وغير ذلك فمن اتبع ذلك بغير أمر الله ورسوله فهو ممن اتبع هواه بغير هدى من الله بل قد يصعد به الأمر الى أن يتخذ الهه هواه واتباع الأهواء فى الديانات أعظم من اتباع الاهواء فى الشهوات فان الأول حال الذين كفروا من أهل الكتاب والمشركين كما قال تعالى {فَإِنْ لَمْ يَسْتَجِيبُوا لَكَ فَاعْلَمْ أَنَّمَا يَتَّبِعُونَ أَهْوَاءَهُمْ وَمَنْ أَضَلُّ مِمَّنِ اتَّبَعَ هَوَاهُ بِغَيْرِ هُدىً مِنَ اللَّهِ} 1.
ب- والنفس الأمارة بالسوء وفيها قوله: {وَمَا أُبَرِّئُ نَفْسِي إِنَّ النَّفْسَ لأَمَّارَةٌ بِالسُّوءِ إِلا مَا رَحِمَ رَبِّي إِنَّ رَبِّي غَفُورٌ رَحِيمٌ} [يوسف:53]
قال ابن تيميّة في قوله تعالى: {إِنَّ النَّفْسَ لأَمَّارَةٌ بِالسُّوءِ إِلا مَا رَحِمَ رَبِّي} [يوسف] وهذا يدل على أنه ليس كل نفس أمارة بالسوء بل ما رحم ربى ليس فيه النفس الأمارة بالسوء. وقد ذكر طائفة من الناس أن النفس لها ثلاثة أحوال تكون أمارة بالسوء ثم تكون لوامة أي تفعل الذنب ثم تلوم عليه أو تتلوم فتتردد بين الذنب والتوبة ثم تصير مطمئنة والمقصود هنا أن ما رحم ربي من النفوس ليست بأمارة وإذا كانت النفوس منقسمة إلى مرحومة وأمارة فقد علمنا قطعا أن نفس امرأة العزيز من النفوس الأمارة بالسوء لأنها أمرت بذلك مرة بعد مرة وراودت وافترت وإستعانت بالنسوة وسجنت …) 2.
جـ- والتقليد الأعمى ومسايرة السادة والزعماء في الباطل وفيه قوله تعالى: {قَال الذِينَ اسْتَكْبَرُوا لِلذِينَ اسْتُضْعِفُوا أَنَحْنُ صَدَدْنَاكُمْ عَنْ الهُدَى بَعْدَ إِذْ جَاءَكُمْ بَل كُنتُمْ مُجْرِمِينَ وَقَال الذِينَ اسْتُضْعِفُوا لِلذِينَ اسْتَكْبَرُوا بَل مَكْرُ الليْلِ وَالنَّهَارِ إِذْ تَأْمُرُونَنَا أَنْ نَكْفُرَ بِاللهِ وَنَجْعَل لهُ أَندَادًا وَأَسَرُّوا النَّدَامَةَ لمَّا رَأَوْا العَذَابَ وَجَعَلنَا الأَغْلال فِي أَعْنَاقِ الذِينَ كَفَرُوا هَل يُجْزَوْنَ إِلا مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ} [سبأ:32-33] .--------------------------------------------
1 مجموع الفتاوي 28/132.
2 مجموع الفتاوي 15/143.
ب- والنفس الأمارة بالسوء وفيها قوله: {وَمَا أُبَرِّئُ نَفْسِي إِنَّ النَّفْسَ لأَمَّارَةٌ بِالسُّوءِ إِلا مَا رَحِمَ رَبِّي إِنَّ رَبِّي غَفُورٌ رَحِيمٌ} [يوسف:53]
قال ابن تيميّة في قوله تعالى: {إِنَّ النَّفْسَ لأَمَّارَةٌ بِالسُّوءِ إِلا مَا رَحِمَ رَبِّي} [يوسف] وهذا يدل على أنه ليس كل نفس أمارة بالسوء بل ما رحم ربى ليس فيه النفس الأمارة بالسوء. وقد ذكر طائفة من الناس أن النفس لها ثلاثة أحوال تكون أمارة بالسوء ثم تكون لوامة أي تفعل الذنب ثم تلوم عليه أو تتلوم فتتردد بين الذنب والتوبة ثم تصير مطمئنة والمقصود هنا أن ما رحم ربي من النفوس ليست بأمارة وإذا كانت النفوس منقسمة إلى مرحومة وأمارة فقد علمنا قطعا أن نفس امرأة العزيز من النفوس الأمارة بالسوء لأنها أمرت بذلك مرة بعد مرة وراودت وافترت وإستعانت بالنسوة وسجنت …) 2.
