وهذا كقوله {عَلَّمَهُ شَدِيدُ الْقُوَى ذُو مِرَّةٍ فَاسْتَوَى وَهُوَ بِالْأُفُقِ الْأَعْلَى ثُمَّ دَنَا فَتَدَلَّى فَكَانَ قَابَ قَوْسَيْنِ أَوْ أَدْنَى فَأَوْحَى إِلَى عَبْدِهِ مَا أَوْحَى مَا كَذَبَ الْفُؤَادُ مَا رَأَى أَفَتُمَارُونَهُ عَلَى مَا يَرَى وَلَقَدْ رَآهُ نَزْلَةً أُخْرَى عِنْدَ سِدْرَةِ الْمُنْتَهَى عِنْدَهَا جَنَّةُ الْمَأْوَى إِذْ يَغْشَى السِّدْرَةَ مَا يَغْشَى مَا زَاغَ الْبَصَرُ وَمَا طَغَى لَقَدْ رَأَى مِنْ آيَاتِ رَبِّهِ الْكُبْرَى} وقال {إِنَّهُ لَقَوْلُ رَسُولٍ كَرِيمٍ ذِي قُوَّةٍ عِنْدَ ذِي الْعَرْشِ مَكِينٍ مُطَاعٍ ثَمَّ أَمِينٍ وَمَا صَاحِبُكُمْ بِمَجْنُونٍ وَلَقَدْ رَآهُ بِالْأُفُقِ الْمُبِينِ وَمَا هُوَ عَلَى الْغَيْبِ بِضَنِينٍ وَمَا هُوَ بِقَوْلِ شَيْطَانٍ رَجِيمٍ} فأخبر أن الذي جاء بالقرآن رسول كريم ذو قوة عند ذي العرش مكين وأنه مطاع ثم أمين وهذا يمتنع أن تكون صفة أعراض تقوم بنفوس البشر ولا سيما عند هؤلاء الفلاسفة الذين يمنعون أن يكون لدعاء البشر تأثير في الملأ الأعلى وقد أخبر أنه رآه عند سدرة المنتهى عندها جنة المأوى وأنه رآه بالأفق المبين وما يحصل في نفس الرسول لا يكون هنا ولا هنا
وغايتهم أن يقولوا هذا تخيل في نفسه وإن لم يكن موجودا في الخارج وحينئذ فيكون الرسول من جنس آحاد
এটি তঁার এই বাণীর মতো: {তঁাকে শিক্ষা দান করেছেন প্রবল শক্তিশালী এক সত্তা, যিনি দৈহিক শক্তিতে বলীয়ান, অতঃপর তিনি উঠলেন। তখন তিনি ছিলেন ঊর্ধ্ব দিগন্তে। তারপর তিনি নিকটবর্তী হলেন এবং ঝুলে থাকলেন। ফলে তাদের ব্যবধান থাকল দুই ধনুক পরিমাণ বা তার চেয়েও কম। তখন তিনি তঁার বান্দার প্রতি যা ওহী করার ছিল তা ওহী করলেন। তিনি যা দেখেছেন, তঁার অন্তর তা অস্বীকার করেনি। তবে কি তোমরা তিনি যা দেখেন সে বিষয়ে তঁার সাথে বিতর্ক করবে? নিশ্চয়ই তিনি তঁাকে আরেকবার দেখেছিলেন, সিদরাতুল মুনতাহার নিকটে। যার পাশেই জান্নাতুল মাওয়া অবস্থিত। যখন সিদরাহ (বৃক্ষ)-টিকে আচ্ছন্ন করেছিল যা আচ্ছন্ন করার ছিল। তঁার দৃষ্টি বিভ্রান্ত হয়নি এবং লক্ষ্যচ্যুতও হয়নি। নিশ্চয়ই তিনি তঁার রবের বড় বড় নিদর্শনসমূহ দেখেছিলেন।} এবং তিনি বলেছেন: {নিশ্চয়ই এটি এক সম্মানিত রাসূলের বাণী। যিনি শক্তিশালী এবং আরশওয়ালার নিকট উচ্চ মর্যাদাবান। সেখানে তিনি মান্যবর ও বিশ্বস্ত। আর তোমাদের সঙ্গী উন্মাদ নন। এবং অবশ্যই তিনি তঁাকে স্পষ্ট দিগন্তে দেখেছেন। আর তিনি গায়েবের বিষয়ে কোনো কৃপণতা করেন না। আর এটি কোনো বিতাড়িত শয়তানের বাণী নয়।} সুতরাং তিনি সংবাদ দিয়েছেন যে, যিনি কুরআন নিয়ে এসেছেন তিনি একজন সম্মানিত রাসূল, যিনি শক্তিশালী এবং আরশওয়ালার নিকট সুপ্রতিষ্ঠিত মর্যাদার অধিকারী। আর তিনি সেখানে মান্যবর ও বিশ্বস্ত। আর এটি মানুষের মনে উৎপন্ন হওয়া কোনো আপতিক গুণ হওয়া অসম্ভব। বিশেষত ঐ সকল দার্শনিকদের নিকট যারা ঊর্ধ্বজগতে মানুষের দোয়ার কোনো প্রভাব থাকাকে অস্বীকার করে। অথচ আল্লাহ সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি তঁাকে সিদরাতুল মুনতাহার নিকটে দেখেছেন যার নিকটেই জান্নাতুল মাওয়া অবস্থিত এবং তিনি তঁাকে স্পষ্ট দিগন্তেও দেখেছেন। আর রাসূলের মনে যা অনুভূত হয় তা এখানে বা ওখানে হয় না।
এবং তাদের দৌড় হলো এ পর্যন্তই যে, তারা বলে এটি তঁার মনের একটি কল্পনা মাত্র, যদিও বাস্তবে এর কোনো অস্তিত্ব নেই। এমতাবস্থায় রাসূল সাধারণ এক ব্যক্তিতে পরিণত হন।

(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 200)