فإذا أردت أن تبين أسباب هذا التقديم أو ذاك فإنه لا يصح الإكتفاء بالقول إنه قدم هذه الكلم للعناية بها والإهتمام دون تبيين مواطن هذه العناية وسبب هذا التقديم.
فإذا قيل لك مثلاً: لماذا قدم السماء على الأرض هنا؟ قلت لأن الإهتمام بالسماء أكبر ثم إذا قيل لك ولماذا قدم الأرض على السماء في هذه الآية قلت لأن الإهتمام بالأرض هنا أكبر، فإذا قيل ولماذا كان الإهتمام بالسماء هناك أكبر وكان الإهتمام بالأرض هنا أكبر؟
وجب عليك أن تبين سبب ذلك وبيان الإختلاف بين الموطنين بحيث تبين أنه لا يصح أو لا يحسن تقديم الأرض على السماء فيما قدمت فيه السماء أو تقديم السماء على الأرض فيما قدمت فيه الأرض بياناً شافياً. وكذلك بقية المواطن الأخرى. أما أن تكتفي بعبارة أن هذه اللفظة قدمت للعناية والإهتمام بها فهذا وجه من وجوه الإبهام. والإكتفاء بها يضيع معرفة التمايز بين الأساليب فلا تعرف الأسلوب العالي الرفيع من الأسلوب المهلهل السخيف إذ كل واحد يقول لك: إن عنايتي بهذه اللفظة هنا أكبر دون البصر بما يستحقه المقام وما يقتضيه السياق.
إن فن التقديم والتأخير فن رفيع يعرفه أهل البصر بالتعبير والذين أوتوا حظاً من معرفة مواقع الكلم وليس ادعاء يدعى أو كلمة تقال.
وقد بلغ القرآن الكريم في هذا الفن كما في غيره الذروة في وضع الكلمات الوضع الذي تستحقه في التعبير بحيث تستقر في مكانها المناسب. ولم يكتف القرآن الكريم الذي وضع اللفظة بمراعاة السياق الذي وردت فيه بل راعى جميع المواضع التي وردت فيها اللفظة ونظر إليها نظرة واحدة شاملة في القرآن الكريم كله. فنرى التعبير متسقاً متناسقاً مع غيره من التعبيرات كأنه لوحة فنية واحدة مكتملة متكاملة.
فإذا قيل لك مثلاً: لماذا قدم السماء على الأرض هنا؟ قلت لأن الإهتمام بالسماء أكبر ثم إذا قيل لك ولماذا قدم الأرض على السماء في هذه الآية قلت لأن الإهتمام بالأرض هنا أكبر، فإذا قيل ولماذا كان الإهتمام بالسماء هناك أكبر وكان الإهتمام بالأرض هنا أكبر؟
وجب عليك أن تبين سبب ذلك وبيان الإختلاف بين الموطنين بحيث تبين أنه لا يصح أو لا يحسن تقديم الأرض على السماء فيما قدمت فيه السماء أو تقديم السماء على الأرض فيما قدمت فيه الأرض بياناً شافياً. وكذلك بقية المواطن الأخرى. أما أن تكتفي بعبارة أن هذه اللفظة قدمت للعناية والإهتمام بها فهذا وجه من وجوه الإبهام. والإكتفاء بها يضيع معرفة التمايز بين الأساليب فلا تعرف الأسلوب العالي الرفيع من الأسلوب المهلهل السخيف إذ كل واحد يقول لك: إن عنايتي بهذه اللفظة هنا أكبر دون البصر بما يستحقه المقام وما يقتضيه السياق.
إن فن التقديم والتأخير فن رفيع يعرفه أهل البصر بالتعبير والذين أوتوا حظاً من معرفة مواقع الكلم وليس ادعاء يدعى أو كلمة تقال.
وقد بلغ القرآن الكريم في هذا الفن كما في غيره الذروة في وضع الكلمات الوضع الذي تستحقه في التعبير بحيث تستقر في مكانها المناسب. ولم يكتف القرآن الكريم الذي وضع اللفظة بمراعاة السياق الذي وردت فيه بل راعى جميع المواضع التي وردت فيها اللفظة ونظر إليها نظرة واحدة شاملة في القرآن الكريم كله. فنرى التعبير متسقاً متناسقاً مع غيره من التعبيرات كأنه لوحة فنية واحدة مكتملة متكاملة.
