الدور الرابع: عصر التآليف الجامعة وانبثاق فن علوم الحديث مدونا
ويمتد من منتصف القرن الرابع إلى أوائل القرن السابع:
أكب العلماء في هذه الفترة على تصانيف السابقين التي كانت تجربة أولى في التدوين فجمعوا ما تفرق في مؤلفات الفن الواحد، واستدركوا ما فات السابقين، معتمدين في كل ذلك على نقل المعلومات عن العلماء بالسند إليهم كما فعل سابقوهم، ثم التعليق عليها والاستنباط منها.
فوجدت كتب في علوم الحديث لا تزال مراجع لا يغني عنها غيرها، ومن أهمها:
1 - "المحدث الفاصل بين الراوي والواعي" ألفه القاضي أبو محمد الرامهرمزي الحسن بن عبد الرحمن بن خلاد المتوفى سنة 360.
وهو أكبر كتاب وضع في علوم الحديث حتى ذلك العصر، استوفى فيه مؤلفه البحث في آداب الراوي والمحدث وطرق التحمل والأداء واجتهاد المحدثين في حمل العلم وما يتعلق بهذا الفن من الأمور. فهو في الحقيقة من كتب علوم الحديث بمعناه الإضافي لا باعتبار كونه اسما ولقبا للعلم الخاص المعروف.
2 - "الكفاية في علم الرواية" للخطيب البغدادي أبي بكر أحمد بن علي المتوفى سنة 463 هـ استوفى فيه البحث في قوانين الرواية
ويمتد من منتصف القرن الرابع إلى أوائل القرن السابع:
أكب العلماء في هذه الفترة على تصانيف السابقين التي كانت تجربة أولى في التدوين فجمعوا ما تفرق في مؤلفات الفن الواحد، واستدركوا ما فات السابقين، معتمدين في كل ذلك على نقل المعلومات عن العلماء بالسند إليهم كما فعل سابقوهم، ثم التعليق عليها والاستنباط منها.
فوجدت كتب في علوم الحديث لا تزال مراجع لا يغني عنها غيرها، ومن أهمها:
1 - "المحدث الفاصل بين الراوي والواعي" ألفه القاضي أبو محمد الرامهرمزي الحسن بن عبد الرحمن بن خلاد المتوفى سنة 360.
وهو أكبر كتاب وضع في علوم الحديث حتى ذلك العصر، استوفى فيه مؤلفه البحث في آداب الراوي والمحدث وطرق التحمل والأداء واجتهاد المحدثين في حمل العلم وما يتعلق بهذا الفن من الأمور. فهو في الحقيقة من كتب علوم الحديث بمعناه الإضافي لا باعتبار كونه اسما ولقبا للعلم الخاص المعروف.
2 - "الكفاية في علم الرواية" للخطيب البغدادي أبي بكر أحمد بن علي المتوفى سنة 463 هـ استوفى فيه البحث في قوانين الرواية
চতুর্থ পর্যায়: সংকলন সংবলিত গ্রন্থ রচনার যুগ এবং লিখিত আকারে হাদিস শাস্ত্রের উন্মেষ
এটি চতুর্থ হিজরি শতাব্দীর মধ্যভাগ থেকে সপ্তম শতাব্দীর শুরু পর্যন্ত বিস্তৃত:
এই সময়কালে আলেমগণ পূর্ববর্তীদের সংকলনসমূহের প্রতি মনোনিবেশ করেন, যা ছিল সংকলনের প্রাথমিক অভিজ্ঞতা। ফলে তাঁরা একক শাস্ত্রের বিভিন্ন গ্রন্থে ছড়িয়ে থাকা বিষয়গুলোকে একত্রিত করেন এবং পূর্ববর্তীদের বাদ পড়া বিষয়গুলোর পরিমার্জন করেন। এই সবক্ষেত্রে তাঁরা তাঁদের পূর্বসূরিদের ন্যায় আলেমদের থেকে প্রাপ্ত তথ্যাবলি সনদ (سند)-এর মাধ্যমে বর্ণনার ওপর নির্ভর করেন এবং পরবর্তীতে সেগুলোর ওপর টীকা প্রদান ও তত্ত্ব উদঘাটন করেন।
