لكن هل هذا -أي: الرضا بمن حلف بالله- على إطلاقه؟
* للعلماء في الحديث أقوال، والظاهر والله أعلم: أن الأمر لا يخلو من حالين:
أ- أن يكون الحالف بالله هو في حالة الدعاوى والخصام والتحاكم: فمن حُلِفَ له عند القاضي إذا توجهت اليمين عليه، فإنّ على المحلوفِ له أن يرضى باليمين ويلتزمَ بمقتضاها.
ب- أن يكون في غير ذلك: أي في عامة أمور الناس وأحوالِهم، فإذا حلف لك أحدٌ بالله فالأصل أنَّه يجب أن ترضى، إلا إن علمت أو غلب على ظنِّكَ وترجح عندك أنَّه كاذب، إما للقرائن، أو لأنَّه معروف بالكذب ونحو ذلك، فلا يجب حينها أن تصدقه وترضى، ولا تأثم بذلك، والله أعلم.
• مثاله: قال لك خادمك: والله ما سرقتُ، والقرائن تدل على أنَّه هو السارق، فلا تأثم بعدم تصديقه بحلفه.
* خلاصة الباب: أن من تعظيمك لله، وإجلالك له ولاسمه سبحانه، أن إذا حلف لك أحدٌ بالله، وأنت لا تدري أصادقٌ هو أم كاذب، فإنك تصدقه، إلا إن تبين لك خلاف ما حلف عليه.
* للعلماء في الحديث أقوال، والظاهر والله أعلم: أن الأمر لا يخلو من حالين:
أ- أن يكون الحالف بالله هو في حالة الدعاوى والخصام والتحاكم: فمن حُلِفَ له عند القاضي إذا توجهت اليمين عليه، فإنّ على المحلوفِ له أن يرضى باليمين ويلتزمَ بمقتضاها.
ب- أن يكون في غير ذلك: أي في عامة أمور الناس وأحوالِهم، فإذا حلف لك أحدٌ بالله فالأصل أنَّه يجب أن ترضى، إلا إن علمت أو غلب على ظنِّكَ وترجح عندك أنَّه كاذب، إما للقرائن، أو لأنَّه معروف بالكذب ونحو ذلك، فلا يجب حينها أن تصدقه وترضى، ولا تأثم بذلك، والله أعلم.
• مثاله: قال لك خادمك: والله ما سرقتُ، والقرائن تدل على أنَّه هو السارق، فلا تأثم بعدم تصديقه بحلفه.
* خلاصة الباب: أن من تعظيمك لله، وإجلالك له ولاسمه سبحانه، أن إذا حلف لك أحدٌ بالله، وأنت لا تدري أصادقٌ هو أم كاذب، فإنك تصدقه، إلا إن تبين لك خلاف ما حلف عليه.
কিন্তু এটি কি -অর্থাৎ: যে ব্যক্তি আল্লাহর নামে শপথ করে তার প্রতি সন্তুষ্ট হওয়া- নিরঙ্কুশ বা সাধারণ?
