مظاهر الإعجاز البلاغي
يتجلى هذا الجانب من الإعجاز بمظاهر عدة نوجزها فيما يلي:
أولا- الخصائص المتعلقة بأسلوب القرآن
إن المظهر الأول من مظاهر الإعجاز البلاغي هو أن القرآن يجري على نسق خاص في أسلوبه، لا يستطيع أحد أن يجاريه فيه. وهذه الخصائص هي:
أ- نظمه البديع: فالقرآن يجري على نسق بديع، خارج عن المعروف والمألوف من نظام كلام العرب، فهو لا تنطبق عليه قوافي الشعر، كما أنه ليس على سنن أسجاع النثر.
ب- المحافظة على جمال اللفظ وروعة التعبير: إن التعبير القرآني يختار أجمل الألفاظ لأبهى تعبير، ويظل جاريا على مستوى رفيع من هذا الجمال اللفظي، ورقة الصياغة، وروعة التعبير، مهما تنوعت أبحاثه، واختلفت موضوعاته، وهذا مما يخرج عن طوق البشر.
ج- صياغته الموافقة لحال المخاطبين: إن ألفاظ القرآن وعباراته مصوغة بشكل غريب، وعلى هيئة عجيبة، بحيث تصلح أن تكون خطابا لمختلف المستويات من الناس، وبحيث يأخذ كل قارئ منها ما يقدر على فهمه واستيعابه، ويراها مقدرة على مقياس عقله ووفق حاجته.
د- التجديد في الأسلوب: الخاصة الرابعة، هي تصريف بعض المعاني وتكرارها بقوالب مختلفة من التعبير والأسلوب البياني، بشكل يضفي عليها الجدة، ويلبسها ثوبا من التجسيم والتخييل غير الذي كانت تلبسه، بحيث تظهر وكأنها معنى جديد.
يتجلى هذا الجانب من الإعجاز بمظاهر عدة نوجزها فيما يلي:
أولا- الخصائص المتعلقة بأسلوب القرآن
إن المظهر الأول من مظاهر الإعجاز البلاغي هو أن القرآن يجري على نسق خاص في أسلوبه، لا يستطيع أحد أن يجاريه فيه. وهذه الخصائص هي:
أ- نظمه البديع: فالقرآن يجري على نسق بديع، خارج عن المعروف والمألوف من نظام كلام العرب، فهو لا تنطبق عليه قوافي الشعر، كما أنه ليس على سنن أسجاع النثر.
ب- المحافظة على جمال اللفظ وروعة التعبير: إن التعبير القرآني يختار أجمل الألفاظ لأبهى تعبير، ويظل جاريا على مستوى رفيع من هذا الجمال اللفظي، ورقة الصياغة، وروعة التعبير، مهما تنوعت أبحاثه، واختلفت موضوعاته، وهذا مما يخرج عن طوق البشر.
ج- صياغته الموافقة لحال المخاطبين: إن ألفاظ القرآن وعباراته مصوغة بشكل غريب، وعلى هيئة عجيبة، بحيث تصلح أن تكون خطابا لمختلف المستويات من الناس، وبحيث يأخذ كل قارئ منها ما يقدر على فهمه واستيعابه، ويراها مقدرة على مقياس عقله ووفق حاجته.
د- التجديد في الأسلوب: الخاصة الرابعة، هي تصريف بعض المعاني وتكرارها بقوالب مختلفة من التعبير والأسلوب البياني، بشكل يضفي عليها الجدة، ويلبسها ثوبا من التجسيم والتخييل غير الذي كانت تلبسه، بحيث تظهر وكأنها معنى جديد.
