‌‌المطلب الثاني اعتراضات على الإعجاز العلمي
الناظر إلى المكتبة القرآنية اليوم سوف يجد كماً هائلاً من الإنتاج العلمي في قضية الإعجاز العلمي، وليس من التحقيق أبداً التغافل عن دراسة هذا الإنتاج دراسة نقدية حقيقية، تبين ما في هذا الكم الهائل من صواب وخطأ، وما فيه من إيجابيات وسلبيات، وما أثره على سير عجلة الدراسات القرآنية الحديثة. ومن خلال اطلاعي على الإنتاج العلمي لأرباب الإعجاز العلمي فإني سجل عدداً من الملحوظات العلمية والمنهجية؛ لتكون عوناً لكل من أحب أن يخوض غمار الإعجاز العلمي، تأصيلاً أو تطبيقاً، وقد حاولت الاختصار والإجمال قدر المستطاع(1)، وإليك شيئاً من هذه الملحوظات:--------------------------------------------
(1) كثُرت المؤلفاتُ والأبحاث والمقالات في هذا المجال، تأصيلاً وتطبيقاً، وقد أفدت كثيراً مما قرأته، مع عدم قناعتي ببعض الأمثلة من جهة، وببعض الردود من جهة أخرى، فاخترت ما رأيته يَسلَم، ورددت على بعضها بما رأيته الأسلم. هذا من جهة، ومن جهة أخرى فإن الأمثلة قد تشابهت كثيرا عند من نقد الإعجاز العلمي تأصيلاً أو تطبيقاً، فلم أذكر كل المراجع التي عرضت لنقد هذه الأمثلة في كل مثال، فمع إفادتي من الأمثلة إلا أن حاولت أن أبحثها بطريقة مختلفة إلى حد كبير، مع توسع أكثر في الرد على هذه الأمثلة. مع تقديري التام لكل ما كتب من تحقيقات وتدقيقات في هذا المجال، فلهم الفضل في البحث عن الأمثلة والإشارة إلى ما فيها من اعتراضات ونظرات. ومن هذه الجهود كتاب الدكتور مساعد الطيار (الإعجاز العلمي إلى أين؟). وما كتبه غيره على شكل أبحاث أو مقالات أشرتُ إلى بعضها في صفحات المطلب.
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: বৈজ্ঞানিক অলৌকিকত্ব (الإعجاز العلمي) সংক্রান্ত আপত্তিগুলো
বর্তমানকালের কুরআন সংশ্লিষ্ট লাইব্রেরিগুলোর দিকে তাকালে বৈজ্ঞানিক অলৌকিকত্ব (الإعجاز العلمي) বিষয়ে বিপুল পরিমাণ গবেষণাকর্ম চোখে পড়ে। এই বিশাল কর্মতৎপরতা সম্পর্কে প্রকৃত যাচাই-বাছাই (تحقيق) এবং সমালোচনামূলক পর্যালোচনার বিষয়টিকে উপেক্ষা করা মোটেও উচিত নয়; যা এই বিশাল ভাণ্ডারের সঠিক ও ভুলসমূহ এবং এর ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিকগুলো সুস্পষ্ট করবে এবং আধুনিক কুরআন গবেষণার গতিধারায় এর প্রভাব কী তা তুলে ধরবে। বৈজ্ঞানিক অলৌকিকত্ব (الإعجاز العلمي) বিষয়ের প্রবক্তাদের বৈজ্ঞানিক কাজসমূহ পর্যালোচনার মাধ্যমে আমি কিছু তাত্ত্বিক ও পদ্ধতিগত পর্যবেক্ষণ নথিবদ্ধ করেছি; যা বৈজ্ঞানিক অলৌকিকত্ব (الإعجاز العلمي) বিষয়ে গবেষণায় আগ্রহী ব্যক্তিদের জন্য মূলনীতি নির্ধারণ (تأصيل) বা প্রয়োগ (تطبيق) উভয় ক্ষেত্রেই সহায়ক হয়। আমি যথাসম্ভব সংক্ষেপ ও সারসংক্ষেপ করার চেষ্টা করেছি(১), আর নিচে সেই পর্যবেক্ষণগুলো তুলে ধরা হলো:--------------------------------------------
(১) এ বিষয়ে মূলনীতি নির্ধারণ (تأصيل) ও প্রয়োগ (تطبيق) সংক্রান্ত গ্রন্থ, গবেষণা ও প্রবন্ধের সংখ্যা প্রচুর। আমি যা পাঠ করেছি তা থেকে যথেষ্ট উপকৃত হয়েছি, তবে একদিক থেকে যেমন কিছু উদাহরণের ব্যাপারে আমার পূর্ণ আস্থা নেই, তেমনি অন্যদিক থেকে কিছু খণ্ডনমূলক জবাবের ক্ষেত্রেও আমার ভিন্নমত রয়েছে। তাই আমি যা সংগত মনে করেছি তা গ্রহণ করেছি এবং কয়েকটির ব্যাপারে আমার দৃষ্টিতে যা অধিকতর নিরাপদ মনে হয়েছে সেভাবে উত্তর দিয়েছি। এটি এক দিক, আর অন্য দিক হলো—যারা বৈজ্ঞানিক অলৌকিকত্ব (الإعجاز العلمي) এর তাত্ত্বিক বা প্রায়োগিক সমালোচনা করেছেন, তাদের ব্যবহৃত উদাহরণগুলো একে অপরের সাথে অনেক সাদৃশ্যপূর্ণ। ফলে প্রতিটি উদাহরণের ক্ষেত্রে আমি সেই সকল সূত্রের উল্লেখ করিনি যারা এগুলোর সমালোচনা করেছেন। যদিও আমি উদাহরণগুলো থেকে উপকৃত হয়েছি, তবে আমি সেগুলো ভিন্ন আঙ্গিকে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি এবং উদাহরণগুলোর সমালোচনার ক্ষেত্রে অধিকতর বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করেছি। এই ক্ষেত্রে যারা সূক্ষ্ম বিচার-বিশ্লেষণ ও অনুসন্ধান করেছেন, আমি তাদের কাজের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা পোষণ করি; উদাহরণ অনুসন্ধান এবং সেগুলোর ত্রুটি ও আপত্তির দিকগুলো নির্দেশ করার ক্ষেত্রে তাদের অবদান অনস্বীকার্য। এ ধরণের প্রচেষ্টার মধ্যে ডক্টর মুসাঈদ আত-তাইয়্যার এর লিখিত বই 'আল-ই'জাযুল ইলমি ইলা আইনা?' অন্যতম। এছাড়া অন্যান্যদের লেখা গবেষণা বা প্রবন্ধসমূহ, যার কয়েকটির দিকে আমি এই পরিচ্ছেদের বিভিন্ন পৃষ্ঠায় ইঙ্গিত করেছি।

(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 160)