58 - عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَقِيقٍ قَالَ: سَأَلْتُ عَائِشَةَ عَنْ صِيَامِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَتْ: «كَانَ يَصُومُ حَتَّى نَقُولَ قَدْ صَامَ، وَيُفْطِرُ حَتَّى نَقُولَ قَدْ أَفْطَرَ». قَالَتْ: «وَمَا صَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم شَهْراً كَامِلاً مُنْذُ قَدِمَ المَدِينَةَ إِلَّا رَمَضَانَ».
• الكلام عليه من وجوه:
* الوجه الأول: في التعريف براويه:
عائشة رضي الله عنها تقدم التعريف بها في الحديث رقم 5.
* الوجه الثاني: في تخريجه:
الحديث أخرجه مسلم في الصحيح(1) بنحوه. وله شواهد في الصحيحين من حديث أنس بن مالك وحديث عبد الله بن عباس بمعناه(2).
* الوجه الثالث: في الحديث دليل على أن النبي صلى الله عليه وسلم لم يكن يرتبط في الصيام بأيام معينة بصورة دائمة وراتبة، وإنما كان يكثر الصوم ويواليه، حتى يُظن أنه لن يفطر شيئاً من الشهر، ثم يكثر الفطر ويواليه، حتى يُظن أنه لن يصوم شيئاً من الشهر، وكان يصوم تارة من أول الشهر، وتارة من وسطه، وتارة من آخره، وفي هذا دليل على أن نافلة الصوم غير مختصة بوقت معين، بل كل السنة محل لها إلا الأيام المنهي عنها.--------------------------------------------
(1) «صحيح مسلم» (1156).
(2) ينظر «جامع الأصول» 6/ 302.
• الكلام عليه من وجوه:
* الوجه الأول: في التعريف براويه:
عائشة رضي الله عنها تقدم التعريف بها في الحديث رقم 5.
* الوجه الثاني: في تخريجه:
الحديث أخرجه مسلم في الصحيح(1) بنحوه. وله شواهد في الصحيحين من حديث أنس بن مالك وحديث عبد الله بن عباس بمعناه(2).
* الوجه الثالث: في الحديث دليل على أن النبي صلى الله عليه وسلم لم يكن يرتبط في الصيام بأيام معينة بصورة دائمة وراتبة، وإنما كان يكثر الصوم ويواليه، حتى يُظن أنه لن يفطر شيئاً من الشهر، ثم يكثر الفطر ويواليه، حتى يُظن أنه لن يصوم شيئاً من الشهر، وكان يصوم تارة من أول الشهر، وتارة من وسطه، وتارة من آخره، وفي هذا دليل على أن نافلة الصوم غير مختصة بوقت معين، بل كل السنة محل لها إلا الأيام المنهي عنها.--------------------------------------------
(1) «صحيح مسلم» (1156).
(2) ينظر «جامع الأصول» 6/ 302.
