عرفت ماذكرناه فَاعْلَمْ أَنَّ الْإِسْهَالَ يَحْصُلُ مِنْ أَنْوَاعٍ كَثِيرَةٍ مِنْهَا الْإِسْهَالُ الْحَادِثُ مِنَ التُّخَمِ وَالْهَيْضَاتِ وَقَدْ أجمع الأطباء فى مثل هذا على عِلَاجَهُ بِأَنْ يَتْرُكَ الطَّبِيعَةَ وَفِعْلَهَا وَإِنِ احْتَاجَتْ إلى معين على الاسهال أعينت مادامت الْقُوَّةُ بَاقِيَةً فَأَمَّا حَبْسُهَا فَضَرَرٌ عِنْدَهُمْ وَاسْتِعْجَالُ مَرَضٍ فَيُحْتَمَلُ أَنْ يَكُونَ هَذَا الْإِسْهَالُ لِلشَّخْصِ الْمَذْكُورِ فِي الْحَدِيثِ أَصَابَهُ مِنَ امْتِلَاءٍ أَوْ هَيْضَةٍ فَدَوَاؤُهُ تَرْكُ إِسْهَالِهِ عَلَى مَا هُوَ أَوْ تَقْوِيَتُهُ فَأَمْرُهُ صلى الله عليه وسلم بِشُرْبِ الْعَسَلِ فَرَآهُ إِسْهَالًا فَزَادَهُ عَسَلًا إِلَى أَنْ فَنِيَتِ الْمَادَّةُ فَوَقَفَ الْإِسْهَالُ وَيَكُونُ الْخَلْطُ الَّذِي كَانَ يُوَافِقُهُ شُرْبُ الْعَسَلِ فَثَبَتَ بِمَا ذَكَرْنَاهُ أَنَّ الْعَسَلَ جَارٍ عَلَى صِنَاعَةِ الطِّبِّ وَأَنَّ الْمُعْتَرِضَ عَلَيْهِ جَاهِلٌ لَهَا وَلَسْنَا نَقْصِدُ الاستظهار لتصديق الحديث بقول الأطباء بل لوكذبوه كَذَّبْنَاهُمْ وَكَفَّرْنَاهُمْ فَلَوْ أَوْجَدُوا الْمُشَاهَدَةَ بِصِحَّةِ دَعْوَاهُمْ تَأَوَّلْنَا كَلَامَهُ صلى الله عليه وسلم حِينَئِذٍ وَخَرَّجْنَاهُ عَلَى مَا يَصِحُّ فَذَكَرْنَا هَذَا الْجَوَابَ
আমরা যা উল্লেখ করেছি তা যখন আপনি অবগত হলেন, তখন জেনে রাখুন যে, উদরাময় বহুবিধ কারণে হতে পারে; তন্মধ্যে একটি হলো অজীর্ণ ও অতিভোজনজনিত উদরাময়। এই জাতীয় রোগের ক্ষেত্রে চিকিৎসাবিদগণ এই মর্মে একমত হয়েছেন যে, এর চিকিৎসা হলো প্রকৃতি এবং তার স্বাভাবিক ক্রিয়াকে নিজস্ব গতিতে চলতে দেওয়া। যদি নির্গমনের ক্ষেত্রে সহায়তার প্রয়োজন হয়, তবে জীবনীশক্তি অবশিষ্ট থাকা পর্যন্ত তাকে সহায়তা করা হবে। কিন্তু তা রোধ করা তাঁদের মতে ক্ষতিকর এবং রোগকে ত্বরান্বিত করার নামান্তর। সুতরাং সম্ভাবনা রয়েছে যে, হাদীসে বর্ণিত সেই ব্যক্তির উদরাময় পাকস্থলীর ভার বা অজীর্ণতা থেকে সৃষ্টি হয়েছিল। ফলে তার চিকিৎসা ছিল উদরাময়কে স্বাভাবিক গতিতে চলতে দেওয়া অথবা এর নিঃসরণ বৃদ্ধি করা। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে মধু পান করার নির্দেশ দিলেন। তিনি একে রেচক হিসেবে দেখেছিলেন, তাই তিনি তাকে বারবার মধু পান করালেন যতক্ষণ না দূষিত পদার্থ নিঃশেষ হলো এবং উদরাময় বন্ধ হলো। আর সেই শারীরিক উপাদানটি এমন ছিল যার জন্য মধু পান উপযুক্ত ছিল। আমাদের এই বর্ণনার মাধ্যমে এটিই সাব্যস্ত হলো যে, মধুর ব্যবহার চিকিৎসাবিজ্ঞানের মূলনীতির আলোকেই হয়েছে এবং যে ব্যক্তি এ নিয়ে আপত্তি তোলে সে এই শাস্ত্র সম্পর্কে অজ্ঞ। চিকিৎসকদের উক্তির মাধ্যমে হাদীসকে সত্যায়ন করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়; বরং তারা যদি একে অস্বীকার করত তবে আমরা তাদেরকেই মিথ্যা প্রতিপন্ন করতাম এবং তাদের কাফির সাব্যস্ত করতাম। এমনকি তারা যদি তাদের দাবির সপক্ষে চাক্ষুষ প্রমাণও হাজির করত, তবে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণীর উপযুক্ত ব্যাখ্যা প্রদান করতাম এবং যা সঠিক হয় সেভাবেই তা বিশ্লেষণ করতাম। মূলত একারণেই আমরা এই উত্তরটি প্রদান করেছি।
(খণ্ড: 14) (পৃষ্ঠা: 194)