والتوكل على الله من أعظم منازل (إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ)، فلا يحصل كمال التوحيد بأنواعه الثلاثة إلا بكمال التوكل على الله سبحانه، قال الله تعالى: (رَبُّ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ فَاتَّخِذْهُ وَكِيلًا)، والآيات في الأمر به كثيرة جدًا، وقال تعالى: (وَمَنْ يَتَوَكَّلْ عَلَى اللهِ فَهُوَ حَسْبُهُ إِنَّ اللهَ بَالِغُ أَمْرِهِ).
قال الإمام ابن القيم رحمه الله تعالى: (وَعَلَى اللَّهِ فَتَوَكَّلُوا إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَ)، فجعل التوكل على الله شرطًا في الإيمان، فدل على انتفاء الإيمان عند انتفائه، وكلما قوي إيمان العبد توكله أقوى، وإ ذا ضعف الإيمان ضعف التوكل، وإذا كان التوكل ضعيفاً كان دليلاً على ضعف الإيمان ولابد، والله تعالى في مواضع من كتابه يجمع بين التوكل والإسلام، وبين التوكل والهداية، فظهر أن التوكل أصل لجميع مقامات الإيمان، والإحسان أصل لجميع أعلام الإسلام، وأن منزلته منها كمنزلة الرأس من الجسد، فكما لا يقوم الرأس إلا على البدن فكذلك لا يقوم الإيمان ومقاماته وأعماله إلا على ساق التوكل.
وقد جعل الله التوكل عليه من أبرز صفات المؤمنين فقال سبحانه وتعالى: (إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ الَّذِينَ إِذَا ذُكِرَ اللَّهُ وَجِلَتْ قُلُوبُهُمْ وَإِذَا تُلِيَتْ عَلَيْهِمْ آيَاتُهُ زَادَتْهُمْ إِيمَانًا وَعَلَى رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ)، أي يعتمدون عليه بقلوبهم فلا يرجون
قال الإمام ابن القيم رحمه الله تعالى: (وَعَلَى اللَّهِ فَتَوَكَّلُوا إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَ)، فجعل التوكل على الله شرطًا في الإيمان، فدل على انتفاء الإيمان عند انتفائه، وكلما قوي إيمان العبد توكله أقوى، وإ ذا ضعف الإيمان ضعف التوكل، وإذا كان التوكل ضعيفاً كان دليلاً على ضعف الإيمان ولابد، والله تعالى في مواضع من كتابه يجمع بين التوكل والإسلام، وبين التوكل والهداية، فظهر أن التوكل أصل لجميع مقامات الإيمان، والإحسان أصل لجميع أعلام الإسلام، وأن منزلته منها كمنزلة الرأس من الجسد، فكما لا يقوم الرأس إلا على البدن فكذلك لا يقوم الإيمان ومقاماته وأعماله إلا على ساق التوكل.
وقد جعل الله التوكل عليه من أبرز صفات المؤمنين فقال سبحانه وتعالى: (إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ الَّذِينَ إِذَا ذُكِرَ اللَّهُ وَجِلَتْ قُلُوبُهُمْ وَإِذَا تُلِيَتْ عَلَيْهِمْ آيَاتُهُ زَادَتْهُمْ إِيمَانًا وَعَلَى رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ)، أي يعتمدون عليه بقلوبهم فلا يرجون
মহান আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল বা ভরসা করা ‘আমরা কেবল আপনারই ইবাদত করি এবং কেবল আপনারই সাহায্য প্রার্থনা করি’—এই আয়াতের অন্তর্ভুক্ত অন্যতম মহান স্তর। তাওহীদের তিন প্রকারের পূর্ণতা মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণাঙ্গ তাওয়াক্কুল ব্যতীত অর্জিত হয় না। আল্লাহ তাআলা বলেন: ‘তিনি পূর্ব ও পশ্চিমের রব, তিনি ছাড়া কোনো সত্য মাবুদ নেই; অতএব তাঁকেই কর্মবিধায়ক হিসেবে গ্রহণ করো।’ এ বিষয়ে নির্দেশমূলক আয়াত অত্যন্ত অধিক। আল্লাহ তাআলা আরও বলেন: ‘আর যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর ভরসা করে, তিনিই তার জন্য যথেষ্ট। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর উদ্দেশ্য পূর্ণ করবেনই।’
