السَّفَرِ أَنْ يَقُولَ أَلَا صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ

[698] وَفِي رِوَايَةٍ لِيُصَلِّ مَنْ شَاءَ مِنْكُمْ فِي رحله وفي حديث بن عباس رضي الله عنهما أنه قال لمؤذن فِي يَوْمٍ مَطِيرٍ إِذَا قُلْتَ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ فَلَا تَقُلْ حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ قُلْ صَلُّوا فِي بُيُوتِكُمْ قَالَ فَكَأَنَّ النَّاسَ اسْتَنْكَرُوا ذَلِكَ فَقَالَ أَتَعْجَبُونَ مِنْ ذَا فَقَدْ فَعَلَ هَذَا مَنْ هُوَ خَيْرٌ مِنِّي إِنَّ الْجُمُعَةَ عَزْمَةٌ وَإِنِّي كَرِهْتُ أَنْ أَحْرِجَكُمْ فَتَمْشُوا فِي الطِّينِ
সফরের অবস্থায় এই ঘোষণা করা যে, ‘শোনো, তোমরা তোমাদের ডেরায় বা অবস্থানে সালাত আদায় করে নাও’।

[৬৯৮] অন্য একটি বর্ণনায় রয়েছে, ‘তোমাদের মধ্যে যে ইচ্ছা করে সে যেন তার আবাসস্থলে সালাত আদায় করে নেয়।’ এবং ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত হাদীসে রয়েছে যে, তিনি এক বৃষ্টির দিনে মুআযযিনকে বললেন, ‘যখন তুমি আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ বলবে, তখন হাইয়া আলাস-সালাহ বলো না; বরং বলো—তোমরা তোমাদের ঘরে সালাত আদায় করে নাও।’ বর্ণনাকারী বলেন, (এটি শুনে) মানুষ যেন বিষয়টি অপছন্দ করল। তখন তিনি বললেন, ‘তোমরা কি এতে বিস্ময়বোধ করছ? অথচ যিনি আমার চেয়ে উত্তম ছিলেন, তিনিই এমনটি করেছেন। নিশ্চয়ই জুমুআ একটি অপরিহার্য বিধান, তবে আমি তোমাদেরকে সংকটে ফেলা অপছন্দ করেছি যে, তোমরা কাদা-মাটির মধ্য দিয়ে হেঁটে আসবে।’

(খণ্ড: 5) (পৃষ্ঠা: 206)