أهمية وأسباب اختيار الموضوع:
1 - أن الجامع الصحيح له قصب السبق في تقديمه أصلاً للاعتقاد بعد القرآن الكريم.
2 - إبراز الطريقة السلفية في الاعتقاد والاقتصار على المصدرين الأساسيين في التلقي وتفرع غيرهما عنهما.
3 - إظهار جهود الإمام البخاري في العقيدة لا محدثاً فقيهاً فقط.
4 - إظهار طريقة الإمام البخاري -رحمه الله تعالى- في استنباطه للمسائل العقدية وتميزه في ذلك.
5 - بيان مخالفة بعض الشروح لمنهج الإمام البخاري في بعض مسائل العقيدة وتوجيه ذلك على منهج السلف.
6 - إبراز الكتاب لجهد البخاري في فترة عصيبة للأمة وهي - فتنة خلق القرآن- وبيان موقفه منها، حيث ضرب بسهم وافر فيها، بل وامتحن بسببها.
1 - أن الجامع الصحيح له قصب السبق في تقديمه أصلاً للاعتقاد بعد القرآن الكريم.
2 - إبراز الطريقة السلفية في الاعتقاد والاقتصار على المصدرين الأساسيين في التلقي وتفرع غيرهما عنهما.
3 - إظهار جهود الإمام البخاري في العقيدة لا محدثاً فقيهاً فقط.
4 - إظهار طريقة الإمام البخاري -رحمه الله تعالى- في استنباطه للمسائل العقدية وتميزه في ذلك.
5 - بيان مخالفة بعض الشروح لمنهج الإمام البخاري في بعض مسائل العقيدة وتوجيه ذلك على منهج السلف.
6 - إبراز الكتاب لجهد البخاري في فترة عصيبة للأمة وهي - فتنة خلق القرآن- وبيان موقفه منها، حيث ضرب بسهم وافر فيها، بل وامتحن بسببها.
বিষয়টি নির্বাচনের গুরুত্ব ও কারণসমূহ:
১ - কুরআনুল কারীমের পর আকিদাহ বা বিশ্বাসের মূল উৎস হিসেবে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে 'আল-জামি আস-সহীহ'-এর অগ্রগণ্য ভূমিকা ও মর্যাদা।
২ - আকিদাহর ক্ষেত্রে সালাফী মানহাজকে ফুটিয়ে তোলা এবং জ্ঞান আহরণের ক্ষেত্রে কেবল দুটি মৌলিক উৎসের ওপর সীমাবদ্ধ থাকা এবং অন্য সব বিষয়কে এ দুটির অনুগামী হিসেবে সাব্যস্ত করা।
৩ - ইমাম বুখারীর আকিদাহ বিষয়ক প্রচেষ্টাসমূহ তুলে ধরা, কেবল একজন মুহাদ্দিস ও ফকীহ হিসেবে নয়।
৪ - আকিদাহ সংক্রান্ত মাসয়ালাসমূহ উদ্ঘাটনে ইমাম বুখারী (রাহিমাহুল্লাহ)-এর পদ্ধতি এবং এক্ষেত্রে তাঁর অনন্য বৈশিষ্ট্যসমূহ ফুটিয়ে তোলা।
৫ - আকিদাহর কিছু মাসয়ালায় ইমাম বুখারীর মানহাজের বিপরীতে কিছু ব্যাখ্যাগ্রন্থের অবস্থান স্পষ্ট করা এবং সালাফদের মানহাজ অনুযায়ী সেগুলোর সঠিক ব্যাখ্যা প্রদান করা।
৬ - উম্মতের এক কঠিন সময়ে অর্থাৎ 'কুরআন সৃষ্টি'র ফিতনার যুগে ইমাম বুখারীর অবদান ফুটিয়ে তোলা এবং এ বিষয়ে তাঁর অবস্থান বর্ণনা করা; যেখানে তিনি জোরালো ভূমিকা পালন করেছেন, এমনকি এর কারণে তাঁকে পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হয়েছিল।
১ - কুরআনুল কারীমের পর আকিদাহ বা বিশ্বাসের মূল উৎস হিসেবে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে 'আল-জামি আস-সহীহ'-এর অগ্রগণ্য ভূমিকা ও মর্যাদা।
২ - আকিদাহর ক্ষেত্রে সালাফী মানহাজকে ফুটিয়ে তোলা এবং জ্ঞান আহরণের ক্ষেত্রে কেবল দুটি মৌলিক উৎসের ওপর সীমাবদ্ধ থাকা এবং অন্য সব বিষয়কে এ দুটির অনুগামী হিসেবে সাব্যস্ত করা।
৩ - ইমাম বুখারীর আকিদাহ বিষয়ক প্রচেষ্টাসমূহ তুলে ধরা, কেবল একজন মুহাদ্দিস ও ফকীহ হিসেবে নয়।
৪ - আকিদাহ সংক্রান্ত মাসয়ালাসমূহ উদ্ঘাটনে ইমাম বুখারী (রাহিমাহুল্লাহ)-এর পদ্ধতি এবং এক্ষেত্রে তাঁর অনন্য বৈশিষ্ট্যসমূহ ফুটিয়ে তোলা।
৫ - আকিদাহর কিছু মাসয়ালায় ইমাম বুখারীর মানহাজের বিপরীতে কিছু ব্যাখ্যাগ্রন্থের অবস্থান স্পষ্ট করা এবং সালাফদের মানহাজ অনুযায়ী সেগুলোর সঠিক ব্যাখ্যা প্রদান করা।
৬ - উম্মতের এক কঠিন সময়ে অর্থাৎ 'কুরআন সৃষ্টি'র ফিতনার যুগে ইমাম বুখারীর অবদান ফুটিয়ে তোলা এবং এ বিষয়ে তাঁর অবস্থান বর্ণনা করা; যেখানে তিনি জোরালো ভূমিকা পালন করেছেন, এমনকি এর কারণে তাঁকে পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হয়েছিল।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 6)