অলঙ্কারশাস্ত্রীয় মুজিজার (إعجاز بلاغي) বিভিন্ন দিক
মুজিজার (إعجاز) এই দিকটি বেশ কিছু বিষয়ের মাধ্যমে স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে, যা আমরা সংক্ষেপে নিচে তুলে ধরছি:
প্রথমত- কুরআনের শৈলী (أسلوب) সংক্রান্ত বৈশিষ্ট্যসমূহ
অলঙ্কারশাস্ত্রীয় মুজিজার (إعجاز بلاغي) প্রথম দিকটি হলো এই যে, কুরআন তার শৈলী (أسلوب) বা বিন্যাস পদ্ধতিতে একটি বিশেষ ধারা অনুসরণ করে, যেখানে কেউ তার সমকক্ষ হতে পারে না। এই বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
ক- এর অনন্য বিন্যাসশৈলী (نظم بديع): কুরআন একটি চমৎকার বিন্যাস পদ্ধতি অনুসরণ করে, যা আরবদের প্রচলিত ও পরিচিত বাকপদ্ধতির বাইরে। এটি কবিতার ছন্দে আবদ্ধ নয়, আবার সাধারণ গদ্যের অন্ত্যমিলের (سجع) ধারায়ও নয়।
খ- শব্দের সৌন্দর্য ও অভিব্যক্তির শ্রেষ্ঠত্ব রক্ষা: কুরআনের অভিব্যক্তি চমৎকার বর্ণনার জন্য সবচেয়ে সুন্দর শব্দগুলো নির্বাচন করে। এর শব্দগত সৌন্দর্য, সূক্ষ্ম গাঁথুনি এবং বর্ণনার চমৎকারিত্ব সর্বদা একটি উচ্চমানে বজায় থাকে, চাই এর আলোচিত বিষয়বস্তু যত বৈচিত্র্যময় ও ভিন্ন ভিন্নই হোক না কেন। এটি মানবীয় সামর্থ্যের বাইরে একটি বিষয়।
গ- শ্রোতাদের অবস্থা অনুযায়ী বাক্য গঠন: কুরআনের শব্দ ও বাক্যসমূহ এক বিস্ময়কর ও অদ্ভুত পদ্ধতিতে সুবিন্যস্ত, যা সব স্তরের মানুষের সম্বোধনের উপযোগী। ফলে প্রত্যেক পাঠকই তা থেকে তার নিজস্ব বুঝ ও অনুধাবন ক্ষমতা অনুযায়ী রসদ গ্রহণ করতে পারে এবং একে নিজের জ্ঞান ও প্রয়োজন অনুযায়ী পরিমিত খুঁজে পায়।
ঘ- বর্ণনাভঙ্গিতে নতুনত্ব: চতুর্থ বৈশিষ্ট্যটি হলো কিছু অর্থকে বিভিন্ন প্রকাশভঙ্গি ও অলঙ্কারশাস্ত্রীয় শৈলীর (أسلوب بياني) মাধ্যমে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বারবার বর্ণনা করা, যা সেই অর্থের মধ্যে নতুনত্ব দান করে। এটি বিষয়টিকে এমনভাবে রূপক ও কাল্পনিক অবয়ব দান করে যা পূর্বের চেয়ে ভিন্নতর হয়, ফলে মনে হয় যেন এটি সম্পূর্ণ নতুন কোনো অর্থ।
মুজিজার (إعجاز) এই দিকটি বেশ কিছু বিষয়ের মাধ্যমে স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে, যা আমরা সংক্ষেপে নিচে তুলে ধরছি:
প্রথমত- কুরআনের শৈলী (أسلوب) সংক্রান্ত বৈশিষ্ট্যসমূহ
অলঙ্কারশাস্ত্রীয় মুজিজার (إعجاز بلاغي) প্রথম দিকটি হলো এই যে, কুরআন তার শৈলী (أسلوب) বা বিন্যাস পদ্ধতিতে একটি বিশেষ ধারা অনুসরণ করে, যেখানে কেউ তার সমকক্ষ হতে পারে না। এই বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
ক- এর অনন্য বিন্যাসশৈলী (نظم بديع): কুরআন একটি চমৎকার বিন্যাস পদ্ধতি অনুসরণ করে, যা আরবদের প্রচলিত ও পরিচিত বাকপদ্ধতির বাইরে। এটি কবিতার ছন্দে আবদ্ধ নয়, আবার সাধারণ গদ্যের অন্ত্যমিলের (سجع) ধারায়ও নয়।
খ- শব্দের সৌন্দর্য ও অভিব্যক্তির শ্রেষ্ঠত্ব রক্ষা: কুরআনের অভিব্যক্তি চমৎকার বর্ণনার জন্য সবচেয়ে সুন্দর শব্দগুলো নির্বাচন করে। এর শব্দগত সৌন্দর্য, সূক্ষ্ম গাঁথুনি এবং বর্ণনার চমৎকারিত্ব সর্বদা একটি উচ্চমানে বজায় থাকে, চাই এর আলোচিত বিষয়বস্তু যত বৈচিত্র্যময় ও ভিন্ন ভিন্নই হোক না কেন। এটি মানবীয় সামর্থ্যের বাইরে একটি বিষয়।
গ- শ্রোতাদের অবস্থা অনুযায়ী বাক্য গঠন: কুরআনের শব্দ ও বাক্যসমূহ এক বিস্ময়কর ও অদ্ভুত পদ্ধতিতে সুবিন্যস্ত, যা সব স্তরের মানুষের সম্বোধনের উপযোগী। ফলে প্রত্যেক পাঠকই তা থেকে তার নিজস্ব বুঝ ও অনুধাবন ক্ষমতা অনুযায়ী রসদ গ্রহণ করতে পারে এবং একে নিজের জ্ঞান ও প্রয়োজন অনুযায়ী পরিমিত খুঁজে পায়।
ঘ- বর্ণনাভঙ্গিতে নতুনত্ব: চতুর্থ বৈশিষ্ট্যটি হলো কিছু অর্থকে বিভিন্ন প্রকাশভঙ্গি ও অলঙ্কারশাস্ত্রীয় শৈলীর (أسلوب بياني) মাধ্যমে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বারবার বর্ণনা করা, যা সেই অর্থের মধ্যে নতুনত্ব দান করে। এটি বিষয়টিকে এমনভাবে রূপক ও কাল্পনিক অবয়ব দান করে যা পূর্বের চেয়ে ভিন্নতর হয়, ফলে মনে হয় যেন এটি সম্পূর্ণ নতুন কোনো অর্থ।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 165)