حكم بيع الحبوب الممنوعة في الصيدلية بدون ورقة من الطبيب
السؤال
كنت قبل التزامي أعمل في صيدلية، وكنت أبيع حبوباً ممنوع أن تصرف إلا بورقة من الطبيب، فما حكم عملي؟ وهل رزقي حلال أم حرام أم به شبهة؟
الجواب
طبعاً أنت تعلم أن بعض هذه الحبوب يتعاطاها المدمنون، فيقول لك أحدهم: أعطني علاج الكحة مثلاً فإذا به يشرب الزجاجة كاملة، وإذا بمنظره -والعياذ بالله- قبيح، فأنت عند ذلك تعاونه على المنكر، فأقول لك: تب إلى ربك عز وجل من هذا الفعل، وظاهر حال الذي يشتري يحكم عليه، فإن كان مريضاً ويستدعي العلاج فلا بأس، أما إن كان غير ذلك فأنصحك أن تترك العمل.
ونفترض أن وزارة الصحة وضعت تعليمات أن هذا الدواء لا يباع إلا مع الروشتة فينبغي أن تلتزم بها، وهذا من المصالح المرسلة.
السؤال
كنت قبل التزامي أعمل في صيدلية، وكنت أبيع حبوباً ممنوع أن تصرف إلا بورقة من الطبيب، فما حكم عملي؟ وهل رزقي حلال أم حرام أم به شبهة؟
الجواب
طبعاً أنت تعلم أن بعض هذه الحبوب يتعاطاها المدمنون، فيقول لك أحدهم: أعطني علاج الكحة مثلاً فإذا به يشرب الزجاجة كاملة، وإذا بمنظره -والعياذ بالله- قبيح، فأنت عند ذلك تعاونه على المنكر، فأقول لك: تب إلى ربك عز وجل من هذا الفعل، وظاهر حال الذي يشتري يحكم عليه، فإن كان مريضاً ويستدعي العلاج فلا بأس، أما إن كان غير ذلك فأنصحك أن تترك العمل.
ونفترض أن وزارة الصحة وضعت تعليمات أن هذا الدواء لا يباع إلا مع الروشتة فينبغي أن تلتزم بها، وهذا من المصالح المرسلة.
চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ফার্মেসিতে নিষিদ্ধ বড়ি বিক্রির বিধান
প্রশ্ন
আমি ধর্মীয় জীবন যাপন শুরু করার পূর্বে একটি ফার্মেসিতে কাজ করতাম। সেখানে আমি এমন কিছু বড়ি বা ঔষধ বিক্রি করতাম যা চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র (প্রেসক্রিপশন) ছাড়া বিক্রি করা নিষিদ্ধ ছিল। এমতাবস্থায় আমার উক্ত কাজের বিধান কী? আমার উপার্জিত অর্থ কি হালাল, হারাম নাকি এতে কোনো সন্দেহ রয়েছে?
উত্তর
অবশ্যই আপনি জানেন যে, এই ঔষধগুলোর কিছু অংশ মাদকাসক্তরা নেশা হিসেবে গ্রহণ করে। যেমন—তাদের কেউ আপনাকে এসে বলল: "আমাকে কাশির ঔষধ দিন", এরপর দেখা গেল সে পুরো বোতলটিই পান করে ফেলেছে; ফলে তার অবস্থা—আল্লাহর কাছে এ থেকে আশ্রয় চাই—অত্যন্ত কদর্য হয়ে যায়। এমতাবস্থায় আপনি তাকে একটি পাপকাজে সহায়তা করছেন। তাই আমি আপনাকে বলব: আপনার এই কাজের জন্য আপনার মহামহিম ও মহিয়ান রবের নিকট তাওবা করুন। ক্রেতার বাহ্যিক অবস্থা দেখেই তার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যদি সে অসুস্থ হয় এবং তার চিকিৎসার প্রয়োজন থাকে, তবে তাতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু যদি বিষয়টি এর ব্যতিক্রম হয়, তবে আমি আপনাকে সেই কাজ ছেড়ে দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।
আর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যদি এই নির্দেশনা প্রদান করে থাকে যে, এই ঔষধটি ব্যবস্থাপত্র ছাড়া বিক্রি করা যাবে না, তবে আপনার জন্য তা মেনে চলা আবশ্যক। এটি জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের (মাসালিহে মুরসালাহ) অন্তর্ভুক্ত।
প্রশ্ন
আমি ধর্মীয় জীবন যাপন শুরু করার পূর্বে একটি ফার্মেসিতে কাজ করতাম। সেখানে আমি এমন কিছু বড়ি বা ঔষধ বিক্রি করতাম যা চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র (প্রেসক্রিপশন) ছাড়া বিক্রি করা নিষিদ্ধ ছিল। এমতাবস্থায় আমার উক্ত কাজের বিধান কী? আমার উপার্জিত অর্থ কি হালাল, হারাম নাকি এতে কোনো সন্দেহ রয়েছে?
উত্তর
অবশ্যই আপনি জানেন যে, এই ঔষধগুলোর কিছু অংশ মাদকাসক্তরা নেশা হিসেবে গ্রহণ করে। যেমন—তাদের কেউ আপনাকে এসে বলল: "আমাকে কাশির ঔষধ দিন", এরপর দেখা গেল সে পুরো বোতলটিই পান করে ফেলেছে; ফলে তার অবস্থা—আল্লাহর কাছে এ থেকে আশ্রয় চাই—অত্যন্ত কদর্য হয়ে যায়। এমতাবস্থায় আপনি তাকে একটি পাপকাজে সহায়তা করছেন। তাই আমি আপনাকে বলব: আপনার এই কাজের জন্য আপনার মহামহিম ও মহিয়ান রবের নিকট তাওবা করুন। ক্রেতার বাহ্যিক অবস্থা দেখেই তার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যদি সে অসুস্থ হয় এবং তার চিকিৎসার প্রয়োজন থাকে, তবে তাতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু যদি বিষয়টি এর ব্যতিক্রম হয়, তবে আমি আপনাকে সেই কাজ ছেড়ে দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।
আর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যদি এই নির্দেশনা প্রদান করে থাকে যে, এই ঔষধটি ব্যবস্থাপত্র ছাড়া বিক্রি করা যাবে না, তবে আপনার জন্য তা মেনে চলা আবশ্যক। এটি জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের (মাসালিহে মুরসালাহ) অন্তর্ভুক্ত।
(খণ্ড: 9) (পৃষ্ঠা: 11)