* এই হাদীসের ব্যাপারে আলেমদের একাধিক বক্তব্য রয়েছে। যা স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় এবং আল্লাহই ভালো জানেন তা হলো: বিষয়টি দুটি অবস্থার বাইরে নয়:
ক- আল্লাহর নামে শপথকারী ব্যক্তি যদি মামলা-মোকদ্দমা, বিবাদ বা বিচারিক প্রক্রিয়ার অবস্থায় থাকে: এমতাবস্থায় বিচারকের নিকট যার বিপক্ষে শপথ উপস্থাপন করা হয়, তার জন্য সেই শপথের প্রতি সন্তুষ্ট হওয়া এবং তার দাবি মেনে নেওয়া আবশ্যক।
খ- বিষয়টি যদি এ ছাড়া অন্য ক্ষেত্রে হয়: অর্থাৎ মানুষের সাধারণ বিষয় ও অবস্থার ক্ষেত্রে। এমতাবস্থায় যদি কেউ আপনার কাছে আল্লাহর নামে শপথ করে, তবে মূল নিয়ম হলো আপনার সন্তুষ্ট হওয়া উচিত। তবে যদি আপনি নিশ্চিতভাবে জানেন অথবা আপনার প্রবল ধারণা হয় এবং আপনার নিকট প্রাধান্য পায় যে সে মিথ্যাবাদী—চাই তা পারিপার্শ্বিক আলামতের কারণে হোক অথবা সে মিথ্যাবাদী হিসেবে পরিচিত হওয়ার কারণে হোক—তবে সেই ক্ষেত্রে তাকে বিশ্বাস করা বা তার কথায় সন্তুষ্ট হওয়া আবশ্যক নয় এবং এতে কোনো গুনাহ হবে না। আর আল্লাহই ভালো জানেন।
• উদাহরণস্বরূপ: আপনার সেবক আপনাকে বলল: আল্লাহর কসম, আমি চুরি করিনি; অথচ আলামতসমূহ প্রমাণ দিচ্ছে যে সে-ই চোর। এমতাবস্থায় তার শপথকে বিশ্বাস না করলে আপনি গুনাহগার হবেন না।
* অধ্যায়ের সারসংক্ষেপ: আল্লাহর প্রতি আপনার সম্মান প্রদর্শন এবং তাঁর প্রতি ও তাঁর সুমহান নামের প্রতি মর্যাদাবোধের দাবি হলো এই যে, যখন কেউ আপনার কাছে আল্লাহর নামে শপথ করে এবং আপনি জানেন না যে সে সত্যবাদী নাকি মিথ্যাবাদী, তখন আপনি তাকে বিশ্বাস করবেন; যতক্ষণ না আপনার কাছে তার শপথের বিপরীত কিছু প্রকাশ পায়।
* এই হাদীসের ব্যাপারে আলেমদের একাধিক বক্তব্য রয়েছে। যা স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় এবং আল্লাহই ভালো জানেন তা হলো: বিষয়টি দুটি অবস্থার বাইরে নয়:
ক- আল্লাহর নামে শপথকারী ব্যক্তি যদি মামলা-মোকদ্দমা, বিবাদ বা বিচারিক প্রক্রিয়ার অবস্থায় থাকে: এমতাবস্থায় বিচারকের নিকট যার বিপক্ষে শপথ উপস্থাপন করা হয়, তার জন্য সেই শপথের প্রতি সন্তুষ্ট হওয়া এবং তার দাবি মেনে নেওয়া আবশ্যক।
খ- বিষয়টি যদি এ ছাড়া অন্য ক্ষেত্রে হয়: অর্থাৎ মানুষের সাধারণ বিষয় ও অবস্থার ক্ষেত্রে। এমতাবস্থায় যদি কেউ আপনার কাছে আল্লাহর নামে শপথ করে, তবে মূল নিয়ম হলো আপনার সন্তুষ্ট হওয়া উচিত। তবে যদি আপনি নিশ্চিতভাবে জানেন অথবা আপনার প্রবল ধারণা হয় এবং আপনার নিকট প্রাধান্য পায় যে সে মিথ্যাবাদী—চাই তা পারিপার্শ্বিক আলামতের কারণে হোক অথবা সে মিথ্যাবাদী হিসেবে পরিচিত হওয়ার কারণে হোক—তবে সেই ক্ষেত্রে তাকে বিশ্বাস করা বা তার কথায় সন্তুষ্ট হওয়া আবশ্যক নয় এবং এতে কোনো গুনাহ হবে না। আর আল্লাহই ভালো জানেন।
• উদাহরণস্বরূপ: আপনার সেবক আপনাকে বলল: আল্লাহর কসম, আমি চুরি করিনি; অথচ আলামতসমূহ প্রমাণ দিচ্ছে যে সে-ই চোর। এমতাবস্থায় তার শপথকে বিশ্বাস না করলে আপনি গুনাহগার হবেন না।
* অধ্যায়ের সারসংক্ষেপ: আল্লাহর প্রতি আপনার সম্মান প্রদর্শন এবং তাঁর প্রতি ও তাঁর সুমহান নামের প্রতি মর্যাদাবোধের দাবি হলো এই যে, যখন কেউ আপনার কাছে আল্লাহর নামে শপথ করে এবং আপনি জানেন না যে সে সত্যবাদী নাকি মিথ্যাবাদী, তখন আপনি তাকে বিশ্বাস করবেন; যতক্ষণ না আপনার কাছে তার শপথের বিপরীত কিছু প্রকাশ পায়।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 386)