আপনি যদি এই বা সেই শব্দের অগ্রবর্তিতার (التقديم) কারণ ব্যাখ্যা করতে চান, তবে কেবল এটুকু বলাই যথেষ্ট নয় যে, শব্দটিকে গুরুত্ব ও মনোযোগের (العناية والإهتمام) কারণে আগে আনা হয়েছে; বরং সেই গুরুত্বের ক্ষেত্রসমূহ এবং এই অগ্রবর্তিতার (التقديم) প্রকৃত কারণও স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করতে হবে।
উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনাকে জিজ্ঞাসা করা হয়: এখানে কেন পৃথিবীর আগে আকাশকে উল্লেখ (قدم) করা হয়েছে? আপনি বললেন, কারণ আকাশের গুরুত্ব এখানে বেশি। আবার যদি বলা হয়, এই আয়াতে কেন আকাশের আগে পৃথিবীকে উল্লেখ করা হয়েছে? আপনি বললেন, এখানে পৃথিবীর গুরুত্ব বেশি। এরপর যদি প্রশ্ন করা হয়: কেন সেখানে আকাশের গুরুত্ব বেশি ছিল আর কেনই বা এখানে পৃথিবীর গুরুত্ব বেশি?
তখন আপনার জন্য এর কারণ এবং উভয় ক্ষেত্রের পার্থক্য বিশদভাবে ব্যাখ্যা করা আবশ্যক হয়ে পড়ে, যাতে এটি স্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয় যে, যেখানে আকাশকে আগে আনা হয়েছে সেখানে আকাশের আগে পৃথিবীকে আনা সঠিক বা সমীচীন নয়, অথবা যেখানে পৃথিবীকে আগে আনা হয়েছে সেখানে পৃথিবীর আগে আকাশকে আনা সঙ্গত নয়। অন্যান্য ক্ষেত্রের বিষয়টিও তদ্রূপ। কিন্তু আপনি যদি কেবল এই বাক্যের ওপর নির্ভর করেন যে, এই শব্দটি গুরুত্ব ও মনোযোগের (العناية والإهتمام) কারণে আগে আনা হয়েছে, তবে তা হবে অস্পষ্টতার (الإبهام) নামান্তর। এর ওপর তুষ্ট থাকলে বিভিন্ন শৈলী বা রীতির (الأساليب) মধ্যকার পার্থক্য নিরূপণ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। ফলে আপনি উচ্চাঙ্গের উন্নত শৈলী এবং দুর্বল ও অসার শৈলীর মধ্যে পার্থক্য করতে পারবেন না। কেননা, তখন যে কেউ দাবি করতে পারে যে, প্রেক্ষিতের (المقام) দাবি এবং প্রাসঙ্গিকতার (السياق) চাহিদার দিকে ভ্রুক্ষেপ না করেই সে তার পছন্দমতো কোনো শব্দকে এখানে বেশি গুরুত্ব প্রদান করেছে।
নিশ্চয়ই শব্দের অগ্রবর্তিতা ও পশ্চাদবর্তিতার (التقديم والتأخير) শিল্প এক অতি উচ্চমানের শাস্ত্র, যা কেবল ভাবপ্রকাশে পারদর্শী এবং শব্দপ্রয়োগের নিগূঢ় রহস্য সম্পর্কে প্রজ্ঞা লাভ করেছেন এমন ব্যক্তিবর্গই অনুধাবন করতে পারেন। এটি নিছক কোনো মৌখিক দাবি বা সাধারণ কথা নয়।
কুরআন মাজিদ অন্যান্য বিষয়ের ন্যায় এই শিল্পেও শব্দসমূহকে তাদের যথোপযুক্ত স্থানে নিপুণভাবে বিন্যস্ত করার ক্ষেত্রে চরম শিখরে পৌঁছেছে, যার ফলে প্রতিটি শব্দ তার সঠিক অবস্থানে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কুরআন মাজিদ কেবল একটি বিশেষ আয়াতের প্রাসঙ্গিকতা (السياق) বজায় রেখেই শব্দ চয়ন করেনি, বরং সমগ্র কুরআনে ঐ শব্দটি যত স্থানে এসেছে তার সবগুলোর প্রতি একটি সামগ্রিক ও সমন্বিত দৃষ্টি রেখেছে। ফলে আমরা এর প্রতিটি প্রকাশভঙ্গিকে অন্যান্য বর্ণনার সাথে এমন সুসমন্বিত ও সুবিন্যস্ত দেখতে পাই, যেন তা একটি পূর্ণাঙ্গ ও নিখুঁত শিল্পকর্ম।
উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনাকে জিজ্ঞাসা করা হয়: এখানে কেন পৃথিবীর আগে আকাশকে উল্লেখ (قدم) করা হয়েছে? আপনি বললেন, কারণ আকাশের গুরুত্ব এখানে বেশি। আবার যদি বলা হয়, এই আয়াতে কেন আকাশের আগে পৃথিবীকে উল্লেখ করা হয়েছে? আপনি বললেন, এখানে পৃথিবীর গুরুত্ব বেশি। এরপর যদি প্রশ্ন করা হয়: কেন সেখানে আকাশের গুরুত্ব বেশি ছিল আর কেনই বা এখানে পৃথিবীর গুরুত্ব বেশি?
