হয় তবে সে সন্তুষ্ট হয়, আর যদি না দেওয়া হয় তবে সে অসন্তুষ্ট হয়। আবার মানুষের মধ্যে এমন কিছু লোকও রয়েছে যাদের লক্ষ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং পরকাল। সে কোনো পদমর্যাদার আকাঙ্ক্ষা করে না এবং খ্যাতিও অনুসন্ধান করে না; বরং সে তার কর্মের মাধ্যমে কেবল আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য কামনা করে। এই শ্রেণির মানুষের লক্ষণ হলো নিজের বাহ্যিক সাজসজ্জার প্রতি ভ্রূক্ষেপ না করা, মানুষের কাছে তুচ্ছ থাকা এবং উচ্চপদস্থ ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের থেকে দূরে থাকা। ফলে সে যদি তাদের কাছে প্রবেশের অনুমতি প্রার্থনা করে, তবে তাকে অনুমতি দেওয়া হয় না।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 331)