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: ‘আর আল্লাহর ওপরই তোমরা ভরসা করো যদি তোমরা মুমিন হয়ে থাকো।’ এখানে তিনি আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুলকে ঈমানের শর্ত হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন, যা প্রমাণ করে যে, তাওয়াক্কুল না থাকলে ঈমানও বিলুপ্ত হয়। বান্দার ঈমান যত শক্তিশালী হয়, তার তাওয়াক্কুলও তত প্রবল হয়। আর ঈমান যখন দুর্বল হয়, তখন তাওয়াক্কুলও দুর্বল হয়ে পড়ে। যদি তাওয়াক্কুল দুর্বল হয়, তবে তা অনিবার্যভাবে ঈমানের দুর্বলতারই প্রমাণ। আল্লাহ তাআলা তাঁর কিতাবের বিভিন্ন স্থানে তাওয়াক্কুল ও ইসলামের মধ্যে এবং তাওয়াক্কুল ও হিদায়াতের মধ্যে সমন্বয় করেছেন। সুতরাং এটি স্পষ্ট যে, তাওয়াক্কুল হলো ঈমানের সকল স্তরের মূল ভিত্তি এবং ইহসান হলো ইসলামের সকল নিদর্শনের মূল। আর শরীরের তুলনায় মাথার যে মর্যাদা, এদের ক্ষেত্রে তাওয়াক্কুলের মর্যাদাও তদ্রূপ। মস্তক যেমন শরীর ব্যতীত স্থির থাকতে পারে না, তেমনি ঈমান, এর উচ্চতর স্তরসমূহ এবং আমলসমূহ তাওয়াক্কুলের স্তম্ভ ব্যতীত প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না।
আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর তাওয়াক্কুল করাকে মুমিনদের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন। মহান আল্লাহ বলেন: ‘মুমিন তো তারাই, যাদের নিকট আল্লাহর কথা স্মরণ করা হলে তাদের অন্তরসমূহ কেঁপে ওঠে এবং যখন তাদের সামনে তাঁর আয়াতসমূহ পাঠ করা হয়, তখন তা তাদের ঈমান বৃদ্ধি করে দেয় এবং তারা তাদের রবের ওপরই ভরসা করে।’ অর্থাৎ তারা তাদের অন্তরের অন্তস্থল থেকে তাঁর ওপর নির্ভর করে, ফলে তারা আর কারো কাছে প্রত্যাশা করে না...
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: ‘আর আল্লাহর ওপরই তোমরা ভরসা করো যদি তোমরা মুমিন হয়ে থাকো।’ এখানে তিনি আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুলকে ঈমানের শর্ত হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন, যা প্রমাণ করে যে, তাওয়াক্কুল না থাকলে ঈমানও বিলুপ্ত হয়। বান্দার ঈমান যত শক্তিশালী হয়, তার তাওয়াক্কুলও তত প্রবল হয়। আর ঈমান যখন দুর্বল হয়, তখন তাওয়াক্কুলও দুর্বল হয়ে পড়ে। যদি তাওয়াক্কুল দুর্বল হয়, তবে তা অনিবার্যভাবে ঈমানের দুর্বলতারই প্রমাণ। আল্লাহ তাআলা তাঁর কিতাবের বিভিন্ন স্থানে তাওয়াক্কুল ও ইসলামের মধ্যে এবং তাওয়াক্কুল ও হিদায়াতের মধ্যে সমন্বয় করেছেন। সুতরাং এটি স্পষ্ট যে, তাওয়াক্কুল হলো ঈমানের সকল স্তরের মূল ভিত্তি এবং ইহসান হলো ইসলামের সকল নিদর্শনের মূল। আর শরীরের তুলনায় মাথার যে মর্যাদা, এদের ক্ষেত্রে তাওয়াক্কুলের মর্যাদাও তদ্রূপ। মস্তক যেমন শরীর ব্যতীত স্থির থাকতে পারে না, তেমনি ঈমান, এর উচ্চতর স্তরসমূহ এবং আমলসমূহ তাওয়াক্কুলের স্তম্ভ ব্যতীত প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না।
আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর তাওয়াক্কুল করাকে মুমিনদের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন। মহান আল্লাহ বলেন: ‘মুমিন তো তারাই, যাদের নিকট আল্লাহর কথা স্মরণ করা হলে তাদের অন্তরসমূহ কেঁপে ওঠে এবং যখন তাদের সামনে তাঁর আয়াতসমূহ পাঠ করা হয়, তখন তা তাদের ঈমান বৃদ্ধি করে দেয় এবং তারা তাদের রবের ওপরই ভরসা করে।’ অর্থাৎ তারা তাদের অন্তরের অন্তস্থল থেকে তাঁর ওপর নির্ভর করে, ফলে তারা আর কারো কাছে প্রত্যাশা করে না...
(খণ্ড: 2) (পৃষ্ঠা: 1101)