مسجد بلكور بالعاصمة ودار الطلبة في قسنطينة، بالنسبة للمسجد رسمت له المنار صورة مجسمة واعتبرته برهانا على حرص المسلمين على دينهم، ونوهت بالمتبرعين لبناء المسجد ووعدت بالكتابة عنه تحت عنوان الإسلام بين الحرص والإهمال (1).
أما دار الطلبة فقد افتتحت في 8 نوفمبر من نفس السنة، وقد أوردت الجريدة وصفا حيا للاحتفال الشعبي الذي حضرته شخصيات علمية واجتماعية، كما وصفت التنظيم والكلمات التي ألقيت في الحفل، وحضور بعض الضيوف كوفد تونس الذي كان برئاسة الشيخ علي النيفر الذي عددا من علماء الزيتونة، وكان مقدم الحفل هو الشيخ أحمد توفيق المدني، وقد تبارى الشعراء في هذا الحفل، ومنهم محمد العيد وأحمد سحنون ومفدي زكرياء، وكانت قصائدهم إذا قرئت قراءة مستقبلية نجدها إرهاصات بالثورة المظفرة، كان خطيب الحفل الرسمي هو الشيخ محمد خير الدين النائب الثاني لرئيس جمعية العلماء، ويبدو أن النائب الأول وهو الشيخ العربي التبسي، كان غائبا ربما يؤدي فريضة الحج، كما أن الشيخ الإبراهيمي كان في القاهرة عندئذ، ولذلك أرسل كلمة سمعها الحاضرون من تسجيل صوتي مع مقدمة من قبل الشيخ الفضيل الورتلاني الذي كان أيضا في القاهرة، ولكن صوت الإبراهيمي كان غير واضح في التسجيل، ومع ذلك استمر الحاضرون في الاستماع إليه دون فهم، وبد الخطب والشعر طلب مقدم الحفل، الشيخ المدني، التبرع بالمال فجمع في ظرف ساعة نحو عشرة ملايين فرنك (2).
التعليم العربي الرسمي
التعليم الابتدائي العربي الرسمي ليس له مدارس خاصة به، كما أن اللغة العربية لا تعلم في المدارس الابتدائية الفرنسية، كما أشرنا، أما (المدرسون)--------------------------------------------
(1) المنار 48، 6 نوفمبر، 1953.
(2) المنار 49، 20 نوفمبر، 1953.
أما دار الطلبة فقد افتتحت في 8 نوفمبر من نفس السنة، وقد أوردت الجريدة وصفا حيا للاحتفال الشعبي الذي حضرته شخصيات علمية واجتماعية، كما وصفت التنظيم والكلمات التي ألقيت في الحفل، وحضور بعض الضيوف كوفد تونس الذي كان برئاسة الشيخ علي النيفر الذي عددا من علماء الزيتونة، وكان مقدم الحفل هو الشيخ أحمد توفيق المدني، وقد تبارى الشعراء في هذا الحفل، ومنهم محمد العيد وأحمد سحنون ومفدي زكرياء، وكانت قصائدهم إذا قرئت قراءة مستقبلية نجدها إرهاصات بالثورة المظفرة، كان خطيب الحفل الرسمي هو الشيخ محمد خير الدين النائب الثاني لرئيس جمعية العلماء، ويبدو أن النائب الأول وهو الشيخ العربي التبسي، كان غائبا ربما يؤدي فريضة الحج، كما أن الشيخ الإبراهيمي كان في القاهرة عندئذ، ولذلك أرسل كلمة سمعها الحاضرون من تسجيل صوتي مع مقدمة من قبل الشيخ الفضيل الورتلاني الذي كان أيضا في القاهرة، ولكن صوت الإبراهيمي كان غير واضح في التسجيل، ومع ذلك استمر الحاضرون في الاستماع إليه دون فهم، وبد الخطب والشعر طلب مقدم الحفل، الشيخ المدني، التبرع بالمال فجمع في ظرف ساعة نحو عشرة ملايين فرنك (2).
التعليم العربي الرسمي
التعليم الابتدائي العربي الرسمي ليس له مدارس خاصة به، كما أن اللغة العربية لا تعلم في المدارس الابتدائية الفرنسية، كما أشرنا، أما (المدرسون)--------------------------------------------
(1) المنار 48، 6 نوفمبر، 1953.
(2) المنار 49، 20 نوفمبر، 1953.