جـ- والتقليد الأعمى ومسايرة السادة والزعماء في الباطل وفيه قوله تعالى: {قَال الذِينَ اسْتَكْبَرُوا لِلذِينَ اسْتُضْعِفُوا أَنَحْنُ صَدَدْنَاكُمْ عَنْ الهُدَى بَعْدَ إِذْ جَاءَكُمْ بَل كُنتُمْ مُجْرِمِينَ وَقَال الذِينَ اسْتُضْعِفُوا لِلذِينَ اسْتَكْبَرُوا بَل مَكْرُ الليْلِ وَالنَّهَارِ إِذْ تَأْمُرُونَنَا أَنْ نَكْفُرَ بِاللهِ وَنَجْعَل لهُ أَندَادًا وَأَسَرُّوا النَّدَامَةَ لمَّا رَأَوْا العَذَابَ وَجَعَلنَا الأَغْلال فِي أَعْنَاقِ الذِينَ كَفَرُوا هَل يُجْزَوْنَ إِلا مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ} [سبأ:32-33] .--------------------------------------------
1 مجموع الفتاوي 28/132.
2 مجموع الفتاوي 15/143.
এবং এ ব্যতীত অন্যান্য বিষয়; সুতরাং যে ব্যক্তি আল্লাহর নির্দেশ ও তাঁর রাসূলের নির্দেশ ব্যতীত সেগুলোর অনুসরণ করে, সে ঐ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত যারা আল্লাহর পক্ষ থেকে কোনো হিদায়াত ছাড়াই নিজ খেয়াল-খুশির অনুসরণ করে। বরং বিষয়টি তাকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে যেখানে সে তার খেয়াল-খুশিকেই ইলাহ হিসেবে গ্রহণ করে। আর দ্বীনি বিষয়ে খেয়াল-খুশির অনুসরণ করা জৈবিক প্রবৃত্তির অনুসরণের চেয়েও জঘন্য। কেননা প্রথমটি হলো আহলে কিতাব ও মুশরিকদের মধ্যে যারা কুফরি করেছে তাদের অবস্থা, যেমনটি মহান আল্লাহ বলেছেন: {অতঃপর তারা যদি আপনার আহ্বানে সাড়া না দেয়, তবে জেনে রাখুন যে, তারা কেবল নিজ নিজ খেয়াল-খুশিরই অনুসরণ করে। আল্লাহর পক্ষ থেকে কোনো হিদায়াত ছাড়াই যে ব্যক্তি নিজ খেয়াল-খুশির অনুসরণ করে, তার চেয়ে অধিক বিভ্রান্ত আর কে হতে পারে?} ১।
খ- মন্দ কর্মে প্ররোচনাকারী আত্মা; এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহর বাণী: {আর আমি নিজেকে নির্দোষ মনে করি না; নিশ্চয় মানুষের আত্মা মন্দ কর্মের নির্দেশ দিয়েই থাকে, কিন্তু আমার প্রতিপালক যার প্রতি দয়া করেন। নিশ্চয় আমার প্রতিপালক অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।} [ইউসুফ: ৫৩]
মহান আল্লাহর বাণী— {নিশ্চয় মানুষের আত্মা মন্দ কর্মের নির্দেশ দিয়েই থাকে, তবে আমার প্রতিপালক যার প্রতি দয়া করেন সে ব্যতীত} [ইউসুফ] এর ব্যাখ্যায় ইবনে তাইমিয়া বলেন: "এটি নির্দেশ করে যে সকল আত্মা মন্দ কর্মের প্ররোচনাকারী নয়, বরং আমার প্রতিপালক যাদের প্রতি দয়া করেছেন তাদের মাঝে মন্দ প্ররোচনাকারী আত্মা বিদ্যমান নেই। একদল লোক উল্লেখ করেছেন যে, আত্মার তিনটি অবস্থা রয়েছে: এটি কখনও মন্দ কর্মে প্ররোচনাকারী হয়, এরপর এটি তিরস্কারকারী হয়—অর্থাৎ সে পাপ করে এবং পরে সেজন্য নিজেকে তিরস্কার করে অথবা পাপ ও তওবার মাঝে দোদুল্যমান থাকে, অতঃপর এটি প্রশান্ত আত্মায় পরিণত হয়। এখানে উদ্দেশ্য হলো, আল্লাহ যাদের প্রতি দয়া করেছেন সেই আত্মাগুলো মন্দ প্ররোচনাকারী নয়। আর আত্মা যখন দয়াপ্রাপ্ত ও প্ররোচনাকারী—এই দুই ভাগে বিভক্ত, তখন আমরা নিশ্চিতভাবে জানতে পারি যে, আযীযের স্ত্রীর আত্মা ছিল মন্দ প্ররোচনাকারী আত্মাগুলোর অন্তর্ভুক্ত; কারণ সে বারবার এর নির্দেশ দিয়েছে, ফুসলিয়েছে, অপবাদ দিয়েছে, অন্য নারীদের সাহায্য নিয়েছে এবং কারারুদ্ধ করেছে …) ২।