ফলে হাদিস শাস্ত্রে এমন কিছু গ্রন্থ রচিত হয়েছে যা আজও অনন্য আকর গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত এবং যার কোনো বিকল্প নেই। তন্মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো:
1 - "আল-মুহাদ্দিসুল ফাসিল বাইনার রাবি ওয়াল ওয়াই"; এটি রচনা করেছেন বিচারক আবু মুহাম্মদ আর-রামাহুরমুজি হাসান বিন আব্দুর রহমান বিন খাল্লাদ, যিনি ৩৬০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
এটি সেই সময় পর্যন্ত হাদিস শাস্ত্রে রচিত সর্ববৃহৎ গ্রন্থ। লেখক এতে বর্ণনাকারী (الراوي) ও হাদিস বিশারদ (المحدث)-এর আদব, হাদিস গ্রহণ (التحمل) ও হাদিস প্রদান (الأداء)-এর পদ্ধতি, ইলম অর্জনে মুহাদ্দিসদের প্রচেষ্টা এবং এই শাস্ত্র সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা করেছেন। প্রকৃতপক্ষে এটি হাদিস শাস্ত্রের একটি গ্রন্থ হিসেবে গণ্য, তবে তা একটি বিশেষ শাস্ত্রের পারিভাষিক নামের চেয়ে আভিধানিক অর্থেই বেশি প্রযোজ্য।
2 - খতিব আল-বাগদাদী আবু বকর আহমদ বিন আলী (মৃত্যু ৪৬৩ হিজরি) রচিত "আল-কিফায়া ফি ইলমির রিওয়াহ"; এতে তিনি বর্ণনা (الرواية)-এর নিয়মাবলি সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা করেছেন।
এটি চতুর্থ হিজরি শতাব্দীর মধ্যভাগ থেকে সপ্তম শতাব্দীর শুরু পর্যন্ত বিস্তৃত:
এই সময়কালে আলেমগণ পূর্ববর্তীদের সংকলনসমূহের প্রতি মনোনিবেশ করেন, যা ছিল সংকলনের প্রাথমিক অভিজ্ঞতা। ফলে তাঁরা একক শাস্ত্রের বিভিন্ন গ্রন্থে ছড়িয়ে থাকা বিষয়গুলোকে একত্রিত করেন এবং পূর্ববর্তীদের বাদ পড়া বিষয়গুলোর পরিমার্জন করেন। এই সবক্ষেত্রে তাঁরা তাঁদের পূর্বসূরিদের ন্যায় আলেমদের থেকে প্রাপ্ত তথ্যাবলি সনদ (سند)-এর মাধ্যমে বর্ণনার ওপর নির্ভর করেন এবং পরবর্তীতে সেগুলোর ওপর টীকা প্রদান ও তত্ত্ব উদঘাটন করেন।
ফলে হাদিস শাস্ত্রে এমন কিছু গ্রন্থ রচিত হয়েছে যা আজও অনন্য আকর গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত এবং যার কোনো বিকল্প নেই। তন্মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো:
1 - "আল-মুহাদ্দিসুল ফাসিল বাইনার রাবি ওয়াল ওয়াই"; এটি রচনা করেছেন বিচারক আবু মুহাম্মদ আর-রামাহুরমুজি হাসান বিন আব্দুর রহমান বিন খাল্লাদ, যিনি ৩৬০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
এটি সেই সময় পর্যন্ত হাদিস শাস্ত্রে রচিত সর্ববৃহৎ গ্রন্থ। লেখক এতে বর্ণনাকারী (الراوي) ও হাদিস বিশারদ (المحدث)-এর আদব, হাদিস গ্রহণ (التحمل) ও হাদিস প্রদান (الأداء)-এর পদ্ধতি, ইলম অর্জনে মুহাদ্দিসদের প্রচেষ্টা এবং এই শাস্ত্র সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা করেছেন। প্রকৃতপক্ষে এটি হাদিস শাস্ত্রের একটি গ্রন্থ হিসেবে গণ্য, তবে তা একটি বিশেষ শাস্ত্রের পারিভাষিক নামের চেয়ে আভিধানিক অর্থেই বেশি প্রযোজ্য।
2 - খতিব আল-বাগদাদী আবু বকর আহমদ বিন আলী (মৃত্যু ৪৬৩ হিজরি) রচিত "আল-কিফায়া ফি ইলমির রিওয়াহ"; এতে তিনি বর্ণনা (الرواية)-এর নিয়মাবলি সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা করেছেন।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 63)