وَكَفَى بِرَبِّكَ وَكِيلاً} [الإسراء 64-65] ، وقال: {إِنَّهُ لَيْسَ لَهُ سُلْطَانٌ عَلَى الَّذِينَ آمَنُوا وَعَلَى رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ * إِنَّمَا سُلْطَانُهُ عَلَى الَّذِينَ يَتَوَلَّوْنَهُ وَالَّذِينَ هُمْ بِهِ مُشْرِكُونَ} [النحل 99 - 100] .
الخلاصة:
يرى أهل السنة أن الشيطان يوسوس للإنسان ويتخبطه ويشككه في أمر دينه غير أن كل ذلك كائن بمشيئة الله.
المناقشة:
س 1- من الذي تولى محاولة تشكيك الإنسان وإفساده والوسوسة إليه؟
س 2 - هل يمكن أن يتخبط الشيطان الإنسان؟ وما معنى التخبط؟
س 3 - هل يضل الشيطان أحداً بغير إذن الله؟
"এবং কর্মবিধায়ক হিসেবে আপনার প্রতিপালকই যথেষ্ট" [আল-ইসরা ৬৪-৬৫], এবং তিনি বলেছেন: "নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের প্রতিপালকের ওপর ভরসা করে, তাদের ওপর তার (শয়তানের) কোনো আধিপত্য নেই। তার আধিপত্য তো কেবল তাদের ওপর যারা তাকে অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করে এবং যারা আল্লাহর সাথে শিরক করে" [আন-নাহল ৯৯-১০০]।
সারসংক্ষেপ:
আহলুস সুন্নাত মনে করেন যে, শয়তান মানুষকে কুমন্ত্রণা দেয়, তাকে দিশেহারা করে এবং তার দ্বীনের বিষয়ে সংশয় সৃষ্টি করে; তবে এর সবকিছুই আল্লাহর ইচ্ছায় সংঘটিত হয়।
আলোচনা:
১ম প্রশ্ন- মানুষের মনে সংশয় সৃষ্টি, তাকে কলুষিত করা এবং তাকে কুমন্ত্রণা দেওয়ার অপচেষ্টা কে গ্রহণ করেছে?
২য় প্রশ্ন- শয়তান কি মানুষকে দিশেহারা করতে পারে? এবং ‘তাখাব্বুত’ (দিশেহারা করা) এর অর্থ কী?
৩য় প্রশ্ন- শয়তান কি আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কাউকে পথভ্রষ্ট করতে পারে?

(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 338)