حقيقة أصل الإيمان
السؤال
المعاصي تنفي كمال الإيمان ويبقى أصله، فما هو أصل الإيمان، وهل هذا الأصل من جنس ما يكون به كمال الإيمان؟
الجواب
لا، أصله يعني: اسم الإيمان، وكون أحكام الإيمان تجري عليه، فإنه يخاطب بيا أيها الذين آمنوا! ويقال: إنه مؤمن، ويدخل في عموم المؤمنين، ويخاطب بالأوامر والنواهي، هذا أصل الإيمان، وأما حقيقته فهو كماله، فينفى عنه كماله.
السؤال
المعاصي تنفي كمال الإيمان ويبقى أصله، فما هو أصل الإيمان، وهل هذا الأصل من جنس ما يكون به كمال الإيمان؟
الجواب
لا، أصله يعني: اسم الإيمان، وكون أحكام الإيمان تجري عليه، فإنه يخاطب بيا أيها الذين آمنوا! ويقال: إنه مؤمن، ويدخل في عموم المؤمنين، ويخاطب بالأوامر والنواهي، هذا أصل الإيمان، وأما حقيقته فهو كماله، فينفى عنه كماله.
ঈমানের মূলের হাকীকত
প্রশ্ন
পাপাচার ঈমানের পূর্ণতাকে নাকচ করে দেয় এবং এর মূল অবশিষ্ট থাকে। এমতাবস্থায় ঈমানের মূল বলতে কী বোঝায়? আর এই মূলটি কি সেই প্রকারের যা দ্বারা ঈমানের পূর্ণতা সাব্যস্ত হয়?
উত্তর
না, এর মূল বলতে বোঝায়: ঈমান নামধারী হওয়া এবং ব্যক্তির ওপর ঈমানের বিধিবিধান জারি হওয়া। কেননা তাকে ‘হে ঈমানদারগণ!’ বলে সম্বোধন করা হয়, তাকে মুমিন বলা হয়, সে সাধারণ মুমিনদের অন্তর্ভুক্ত হয় এবং তাকে আদেশ ও নিষেধের মাধ্যমে সম্বোধন করা হয়। এটাই হলো ঈমানের মূল। আর এর হাকীকত বা প্রকৃত স্বরূপ হলো এর পূর্ণতা, তাই তার থেকে পূর্ণতাকে নাকচ করা হয়।
প্রশ্ন
পাপাচার ঈমানের পূর্ণতাকে নাকচ করে দেয় এবং এর মূল অবশিষ্ট থাকে। এমতাবস্থায় ঈমানের মূল বলতে কী বোঝায়? আর এই মূলটি কি সেই প্রকারের যা দ্বারা ঈমানের পূর্ণতা সাব্যস্ত হয়?
উত্তর
না, এর মূল বলতে বোঝায়: ঈমান নামধারী হওয়া এবং ব্যক্তির ওপর ঈমানের বিধিবিধান জারি হওয়া। কেননা তাকে ‘হে ঈমানদারগণ!’ বলে সম্বোধন করা হয়, তাকে মুমিন বলা হয়, সে সাধারণ মুমিনদের অন্তর্ভুক্ত হয় এবং তাকে আদেশ ও নিষেধের মাধ্যমে সম্বোধন করা হয়। এটাই হলো ঈমানের মূল। আর এর হাকীকত বা প্রকৃত স্বরূপ হলো এর পূর্ণতা, তাই তার থেকে পূর্ণতাকে নাকচ করা হয়।
(খণ্ড: 11) (পৃষ্ঠা: 13)