গ- অন্ধ অনুকরণ এবং বাতিলের পথে নেতা ও প্রধানদের অনুগমন; এ বিষয়ে মহান আল্লাহর বাণী: {অহংকারীরা দুর্বলদেরকে বলবে, ‘তোমাদের কাছে হিদায়াত আসার পর আমরা কি তোমাদেরকে তা থেকে নিবৃত্ত করেছিলাম? বরং তোমরাই ছিলে অপরাধী।’ আর দুর্বলরা অহংকারীদেরকে বলবে, ‘বরং দিন-রাতের চক্রান্তই ছিল প্রধান, যখন তোমরা আমাদের নির্দেশ দিতে যেন আমরা আল্লাহর সাথে কুফরি করি এবং তাঁর সমকক্ষ স্থির করি।’ আর যখন তারা আযাব দেখবে তখন তারা মনে মনে অনুতপ্ত হবে। যারা কুফরি করেছে আমি তাদের গলায় বেড়ি পরিয়ে দেব। তারা যা করত কেবল তারই প্রতিফল তাদেরকে দেওয়া হবে।} [সাবা: ৩২-৩৩] ।--------------------------------------------
১ মাজমুউল ফাতাওয়া ২৮/১৩২।
২ মাজমুউল ফাতাওয়া ১৫/১৪৩।
খ- মন্দ কর্মে প্ররোচনাকারী আত্মা; এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহর বাণী: {আর আমি নিজেকে নির্দোষ মনে করি না; নিশ্চয় মানুষের আত্মা মন্দ কর্মের নির্দেশ দিয়েই থাকে, কিন্তু আমার প্রতিপালক যার প্রতি দয়া করেন। নিশ্চয় আমার প্রতিপালক অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।} [ইউসুফ: ৫৩]
মহান আল্লাহর বাণী— {নিশ্চয় মানুষের আত্মা মন্দ কর্মের নির্দেশ দিয়েই থাকে, তবে আমার প্রতিপালক যার প্রতি দয়া করেন সে ব্যতীত} [ইউসুফ] এর ব্যাখ্যায় ইবনে তাইমিয়া বলেন: "এটি নির্দেশ করে যে সকল আত্মা মন্দ কর্মের প্ররোচনাকারী নয়, বরং আমার প্রতিপালক যাদের প্রতি দয়া করেছেন তাদের মাঝে মন্দ প্ররোচনাকারী আত্মা বিদ্যমান নেই। একদল লোক উল্লেখ করেছেন যে, আত্মার তিনটি অবস্থা রয়েছে: এটি কখনও মন্দ কর্মে প্ররোচনাকারী হয়, এরপর এটি তিরস্কারকারী হয়—অর্থাৎ সে পাপ করে এবং পরে সেজন্য নিজেকে তিরস্কার করে অথবা পাপ ও তওবার মাঝে দোদুল্যমান থাকে, অতঃপর এটি প্রশান্ত আত্মায় পরিণত হয়। এখানে উদ্দেশ্য হলো, আল্লাহ যাদের প্রতি দয়া করেছেন সেই আত্মাগুলো মন্দ প্ররোচনাকারী নয়। আর আত্মা যখন দয়াপ্রাপ্ত ও প্ররোচনাকারী—এই দুই ভাগে বিভক্ত, তখন আমরা নিশ্চিতভাবে জানতে পারি যে, আযীযের স্ত্রীর আত্মা ছিল মন্দ প্ররোচনাকারী আত্মাগুলোর অন্তর্ভুক্ত; কারণ সে বারবার এর নির্দেশ দিয়েছে, ফুসলিয়েছে, অপবাদ দিয়েছে, অন্য নারীদের সাহায্য নিয়েছে এবং কারারুদ্ধ করেছে …) ২।
গ- অন্ধ অনুকরণ এবং বাতিলের পথে নেতা ও প্রধানদের অনুগমন; এ বিষয়ে মহান আল্লাহর বাণী: {অহংকারীরা দুর্বলদেরকে বলবে, ‘তোমাদের কাছে হিদায়াত আসার পর আমরা কি তোমাদেরকে তা থেকে নিবৃত্ত করেছিলাম? বরং তোমরাই ছিলে অপরাধী।’ আর দুর্বলরা অহংকারীদেরকে বলবে, ‘বরং দিন-রাতের চক্রান্তই ছিল প্রধান, যখন তোমরা আমাদের নির্দেশ দিতে যেন আমরা আল্লাহর সাথে কুফরি করি এবং তাঁর সমকক্ষ স্থির করি।’ আর যখন তারা আযাব দেখবে তখন তারা মনে মনে অনুতপ্ত হবে। যারা কুফরি করেছে আমি তাদের গলায় বেড়ি পরিয়ে দেব। তারা যা করত কেবল তারই প্রতিফল তাদেরকে দেওয়া হবে।} [সাবা: ৩২-৩৩] ।--------------------------------------------
১ মাজমুউল ফাতাওয়া ২৮/১৩২।
২ মাজমুউল ফাতাওয়া ১৫/১৪৩।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 162)