তখন আপনার জন্য এর কারণ এবং উভয় ক্ষেত্রের পার্থক্য বিশদভাবে ব্যাখ্যা করা আবশ্যক হয়ে পড়ে, যাতে এটি স্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয় যে, যেখানে আকাশকে আগে আনা হয়েছে সেখানে আকাশের আগে পৃথিবীকে আনা সঠিক বা সমীচীন নয়, অথবা যেখানে পৃথিবীকে আগে আনা হয়েছে সেখানে পৃথিবীর আগে আকাশকে আনা সঙ্গত নয়। অন্যান্য ক্ষেত্রের বিষয়টিও তদ্রূপ। কিন্তু আপনি যদি কেবল এই বাক্যের ওপর নির্ভর করেন যে, এই শব্দটি গুরুত্ব ও মনোযোগের (العناية والإهتمام) কারণে আগে আনা হয়েছে, তবে তা হবে অস্পষ্টতার (الإبهام) নামান্তর। এর ওপর তুষ্ট থাকলে বিভিন্ন শৈলী বা রীতির (الأساليب) মধ্যকার পার্থক্য নিরূপণ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। ফলে আপনি উচ্চাঙ্গের উন্নত শৈলী এবং দুর্বল ও অসার শৈলীর মধ্যে পার্থক্য করতে পারবেন না। কেননা, তখন যে কেউ দাবি করতে পারে যে, প্রেক্ষিতের (المقام) দাবি এবং প্রাসঙ্গিকতার (السياق) চাহিদার দিকে ভ্রুক্ষেপ না করেই সে তার পছন্দমতো কোনো শব্দকে এখানে বেশি গুরুত্ব প্রদান করেছে।
নিশ্চয়ই শব্দের অগ্রবর্তিতা ও পশ্চাদবর্তিতার (التقديم والتأخير) শিল্প এক অতি উচ্চমানের শাস্ত্র, যা কেবল ভাবপ্রকাশে পারদর্শী এবং শব্দপ্রয়োগের নিগূঢ় রহস্য সম্পর্কে প্রজ্ঞা লাভ করেছেন এমন ব্যক্তিবর্গই অনুধাবন করতে পারেন। এটি নিছক কোনো মৌখিক দাবি বা সাধারণ কথা নয়।
কুরআন মাজিদ অন্যান্য বিষয়ের ন্যায় এই শিল্পেও শব্দসমূহকে তাদের যথোপযুক্ত স্থানে নিপুণভাবে বিন্যস্ত করার ক্ষেত্রে চরম শিখরে পৌঁছেছে, যার ফলে প্রতিটি শব্দ তার সঠিক অবস্থানে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কুরআন মাজিদ কেবল একটি বিশেষ আয়াতের প্রাসঙ্গিকতা (السياق) বজায় রেখেই শব্দ চয়ন করেনি, বরং সমগ্র কুরআনে ঐ শব্দটি যত স্থানে এসেছে তার সবগুলোর প্রতি একটি সামগ্রিক ও সমন্বিত দৃষ্টি রেখেছে। ফলে আমরা এর প্রতিটি প্রকাশভঙ্গিকে অন্যান্য বর্ণনার সাথে এমন সুসমন্বিত ও সুবিন্যস্ত দেখতে পাই, যেন তা একটি পূর্ণাঙ্গ ও নিখুঁত শিল্পকর্ম।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 28)