৫৮ - আবদুল্লাহ ইবনু শাকীক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আয়েশা (রা.)-কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সিয়াম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন: «তিনি বিরতিহীনভাবে সিয়াম পালন করতেন এমনকি আমরা বলতাম যে তিনি সিয়াম পালন করেই চলবেন, আবার তিনি সিয়াম ভঙ্গ করতেন (বিরতি দিতেন) এমনকি আমরা বলতাম যে তিনি আর সিয়াম পালন করবেন না।» তিনি আরও বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় আগমনের পর থেকে রমজান ব্যতীত আর কোনো পূর্ণ মাস সিয়াম পালন করেননি।»
• এর ওপর কয়েকটি দিক থেকে আলোচনা:
* প্রথম দিক: বর্ণনাকারীর পরিচিতি:
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা, তাঁর পরিচিতি ইতিপূর্বে ৫ নম্বর হাদীসে অতিক্রান্ত হয়েছে।
* দ্বিতীয় দিক: হাদীসের উৎস (তাখরীজ):
হাদীসটি ইমাম মুসলিম তাঁর সহীহ গ্রন্থে(১) এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এছাড়া সহীহাইন (বুখারী ও মুসলিম)-এ আনাস ইবনু মালিক এবং আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস থেকে বর্ণিত হাদীসে এর সমার্থবোধক সাক্ষ্য বিদ্যমান রয়েছে(২)।
* তৃতীয় দিক: হাদীসটি প্রমাণ করে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নফল সিয়ামের ক্ষেত্রে স্থায়ী ও নিয়মিতভাবে নির্দিষ্ট কিছু দিনের সাথে আবদ্ধ থাকতেন না। বরং তিনি অধিকহারে এবং একনাগাড়ে সিয়াম পালন করতেন, এমনকি মনে করা হতো যে তিনি মাসের কোনো অংশেই সিয়াম ভঙ্গ করবেন না; আবার তিনি অধিকহারে সিয়াম ভঙ্গ করতেন, এমনকি মনে করা হতো যে তিনি মাসের কোনো অংশেই সিয়াম পালন করবেন না। তিনি কখনো মাসের শুরুতে, কখনো মাঝামাঝি সময়ে এবং কখনো মাসের শেষে সিয়াম পালন করতেন। এর মধ্যে এ বিষয়ের প্রমাণ রয়েছে যে, নফল সিয়াম কোনো নির্দিষ্ট সময়ের সাথে সীমাবদ্ধ নয়; বরং নিষিদ্ধ দিনগুলো ব্যতীত পুরো বছরই এর সময়কাল।--------------------------------------------
(১) «সহীহ মুসলিম» (১১৫৬)।
(২) দেখুন: «জামি’উল উসূ’ল» ৬/ ৩০২।
• এর ওপর কয়েকটি দিক থেকে আলোচনা:
* প্রথম দিক: বর্ণনাকারীর পরিচিতি:
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা, তাঁর পরিচিতি ইতিপূর্বে ৫ নম্বর হাদীসে অতিক্রান্ত হয়েছে।
* দ্বিতীয় দিক: হাদীসের উৎস (তাখরীজ):
হাদীসটি ইমাম মুসলিম তাঁর সহীহ গ্রন্থে(১) এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এছাড়া সহীহাইন (বুখারী ও মুসলিম)-এ আনাস ইবনু মালিক এবং আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস থেকে বর্ণিত হাদীসে এর সমার্থবোধক সাক্ষ্য বিদ্যমান রয়েছে(২)।
* তৃতীয় দিক: হাদীসটি প্রমাণ করে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নফল সিয়ামের ক্ষেত্রে স্থায়ী ও নিয়মিতভাবে নির্দিষ্ট কিছু দিনের সাথে আবদ্ধ থাকতেন না। বরং তিনি অধিকহারে এবং একনাগাড়ে সিয়াম পালন করতেন, এমনকি মনে করা হতো যে তিনি মাসের কোনো অংশেই সিয়াম ভঙ্গ করবেন না; আবার তিনি অধিকহারে সিয়াম ভঙ্গ করতেন, এমনকি মনে করা হতো যে তিনি মাসের কোনো অংশেই সিয়াম পালন করবেন না। তিনি কখনো মাসের শুরুতে, কখনো মাঝামাঝি সময়ে এবং কখনো মাসের শেষে সিয়াম পালন করতেন। এর মধ্যে এ বিষয়ের প্রমাণ রয়েছে যে, নফল সিয়াম কোনো নির্দিষ্ট সময়ের সাথে সীমাবদ্ধ নয়; বরং নিষিদ্ধ দিনগুলো ব্যতীত পুরো বছরই এর সময়কাল।--------------------------------------------
(১) «সহীহ মুসলিম» (১১৫৬)।
(২) দেখুন: «জামি’উল উসূ’ল» ৬/ ৩০২।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 200)