المسألة الثانية
معنى الشرك وأنواعه
معناه اللغوي:
جاء في معجم مقاييس اللغة لابن فارس: مادة (الشرك) المكونة من حرف الشين والراء والكاف أصلان:
أحدهما: يدل على مقارنة وخلاف انفراد.
والآخر: يدل على امتداد واستقامة.
أما الأول: فهو (الشرك) بالتخفيف أي بإسكان الراء، أغلب في الاستعمال، يكون مصدرًا واسمًا، تقول: شاركته في الأمر وشركته فيه أشركه شركًا، بكسر الأول وسكون الثاني، ويأتي: شركة، بفتح الأول وكسر الثاني فيها. ويقال: أشركته: أي جعلته شريكًا.
فهذه اشتقاقات لفظ الشرك في اللغة على الأصل الأول.
ويطلق حينئذ على المعاني الآتية:
1 - المخالطة، والمصاحبة، والمشاركة.
معنى الشرك وأنواعه
معناه اللغوي:
جاء في معجم مقاييس اللغة لابن فارس: مادة (الشرك) المكونة من حرف الشين والراء والكاف أصلان:
أحدهما: يدل على مقارنة وخلاف انفراد.
والآخر: يدل على امتداد واستقامة.
أما الأول: فهو (الشرك) بالتخفيف أي بإسكان الراء، أغلب في الاستعمال، يكون مصدرًا واسمًا، تقول: شاركته في الأمر وشركته فيه أشركه شركًا، بكسر الأول وسكون الثاني، ويأتي: شركة، بفتح الأول وكسر الثاني فيها. ويقال: أشركته: أي جعلته شريكًا.
فهذه اشتقاقات لفظ الشرك في اللغة على الأصل الأول.
ويطلق حينئذ على المعاني الآتية:
1 - المخالطة، والمصاحبة، والمشاركة.
দ্বিতীয় মাসয়ালা
শিরকের অর্থ ও এর প্রকারভেদ
এর আভিধানিক অর্থ:
ইবনে ফারিসের ‘মু’জামু মাকায়িসিল লুগাহ’-তে বর্ণিত হয়েছে: ‘শীন’, ‘রা’ এবং ‘কাফ’ (শিরক) বর্ণত্রয় দ্বারা গঠিত মূল ধাতুর ভিত্তি দুটি:
প্রথমটি: যা অংশীদারিত্ব এবং একক বা নিঃসঙ্গ না হওয়ার অর্থ প্রকাশ করে।
দ্বিতীয়টি: যা প্রশস্ততা ও সরলতা বা ঋজুতার অর্থ প্রকাশ করে।
প্রথম ভিত্তিটি হলো: ‘রা’ বর্ণে সুকুন বা জজম সহযোগে ‘শিরক’, যা অধিক ব্যবহৃত। এটি ক্রিয়ামূল (মাসদার) এবং বিশেষ্য (ইসম) উভয় হিসেবেই ব্যবহৃত হয়। যেমন বলা হয়: ‘আমি তাকে এ বিষয়ে শরীক করেছি’ অথবা ‘আমি তার সাথে এ বিষয়ে শরীক হয়েছি’; যার ক্রিয়ামূল প্রথম বর্ণে কাসরা (জের) ও দ্বিতীয় বর্ণে সুকুন যোগে ‘শিরকান’। আবার প্রথম বর্ণে ফাতহা (জবর) ও দ্বিতীয় বর্ণে কাসরা যোগে ‘শারিকাহ’ রূপেও এটি আসে। আর ‘আশরোকতুহু’ বলার অর্থ হলো: আমি তাকে অংশীদার বানিয়েছি।
প্রথম মূলনীতির আলোকে ভাষাগতভাবে ‘শিরক’ শব্দের বুৎপত্তিগত রূপগুলো এমনই।
তখন এটি নিম্নোক্ত অর্থগুলোতে ব্যবহৃত হয়:
১ - সংমিশ্রণ, সহচর্য এবং অংশীদারিত্ব।
শিরকের অর্থ ও এর প্রকারভেদ
এর আভিধানিক অর্থ:
ইবনে ফারিসের ‘মু’জামু মাকায়িসিল লুগাহ’-তে বর্ণিত হয়েছে: ‘শীন’, ‘রা’ এবং ‘কাফ’ (শিরক) বর্ণত্রয় দ্বারা গঠিত মূল ধাতুর ভিত্তি দুটি:
প্রথমটি: যা অংশীদারিত্ব এবং একক বা নিঃসঙ্গ না হওয়ার অর্থ প্রকাশ করে।
দ্বিতীয়টি: যা প্রশস্ততা ও সরলতা বা ঋজুতার অর্থ প্রকাশ করে।
প্রথম ভিত্তিটি হলো: ‘রা’ বর্ণে সুকুন বা জজম সহযোগে ‘শিরক’, যা অধিক ব্যবহৃত। এটি ক্রিয়ামূল (মাসদার) এবং বিশেষ্য (ইসম) উভয় হিসেবেই ব্যবহৃত হয়। যেমন বলা হয়: ‘আমি তাকে এ বিষয়ে শরীক করেছি’ অথবা ‘আমি তার সাথে এ বিষয়ে শরীক হয়েছি’; যার ক্রিয়ামূল প্রথম বর্ণে কাসরা (জের) ও দ্বিতীয় বর্ণে সুকুন যোগে ‘শিরকান’। আবার প্রথম বর্ণে ফাতহা (জবর) ও দ্বিতীয় বর্ণে কাসরা যোগে ‘শারিকাহ’ রূপেও এটি আসে। আর ‘আশরোকতুহু’ বলার অর্থ হলো: আমি তাকে অংশীদার বানিয়েছি।
প্রথম মূলনীতির আলোকে ভাষাগতভাবে ‘শিরক’ শব্দের বুৎপত্তিগত রূপগুলো এমনই।
তখন এটি নিম্নোক্ত অর্থগুলোতে ব্যবহৃত হয়:
১ - সংমিশ্রণ, সহচর্য এবং অংশীদারিত্ব।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 113)