রাজধানীর বেলকুর মসজিদ এবং কনস্টানটাইনের ছাত্রাবাস (দারুত তালাবা); মসজিদের ক্ষেত্রে ‘আল-মানার’ পত্রিকা তার একটি চিত্র তুলে ধরেছে এবং একে মুসলমানদের ধর্মের প্রতি অনুরাগের প্রমাণ হিসেবে গণ্য করেছে। এটি মসজিদ নির্মাণের জন্য দানকারীদের প্রশংসা করেছে এবং ‘নিষ্ঠা ও অবহেলার মাঝে ইসলাম’ (১) শিরোনামে এ বিষয়ে লেখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
পক্ষান্তরে ছাত্রাবাসটি একই বছরের ৮ই নভেম্বর উদ্বোধন করা হয়েছিল। উক্ত গণ-অনুষ্ঠানের একটি প্রাণবন্ত বর্ণনা পত্রিকাটিতে স্থান পেয়েছে, যেখানে বহু জ্ঞানী ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা, সেখানে প্রদত্ত ভাষণসমূহ এবং তিউনিসিয়া থেকে আগত প্রতিনিধি দলের মতো আমন্ত্রিত অতিথিদের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। তিউনিসীয় প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন শেখ আলী আন-নাইফার, যার সাথে যায়তুনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন আলেম উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন শেখ আহমদ তাওফিক আল-মাদানি। এই অনুষ্ঠানে কবিগণ তাদের কাব্যপ্রতিভার লড়াইয়ে লিপ্ত হন, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন মুহাম্মদ আল-ঈদ, আহমদ সাহনুন এবং মুফদি জাকারিয়া। তাদের কবিতাগুলো বর্তমান প্রেক্ষাপটে পাঠ করলে মনে হয় যেন সেগুলো ছিল এক সফল বিপ্লবের পূর্বাভাস। অনুষ্ঠানের মূল বক্তা ছিলেন ‘জমিয়তুল ওলামা’র দ্বিতীয় সহ-সভাপতি শেখ মুহাম্মদ খায়রুদ্দিন। প্রতীয়মান হয় যে, প্রথম সহ-সভাপতি শেখ আল-আরবি আত-তিবসি অনুপস্থিত ছিলেন; সম্ভবত তিনি তখন হজ্জ পালন করছিলেন। তেমনিভাবে শেখ আল-ইবরাহিমি তখন কায়রোতে অবস্থান করছিলেন। ফলে তিনি একটি অডিও রেকর্ডকৃত বার্তা পাঠান যা উপস্থিত সকলে শোনেন। এর ভূমিকা প্রদান করেন শেখ আল-ফাদিল আল-ওয়ারতিলানি, তিনিও সে সময় কায়রোতে ছিলেন। তবে রেকর্ডিংয়ে ইবরাহিমির কণ্ঠস্বর স্পষ্ট ছিল না। তা সত্ত্বেও উপস্থিত জনতা না বুঝেই তা শুনতে থাকেন। বক্তৃতা ও কবিতা পাঠ শেষে অনুষ্ঠানের সঞ্চালক শেখ মাদানি অর্থ সাহায্যের আবেদন করেন এবং মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে প্রায় এক কোটি ফ্রাঙ্ক সংগৃহীত হয় (২)।
সরকারি আরবি শিক্ষা
সরকারি আরবি প্রাথমিক শিক্ষার নিজস্ব কোনো বিদ্যালয় নেই। আমরা যেমনটি উল্লেখ করেছি, ফরাসি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতেও আরবি ভাষা শেখানো হয় না। তবে (শিক্ষকগণ)...--------------------------------------------
(১) আল-মানার ৪৮, ৬ নভেম্বর, ১৯৫৩।
(২) আল-মানার ৪৯, ২০ নভেম্বর, ১৯৫৩।
পক্ষান্তরে ছাত্রাবাসটি একই বছরের ৮ই নভেম্বর উদ্বোধন করা হয়েছিল। উক্ত গণ-অনুষ্ঠানের একটি প্রাণবন্ত বর্ণনা পত্রিকাটিতে স্থান পেয়েছে, যেখানে বহু জ্ঞানী ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা, সেখানে প্রদত্ত ভাষণসমূহ এবং তিউনিসিয়া থেকে আগত প্রতিনিধি দলের মতো আমন্ত্রিত অতিথিদের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। তিউনিসীয় প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন শেখ আলী আন-নাইফার, যার সাথে যায়তুনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন আলেম উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন শেখ আহমদ তাওফিক আল-মাদানি। এই অনুষ্ঠানে কবিগণ তাদের কাব্যপ্রতিভার লড়াইয়ে লিপ্ত হন, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন মুহাম্মদ আল-ঈদ, আহমদ সাহনুন এবং মুফদি জাকারিয়া। তাদের কবিতাগুলো বর্তমান প্রেক্ষাপটে পাঠ করলে মনে হয় যেন সেগুলো ছিল এক সফল বিপ্লবের পূর্বাভাস। অনুষ্ঠানের মূল বক্তা ছিলেন ‘জমিয়তুল ওলামা’র দ্বিতীয় সহ-সভাপতি শেখ মুহাম্মদ খায়রুদ্দিন। প্রতীয়মান হয় যে, প্রথম সহ-সভাপতি শেখ আল-আরবি আত-তিবসি অনুপস্থিত ছিলেন; সম্ভবত তিনি তখন হজ্জ পালন করছিলেন। তেমনিভাবে শেখ আল-ইবরাহিমি তখন কায়রোতে অবস্থান করছিলেন। ফলে তিনি একটি অডিও রেকর্ডকৃত বার্তা পাঠান যা উপস্থিত সকলে শোনেন। এর ভূমিকা প্রদান করেন শেখ আল-ফাদিল আল-ওয়ারতিলানি, তিনিও সে সময় কায়রোতে ছিলেন। তবে রেকর্ডিংয়ে ইবরাহিমির কণ্ঠস্বর স্পষ্ট ছিল না। তা সত্ত্বেও উপস্থিত জনতা না বুঝেই তা শুনতে থাকেন। বক্তৃতা ও কবিতা পাঠ শেষে অনুষ্ঠানের সঞ্চালক শেখ মাদানি অর্থ সাহায্যের আবেদন করেন এবং মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে প্রায় এক কোটি ফ্রাঙ্ক সংগৃহীত হয় (২)।
সরকারি আরবি শিক্ষা
সরকারি আরবি প্রাথমিক শিক্ষার নিজস্ব কোনো বিদ্যালয় নেই। আমরা যেমনটি উল্লেখ করেছি, ফরাসি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতেও আরবি ভাষা শেখানো হয় না। তবে (শিক্ষকগণ)...--------------------------------------------
(১) আল-মানার ৪৮, ৬ নভেম্বর, ১৯৫৩।
(২) আল-মানার ৪৯, ২০ নভেম্বর, ১৯৫৩।
(খণ্ড: 10) (পৃষ্ঠা: 54)